০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাগুরার মাফিয়া শিখরের সেই ভার্সিটির দাদা শিশির শিকদারের কি শাস্তি হবে না?

প্রতিনিধির নাম:

মাগুরা প্রতিনিধি
মাগুরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখরের তিনি ছিলেন জানের জান,প্রানের প্রান। ততসময়ে শ্রীপুরে তার অসীম দাপট। তার কথামত শিখর সব কাজ করতেন। শ্রীপুরের সিভিল ও পুলিশ প্রশাসন ছিল তার হুকুমের দাস। তাইতো শ্রীপুরবাসী তাকে শিখরের উপদেষ্টা বা “দাদা” বলে মনে করতেন। শিশির শিকদারের বাড়ী শ্রীপুর উপজেলার জোঁকা গ্রামে।  তিনি এমপির দাপটে ইউএনও,থানার ওসি বা এসিল্যান্ডকে পরিচালনা করতেন। শিশির শিকদার কমলাপুর জিকে আইডিয়াল ডিগ্রী কলেজে শিক্ষকতা করেন আর তার স্ত্রী শিখরের দাপট খাঁটিয়ে রাধানগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা নিয়েছেন। শ্রীপুর উপজেলার সবাই জানে শিখরের ভার্সিটি দাদা শিশির শিকদার।  শিশিরকে দাদা বলে ডাকতেন শিখর। রাজশাহী ভার্সিটির সম্পর্ক তাদের।  এক সময় শিখরের দাপট দেখিয়ে শ্রীপুর উপজেলা পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি হয়েছিলেন। উপজেলা নির্বাচনের পর শিশিরকে বাদ দিয়ে নতুন কমিটি হয়েছে।  শিশির শিখরের ক্ষমতাবলে একই ব্যক্তি দুইটি প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন নিয়েছেন।
উপজেলা পরিষদ সেন্ট্রাল কিন্ডার গার্টেন স্কুল থেকে ও জিকে আইডিয়াল কলেজ থেকে। কিন্ডার গার্টেন স্কুলে তিনি প্রায়ই অনুপস্থিত থাকেন।তারপরও অধ্যক্ষের বেতন খান।
শিখরের আমলে তিনি কলেজেও ঠিকমত যেতেন না।ক্লাসও নিতেন না। এক সময় শিশিরের দূর্নীতি ও একই ব্যক্তি দুইটি প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করার দায়ে ইউএনও আহসান উল্লাহ শরিফী তাকে চাকুরী থেকে বাদ দিয়ে দিয়েছিলেন। পরে শিখরের সুপারিশে আবার কিন্ডার গার্টেনে চাকুরী ফিরে পান।
প্রতিদিন কিন্ডার গার্টেন স্কুলে তিনি আসে না। মাঝে মধ্যে সকাল এসে আবার ৮ টার দিকে চলে যান। বেতন কিন্ত ঠিকই তুলে নেন। কিন্ডারগার্ডেন স্কুলের ছাত্রছাত্রী ভর্তি ও বেতনের টাকা শিশির লুটেপুটে খাচ্ছেন। এই প্রতিষ্ঠানে আরেকজন বেকার যুবককে চাকুরী দিলে ওই ব্যক্তির পরিবারটি বাঁচতো, আবার বেকার সমস্যাও মিটতো। তখন ছিলেন শিখরের বড়ভাই এখন আবার বিএনপির সাথে আঁতাত করার চেষ্টা করছেন। ৫ তারিখের পর তিনি এলাকা ছাড়া ছিলেন। এখন আবার স্বদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।তার এই অসীম ক্ষমতা দেখে শ্রীপুরবাসী বিস্মিত! বিএনপি নেতারা নাকি তার কাছে বিক্রি হয়েগেছেন। তাইতো তিনি শিখরের আমলে শত প্রকার অন্যায়,অত্যাচার,জুলুম,নির্যাতন ও দাদাগিরি করেও রয়েছেন গণধোলাই ও গ্রেফতারমুক্ত।
শ্রীপুরবাসীর প্রশ্ন গডফাদার শিখরের এই দোসর কি তার অতীত কর্মের শাস্তি পাবে না?

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:২৮:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪
৪১১ বার পড়া হয়েছে

মাগুরার মাফিয়া শিখরের সেই ভার্সিটির দাদা শিশির শিকদারের কি শাস্তি হবে না?

আপডেট সময় ১০:২৮:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪

মাগুরা প্রতিনিধি
মাগুরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখরের তিনি ছিলেন জানের জান,প্রানের প্রান। ততসময়ে শ্রীপুরে তার অসীম দাপট। তার কথামত শিখর সব কাজ করতেন। শ্রীপুরের সিভিল ও পুলিশ প্রশাসন ছিল তার হুকুমের দাস। তাইতো শ্রীপুরবাসী তাকে শিখরের উপদেষ্টা বা “দাদা” বলে মনে করতেন। শিশির শিকদারের বাড়ী শ্রীপুর উপজেলার জোঁকা গ্রামে।  তিনি এমপির দাপটে ইউএনও,থানার ওসি বা এসিল্যান্ডকে পরিচালনা করতেন। শিশির শিকদার কমলাপুর জিকে আইডিয়াল ডিগ্রী কলেজে শিক্ষকতা করেন আর তার স্ত্রী শিখরের দাপট খাঁটিয়ে রাধানগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা নিয়েছেন। শ্রীপুর উপজেলার সবাই জানে শিখরের ভার্সিটি দাদা শিশির শিকদার।  শিশিরকে দাদা বলে ডাকতেন শিখর। রাজশাহী ভার্সিটির সম্পর্ক তাদের।  এক সময় শিখরের দাপট দেখিয়ে শ্রীপুর উপজেলা পূঁজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি হয়েছিলেন। উপজেলা নির্বাচনের পর শিশিরকে বাদ দিয়ে নতুন কমিটি হয়েছে।  শিশির শিখরের ক্ষমতাবলে একই ব্যক্তি দুইটি প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন নিয়েছেন।
উপজেলা পরিষদ সেন্ট্রাল কিন্ডার গার্টেন স্কুল থেকে ও জিকে আইডিয়াল কলেজ থেকে। কিন্ডার গার্টেন স্কুলে তিনি প্রায়ই অনুপস্থিত থাকেন।তারপরও অধ্যক্ষের বেতন খান।
শিখরের আমলে তিনি কলেজেও ঠিকমত যেতেন না।ক্লাসও নিতেন না। এক সময় শিশিরের দূর্নীতি ও একই ব্যক্তি দুইটি প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করার দায়ে ইউএনও আহসান উল্লাহ শরিফী তাকে চাকুরী থেকে বাদ দিয়ে দিয়েছিলেন। পরে শিখরের সুপারিশে আবার কিন্ডার গার্টেনে চাকুরী ফিরে পান।
প্রতিদিন কিন্ডার গার্টেন স্কুলে তিনি আসে না। মাঝে মধ্যে সকাল এসে আবার ৮ টার দিকে চলে যান। বেতন কিন্ত ঠিকই তুলে নেন। কিন্ডারগার্ডেন স্কুলের ছাত্রছাত্রী ভর্তি ও বেতনের টাকা শিশির লুটেপুটে খাচ্ছেন। এই প্রতিষ্ঠানে আরেকজন বেকার যুবককে চাকুরী দিলে ওই ব্যক্তির পরিবারটি বাঁচতো, আবার বেকার সমস্যাও মিটতো। তখন ছিলেন শিখরের বড়ভাই এখন আবার বিএনপির সাথে আঁতাত করার চেষ্টা করছেন। ৫ তারিখের পর তিনি এলাকা ছাড়া ছিলেন। এখন আবার স্বদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।তার এই অসীম ক্ষমতা দেখে শ্রীপুরবাসী বিস্মিত! বিএনপি নেতারা নাকি তার কাছে বিক্রি হয়েগেছেন। তাইতো তিনি শিখরের আমলে শত প্রকার অন্যায়,অত্যাচার,জুলুম,নির্যাতন ও দাদাগিরি করেও রয়েছেন গণধোলাই ও গ্রেফতারমুক্ত।
শ্রীপুরবাসীর প্রশ্ন গডফাদার শিখরের এই দোসর কি তার অতীত কর্মের শাস্তি পাবে না?