১১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

প্রতিনিধির নাম:
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। সাজার সঙ্গে তাঁকে দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ ধার্য করা হয়েছে। আদালতে রায় ঘোষণার সময় পায়ের ওপর পা তুলে কাঠগড়ায় বসেছিলেন ইনু। রায়ের আগে তাকে হাস্যোজ্জ্বল এবং পরেও তাঁকে হাসতে দেখা গেছে!

আজ মঙ্গলবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২ এ রায় দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন—বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

ইনুর বিরুদ্ধে মোট আটটি অভিযোগ আনা হয়েছিল। এর মধ্যে ৫টি অভিযোগ থেকে তাঁকে খালাস দেওয়া হয়। আর তিনটি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে ১০ বছর করে ৩০ বছরের সাজা দেওয়া হয়।

তবে সাজা একসঙ্গে চলায় তাঁকে ১০ বছর সাজা খাটতে হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। জুলাই-আগস্টের মামলার ষষ্ঠ রায় এটি।

তবে রায়ের পর এজলাস থেকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘তারেক রহমানের আমলে ফরমায়েশি রায়ে আরেকবার সাজা দেওয়া হয়েছে। প্রহসনের আদালতে ফরমায়েশি রায়ের নিন্দা করি। ইতিহাসে লেখা থাকবে, ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমানের আমলেও আমাকে প্রহসনের রায়ে সাজা দেওয়া হয়েছিল।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:৩৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
৭৩ বার পড়া হয়েছে

হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

আপডেট সময় ১০:৩৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। সাজার সঙ্গে তাঁকে দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ ধার্য করা হয়েছে। আদালতে রায় ঘোষণার সময় পায়ের ওপর পা তুলে কাঠগড়ায় বসেছিলেন ইনু। রায়ের আগে তাকে হাস্যোজ্জ্বল এবং পরেও তাঁকে হাসতে দেখা গেছে!

আজ মঙ্গলবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২ এ রায় দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন—বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

ইনুর বিরুদ্ধে মোট আটটি অভিযোগ আনা হয়েছিল। এর মধ্যে ৫টি অভিযোগ থেকে তাঁকে খালাস দেওয়া হয়। আর তিনটি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে ১০ বছর করে ৩০ বছরের সাজা দেওয়া হয়।

তবে সাজা একসঙ্গে চলায় তাঁকে ১০ বছর সাজা খাটতে হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। জুলাই-আগস্টের মামলার ষষ্ঠ রায় এটি।

তবে রায়ের পর এজলাস থেকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘তারেক রহমানের আমলে ফরমায়েশি রায়ে আরেকবার সাজা দেওয়া হয়েছে। প্রহসনের আদালতে ফরমায়েশি রায়ের নিন্দা করি। ইতিহাসে লেখা থাকবে, ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমানের আমলেও আমাকে প্রহসনের রায়ে সাজা দেওয়া হয়েছিল।’