দুদকের তদন্তে বলা হয়েছে, জাল নথিপত্র ও প্রতারণার মাধ্যমে দরপত্রের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে নির্মাণকাজের কার্যাদেশ নেয়া হয়। এতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব ধারায় অভিযোগ গঠন করে আদালত মামলাটির বিচার কার্যক্রম এগিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। দুদকের আইনজীবী মো. রেজাউল করিম রনি বলেন, দরপত্র প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন। আগামী ২০শে সেপ্টেম্বর মামলার প্রথম সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য সাক্ষী হাজির করার উদ্যোগ নেয়া হবে।
০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জি কে শামীমের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) একাডেমিক ভবন নির্মাণের দরপত্রে জালিয়াতির মামলায় আলোচিত ঠিকাদার এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমসহ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্যদিয়ে মামলাটির বিচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো। রোববার চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক এ আদেশ দেন।
একইসঙ্গে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর জন্য আগামী ২০শে সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে। মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মো. রেজাউল করিম রনি। মামলার নথি থেকে জানা যায়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ ভবনের দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্মাণকাজের দরপত্রে অংশ নিতে আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে জাল ও ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করেন। দরপত্রের নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ না করেও অভিজ্ঞতার সনদসহ বিভিন্ন নথিতে অসত্য তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
ট্যাগস :










