নীতিমালা অনুযায়ী, এই তহবিলের সুফল পেতে হলে আবেদনকারীর বয়স আবেদনের শেষ তারিখে সর্বোচ্চ ২৮ বছর হতে হবে এবং তাকে সংশ্লিষ্ট উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা ও বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে। তবে ঋণখেলাপি ব্যক্তি, পূর্বে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যবসায়িক ঋণ গ্রহণকারী এবং সরকারি, আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা এই কর্মসূচির আওতাভুক্ত হবেন না। কারিগরি স্টার্টআপ, কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হালকা প্রকৌশল, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও হস্তশিল্পসহ যেকোনো বৈধ নতুন বা বিদ্যমান ব্যবসায়িক উদ্যোগ এই অর্থায়নের জন্য বিবেচিত হবে।
ব্লেন্ডেড ফাইন্যান্স: অর্ধেক ঋণ ও অর্ধেক অনুদান:
উদ্যোক্তা বাছাই প্রক্রিয়া ও অতিরিক্ত সহায়তা:
স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় যোগ্য উদ্যোক্তা বাছাইয়ের জন্য প্রতিটি উপজেলায় একটি করে লিড ব্যাংক নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। যেকোনো তফসিলি ব্যাংকের শাখা থেকে আবেদন ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাবে। পরবর্তীতে উপজেলা ও জেলা লিড ব্যাংকের মাধ্যমে আবেদনগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হবে। ব্যবসায়িক পরিকল্পনা, বাজার সম্ভাবনা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক, তফসিলি ব্যাংক, সফল উদ্যোক্তা, শিল্প খাত ও শিক্ষাবিদদের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ প্যানেল কাজ করবে। চূড়ান্ত বাছাইয়ের পর মনোনীত উদ্যোক্তাদের ১৭ কার্যদিবসের মধ্যে ঋণ অনুমোদনের ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া, শুধু অর্থায়ন প্রদানই নয়, বরং অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলো উদ্যোক্তাদের আর্থিক সাক্ষরতা প্রশিক্ষণ, মেন্টরিং, বাজার সংযোগ এবং ট্রেড লাইসেন্স বা ব্যবসা নিবন্ধনের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।














