০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির পরিচালক ইমাম জাফর সিকদার অপপ্রচারের শিকার!

প্রতিনিধির নাম:

স্টাফ রিপোর্টার

“অবৈধ পথে শত কোটি টাকার মালিক: রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির পরিচালক ইমাম জাফরের বিরুদ্ধে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন” শিরোনামে একাধিক নিউজ পোর্টালে যে সংবাদ প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে সেটি নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করলেও সেটির কোন তদন্ত এখনো হয়নি। ফলে তিনি দোষী কি-না সেটিও এখনো প্রমাণিত নয়।অথচ: দোষী প্রমাণের আগেই তাকে ভিকটিম করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে রেডক্রিসেন্ট এর একাধিক কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, তার কোন অবৈধ সম্পদ আছে বলে জানা নেই। একটি গোষ্ঠি তার নামে এসব মিথ্যা ও বেনামি অভিযোগ দায়ের করিয়ে তাকে সামাজিক ও মানুষিক ভাবে হয়রানি করতেছে। তার দীর্ঘ চাকরি জীবনে এমন কোন দুর্নীতির বিষয় উত্থাপিত হয়নি। । তাকে নিয়ে রেডক্রিসেন্টে যে ঠিকাদারী ব্যবসা ও নিয়োগ, বদলী বাণিজ্যের কথা বলা হয়েছে সেটাও সম্পূর্ণ মিথ্যা। কারণ তার বা তার কোন আত্মীয় স্বজনের রেডক্রিসেন্ট লাইসেন্স আছে বলে প্রমান পাওয়া যায় নি।
তাছাড়া তার বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারীর যে অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে তা তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। গুটি কয়েক চাকরিচ্যাত দুর্নীতিবাজ ও কুচক্রি মহাল তার নামে এসব মিথ্যা মানহানীকর তথ্য ছড়িয়ে সামাজিক ভাবে সম্মানহানী করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
আসলে তিনি রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির কিছু অসাধু,চাকরীচ্যুত কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার হয়েছেন। তারা তার মান-সম্মানহানী ও চাকরী জীবনের অর্জিত সাফল্য ম্লান করার জন্য সংবাদ মাধ্যমে নানা প্রকার মনগড়া মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছে।

বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারি মিলে তার বিরুদ্ধে বহুদিন আগে থেকেই গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন এখনও আছেন। এই চক্রটি বিভিন্ন সময় এধরনের মিথ্যা বেনামি অভযোগ দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করিয়ে কর্মকর্তাসহ সোসাইটির ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করে আসছেন।আমরা রেডক্রিসেন্ট এর একধিক কর্মচারি ও কর্মকর্তার সাথে কথা বলে এর সততা প্রমান পেয়েছি। পরিচালক ইমাম জাফর সিকদার এই চক্রের ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৩:২৩:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪
৫৯৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির পরিচালক ইমাম জাফর সিকদার অপপ্রচারের শিকার!

আপডেট সময় ০৩:২৩:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার

“অবৈধ পথে শত কোটি টাকার মালিক: রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির পরিচালক ইমাম জাফরের বিরুদ্ধে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন” শিরোনামে একাধিক নিউজ পোর্টালে যে সংবাদ প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে সেটি নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করলেও সেটির কোন তদন্ত এখনো হয়নি। ফলে তিনি দোষী কি-না সেটিও এখনো প্রমাণিত নয়।অথচ: দোষী প্রমাণের আগেই তাকে ভিকটিম করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে রেডক্রিসেন্ট এর একাধিক কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, তার কোন অবৈধ সম্পদ আছে বলে জানা নেই। একটি গোষ্ঠি তার নামে এসব মিথ্যা ও বেনামি অভিযোগ দায়ের করিয়ে তাকে সামাজিক ও মানুষিক ভাবে হয়রানি করতেছে। তার দীর্ঘ চাকরি জীবনে এমন কোন দুর্নীতির বিষয় উত্থাপিত হয়নি। । তাকে নিয়ে রেডক্রিসেন্টে যে ঠিকাদারী ব্যবসা ও নিয়োগ, বদলী বাণিজ্যের কথা বলা হয়েছে সেটাও সম্পূর্ণ মিথ্যা। কারণ তার বা তার কোন আত্মীয় স্বজনের রেডক্রিসেন্ট লাইসেন্স আছে বলে প্রমান পাওয়া যায় নি।
তাছাড়া তার বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারীর যে অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে তা তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। গুটি কয়েক চাকরিচ্যাত দুর্নীতিবাজ ও কুচক্রি মহাল তার নামে এসব মিথ্যা মানহানীকর তথ্য ছড়িয়ে সামাজিক ভাবে সম্মানহানী করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
আসলে তিনি রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির কিছু অসাধু,চাকরীচ্যুত কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার হয়েছেন। তারা তার মান-সম্মানহানী ও চাকরী জীবনের অর্জিত সাফল্য ম্লান করার জন্য সংবাদ মাধ্যমে নানা প্রকার মনগড়া মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছে।

বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারি মিলে তার বিরুদ্ধে বহুদিন আগে থেকেই গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন এখনও আছেন। এই চক্রটি বিভিন্ন সময় এধরনের মিথ্যা বেনামি অভযোগ দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করিয়ে কর্মকর্তাসহ সোসাইটির ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করে আসছেন।আমরা রেডক্রিসেন্ট এর একধিক কর্মচারি ও কর্মকর্তার সাথে কথা বলে এর সততা প্রমান পেয়েছি। পরিচালক ইমাম জাফর সিকদার এই চক্রের ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার।