০৫:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্টোর বন্ধ হলেও চাকরি হারাবেন না কর্মীরা!

প্রতিনিধির নাম:

স্টোর বন্ধ হলেও চাকরি হারাবেন না মাইক্রোসফটের কর্মীরা! স্টোরে কর্মরত প্রত্যেক কর্মীর বিকল্প কাজের সুযোগ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে এই সফটওয়্যার জায়ান্ট।

স্টোর বন্ধ করার জন্য প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রতি শেয়ারে ৫ সেন্ট করে প্রি-ট্যাক্স চার্জ পড়বে বলে জানিয়েছে মাইক্রোসফট কর্প। ৩০ জুন শেষ হতে যাওয়া চলতি ত্রৈমাসিকের আর্থিক ফলাফলে চার্জ প্রতিফলিত হতে চলেছে বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে সব স্টোর স্থায়ীভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাইক্রোসফট। এর আগে করোনা সংক্রমণের কারণে মাইক্রোসফটের সব স্টোর সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল।

মাইক্রোসফট জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে মাইক্রোসফটের মোট ৮৩টি স্টোর আছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র আমেরিকাতেই আছে ৭২টি। বাকিগুলো বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। এই সব স্টোরে নিজেদের বিভিন্ন ল্যাপটপ এবং হার্ডওয়্যার বিক্রি ও প্রদর্শন করে তারা।

মাইক্রোসফটের মতে, বর্তমানে তাদের খুচরা ব্যবসা মূলত অনলাইন নির্ভর হয়ে পড়েছে। যে কারণে ‘রণকৌশল বদলে’ এই সব রিটেল স্টোর বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে ওয়াশিংটনে মাইক্রোসফটের সদর দফতর ছাড়াও নিউ ইয়র্ক, লন্ডন এবং সিডনিতে হাই-প্রোফাইল এক্সপিরিয়েন্স সেন্টারে স্টোর আছে। সেগুলো সম্পর্কেও নতুন করে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে মাইক্রোসফট।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৯:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২০
৩৫৪ বার পড়া হয়েছে

স্টোর বন্ধ হলেও চাকরি হারাবেন না কর্মীরা!

আপডেট সময় ০৯:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২০

স্টোর বন্ধ হলেও চাকরি হারাবেন না মাইক্রোসফটের কর্মীরা! স্টোরে কর্মরত প্রত্যেক কর্মীর বিকল্প কাজের সুযোগ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে এই সফটওয়্যার জায়ান্ট।

স্টোর বন্ধ করার জন্য প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রতি শেয়ারে ৫ সেন্ট করে প্রি-ট্যাক্স চার্জ পড়বে বলে জানিয়েছে মাইক্রোসফট কর্প। ৩০ জুন শেষ হতে যাওয়া চলতি ত্রৈমাসিকের আর্থিক ফলাফলে চার্জ প্রতিফলিত হতে চলেছে বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে সব স্টোর স্থায়ীভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাইক্রোসফট। এর আগে করোনা সংক্রমণের কারণে মাইক্রোসফটের সব স্টোর সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল।

মাইক্রোসফট জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে মাইক্রোসফটের মোট ৮৩টি স্টোর আছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র আমেরিকাতেই আছে ৭২টি। বাকিগুলো বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। এই সব স্টোরে নিজেদের বিভিন্ন ল্যাপটপ এবং হার্ডওয়্যার বিক্রি ও প্রদর্শন করে তারা।

মাইক্রোসফটের মতে, বর্তমানে তাদের খুচরা ব্যবসা মূলত অনলাইন নির্ভর হয়ে পড়েছে। যে কারণে ‘রণকৌশল বদলে’ এই সব রিটেল স্টোর বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে ওয়াশিংটনে মাইক্রোসফটের সদর দফতর ছাড়াও নিউ ইয়র্ক, লন্ডন এবং সিডনিতে হাই-প্রোফাইল এক্সপিরিয়েন্স সেন্টারে স্টোর আছে। সেগুলো সম্পর্কেও নতুন করে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে মাইক্রোসফট।