কোহলির কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে বাবরের
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের একটি শক্তপোক্ত জায়গা করে ফেলেছেন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক বাবর আজম। শুধু তাই নয়, এরই মধ্যে অনেকে ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলির সঙ্গেও তুলনা করতে শুরু করেছেন বাবরকে।
অনেকে আবার ভবিষ্যদ্বাণীও করছেন যে, ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে তিন ফরম্যাটেই কোহলিকে ছাড়িয়ে যাবেন বাবর। তা হবে কি না, সময়ই বলে দেবে। তবে পাকিস্তানের সাবেক ব্যাটসম্যান আমির সোহেল মনে করেন, বাবরের এখনও কোহলির কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আমির বলেছেন, ‘এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ওরা বড় খেলোয়াড়। ব্যক্তিগতভাবে তারা অনেক বড় কিন্তু খুব বেশি শান্ত থাকায় এসব দলের খুব একটা কাজে আসে না। পাকিস্তানে গ্রেট ক্রিকেটারের কথা বললে সবার আগে আসবে জাভেদ মিঁয়াদাদের কথা। সে গ্রেট কারণ, নিজেও ভালো খেলতো এবং সতীর্থদেরও ভালো খেলতে উৎসাহিত করতো।
এসময় কোহলির উদাহরণ তিনি বলেন, ‘ঠিক একই কাজটা এখন কোহলি করছে। তার আশপাশের খেলোয়াড়রা নিজেদের খেলার মান বৃদ্ধি করছে। যে কারণে কোহলির গায়ে আছে গ্রেট খেলোয়াড়ের তকমা। আপনি বাবর আজমের কথা বললে, তার সব গুণই আছে। অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড়। তবে নিজের সতীর্থদেরকেও ভালো করাতে হবে।’
এ কাজটি কীভাবে করা যাবে, সে উপায়ও যেনো বলে দিলেন আমির, ‘বাবরকে নিজের খেলার মান তো বাড়াতেই হবে, একইসঙ্গে দলের অন্যান্যদেরও উৎসাহ দিতে হবে। সবার মনে আত্মবিশ্বাস জোগাতে হবে। ভারতে দেখুন ড্রেসিংরুমে দারুণ পরিবেশ বিরাজ করে। তেমনই আবহ আনতে হবে পাকিস্তান দলে।’
কোহলির আগ্রাসী মনোভাবের কথা তুলে ধরে আমির আরও বলেন, ‘তাদের (কোহলি ও বাবর) দুজনের প্রায় একই গুণাবলি রয়েছে। তবে কোহলিকে মাঠে বেশি আগ্রাসী দেখা যায়। কিন্তু বাবর থাকেন শান্ত। হয়তো কোহলি বাইরে থেকে আগ্রাসন দেখায় কিন্তু ভেতরে আসলে শান্তই থাকে। আমি মনে করি, বাবরেরও এমন আগ্রাসন দেখানো উচিৎ মাঠে। সে ব্যাটিং দিয়ে বোলারদের শাসন করে, সাথে যদি আগ্রাসনও নিয়ে আসে, তাহলে তার জন্যই ভালো হবে।’

















