০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাগুরা -১ আসনে সতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন সাবেক পৌর মেয়র তপন কুমার রায়

প্রতিনিধির নাম:

মাগুরা প্রতিনিধি
সময়ের সাথে বদলে যায় সব কিছু। স্বার্থের দ্বন্ধে প্রিয় মানুষও অপ্রিয় মানুষে পরিণত হয়। বন্ধু হয়ে ওঠে ভয়ংকর শত্রু। সামাজিক এই উত্থান-পতন নিয়তির বিধানেই অনিবার্য। আজ যার ভাল সময় কাল তার খারাপ সময় আসবেই। যেমন রাতের পর দিন। হাসির পর কান্না। জোয়ারের পর ভাটা। রাজনীতিতেও একই ধারা প্রবাহমান। আজ যে জনপ্রিয় নেতা কাল সে পতিত। আজ যে মহাপ্রতাপশালী কাল সে নি:স-রিক্ত বা জনবিচ্ছিন্ন। রাজনীতির এই উত্থান পতন খেলায় কে কখন খাদে পড়ে যায় তা কেউই সঠিক ভাবে বলতে পারে না। বৃটিশরা যখন ভারতীয় এই উপমহাদেশ ত্যাগ করেছিল তখন তারা একটি কথায়ই বার বার বলেছিলো। কথাটি ছিলো এমন; এশীয় অঞ্চলের বাঙ্গালীর মন ক্ষণে ক্ষণে বদলায়,তাই এদের আস্থা অর্জন করা বা শাসন করা খুবই কঠিন। এদের সমর্থন কখনো স্থির থাকে না। বৃটিশ শাসকদের এই কথাগুলো কোন ভাবেই মিথ্যে নয়। এশীয় অঞ্চলের মানুষের মন ক্ষণে ক্ষণে বদলায়। এখন যাকে ফুলের মালা পরিয়ে প্রশংসা করে ক‘দিন পরেই তার গলায় জুতোর মালা পরিয়ে অপমান করে। রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই। ক্ষমতার লোভে নেতা যেমন নীতি বদল করে। আবার ক্ষমতার লোভে বিক্রিও হয়। আবার অনেক নেতা আছে যারা ডিগবাজী দিয়ে নিজেকে নিজেই বলি দেয়। এদের রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটে অতি দ্রুত। কেউ কেউ আবার পৈত্রিক সুত্রে নেতা বনে যান। তাদের কৃতকর্ম হয় জঘন্য প্রকৃতির। পতনও অণিবার্য হয়ে দাঁড়ায়। রাজনীতির এই নোংরাধারা আর কত দিন চলবে সেটাই এখন জাতির প্রধান প্রশ্ন।
মাগুরা জেলার রাজনীতিতেও এই নোংরা খেলা চলছে। অতি লোভী কিছু নেতা ক্ষমতার বলয়ে গোটা জেলাটাকেই গ্রাস করে ফেলেছে। প্রচলন করেছে গডফাদারের রাজনীতি। তারা টাকার নেশায় এতটাই অন্ধ যে, আপন পর বাছ বিচার করারও সময় পাচ্ছেন না। জনকল্যানের রাজনীতিকে সাইড লাইনে রেখে ব্যক্তি কল্যাণের রাজনীতিকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। ফলে মাগুরা জেলার সিংহভাগ মানুষ এ সব নীতিহীন নেতাকে ঘৃণা করতে শুরু করেছেন। দলকে ভালোবাসলেও নেতার আচরণে তারা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। ভোটের সময় যথাযথ প্রতিশোধ নেবেন এমন সংকল্পও ব্যক্ত করছেন তারা। জেলার এই সব সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের আশা আকাংখা পুরন করার লক্ষ্যে একটি মানুষ মাথা তুলে দাঁড়িয়েছেন। দলীয় কোন পদ পদবী না থাকলেও জেলার সর্বস্তরের মানুষের অন্তরে তিনি মিটি মিটি তারা হয়ে জ¦লছেন বহুদিন ধরে। এবার তিনি স্ফুলিঙ্গ হয়ে জ¦লে উঠতে চান। ভেঙে দিতে চান বাঁধার প্রাচীর। রাজনীতির বাইরে দাঁড়িয়ে সামাজিক অবস্থান থেকেও যে, জেলাবাসীর কল্যাণে কাজ করা যায়,তাদের ভাগ্য বদলে ফেলা যায় সেটা তিনি প্রমাণ করতে চান। আর সেজন্যই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি মাগুরা-১ ( মাগুরা-শ্রীপুর) আসনে জাতীয় সংসদ সদস্য পদে সতন্ত্র প্রার্থী ঘোষণা দিয়েছেন। এবার তিনি ভোটের মাঠে সিংহের মত লড়তে চান। এজন্য তিনি মিডিয়ার মাধ্যমে সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন।
সেই মানুষটি আর কেউ নন। তিনি হলেন: মাগুরা পৌরসভার বারবার নির্বাচিত কাউন্সিলর ও সাবেক মেয়র তপন কুমার রায়। তিনি যখন মাগুরা পৌরসভার কাউন্সিলর ও মেয়র ছিলেন তখন সরকার থেকে কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ এনে মাগুরা পৌর এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করে পৌরসভার চেহারাই বদলে দেন। মাগুরা পৌরসভাকে ‘ক’ শ্রেণীতে উন্নীত করেন। পৌরবাসীর সেবায় দিন রাত ছুঁটে বেড়াতেন। তার আচার,ব্যবহার,মেধা,মনন,কর্মদক্ষতা ছিল অতুলনীয়। যে কারণে তিনি জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ মেয়রের পদকও পেয়েছিলেন। তপন কুমার রায় জাতীয়তাবাদ চেতণার একজন আত্মবিশ^াসী মানুষ। ধর্মীও কোন গোঁড়ামি নেই তার মধ্যে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে তিনি মানুষের একজন প্রকৃত সেবক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। কে হিন্দু,কে মুসলিম,কে বৌদ্ধ,কে পৌত্তালিক কে নিন্মবর্ণ, কে উচ্চবর্ণ এ সব তার কাছে বিচার্য বিষয় নয়। তিনি সবাইকেই এক মানুষের পাল্লায় পরিমাপ করে পথ চলেন। তিনি যত দিন মাগুরা পৌর সভার কাউন্সিলর ও মেয়র ছিলেন ততোদিন কোন পৌরবাসীকে নাগরিক সেবায় হয়রানী হতে হয়নি। মাগুরা শহরটিকে সুন্দর একটি অবয়ব দিতে তিনি আপ্রান চেষ্টা করেছিলেন। সকাল থেকে গভীর রাত অব্দি তার বাসার দরজা পৌরবাসীর জন্য খোলা থাকতো। কিন্তু অতীব পরিতাপের বিষয় আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর তার ওপর দিয়ে বয়ে গেছে এক অবর্ণনীয় ঝড়। যে ঝড়ে তিনি নাস্তানুবাদ হয়েছেন ঠিকই কিন্তু ভেঙে পড়েননি। কেন না তিনি জানেন,রাতের পরই দিন আসে। কান্নার পরই হাসি আসে। ধ্বংসের পরেই সৃষ্টি হয়। তাইতো মনে হাজার কষ্ট নিয়ে তিনি দিন রাত পার করছিলেন। আর সামর্থ মত এলাকার মানুষকে সাহায্য-সহযোগিতা করছিলেন। অপেক্ষা করছিলেন নতুন একটি সূর্যের।নতুন একটি প্রভাতের। নতুন একটি রাজনৈতিক পরিমন্ডলের। ২০২৪ সালে তার সেই অপেক্ষার পালা বুঝি শেষ হতে চলেছে। তাইতো আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচণে তিনি মাগুরা -১ আসন থেকে ভোট যুদ্ধে লিপ্ত হতে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই আসনে তিনি সতন্ত্র প্রার্থী হবেন মর্মে ঘোষণা দিয়ে জনসংযোগ শুরু করেছেন। কখনো স্বশরীরে আবার কখনো সেল ফোনে সারাক্ষণ নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের খোঁজ খবর নিচ্ছেন। তার এই সাহসী সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন মাগুরার সুশীল সমাজ সহ সর্ব স্তরের ভোটাররা।
এ প্রসংগে সাবেক মেয়র তপন কুমার রায় বলেন,তিনি মাগুরাবাসীর একজন পরীক্ষিত জনসেবক। অতীতে তিনি এলাকাবাসীর জন্য যা কিছু করেছেন ভোটাররা তার মুল্যায়ণ করলেই তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন। কেন না মাগুরা জেলার মানুষ কোন পদ পদবী বিচার করেন না। তারা একজন প্রকৃত জন সেবককে তাদের এমপি হিসাবে পেতে চান। কোন গডফাদার বা পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত নেতাকে তারা পছন্দ করেন না।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:৫৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৩
৩২৯ বার পড়া হয়েছে

মাগুরা -১ আসনে সতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন সাবেক পৌর মেয়র তপন কুমার রায়

আপডেট সময় ১২:৫৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৩

মাগুরা প্রতিনিধি
সময়ের সাথে বদলে যায় সব কিছু। স্বার্থের দ্বন্ধে প্রিয় মানুষও অপ্রিয় মানুষে পরিণত হয়। বন্ধু হয়ে ওঠে ভয়ংকর শত্রু। সামাজিক এই উত্থান-পতন নিয়তির বিধানেই অনিবার্য। আজ যার ভাল সময় কাল তার খারাপ সময় আসবেই। যেমন রাতের পর দিন। হাসির পর কান্না। জোয়ারের পর ভাটা। রাজনীতিতেও একই ধারা প্রবাহমান। আজ যে জনপ্রিয় নেতা কাল সে পতিত। আজ যে মহাপ্রতাপশালী কাল সে নি:স-রিক্ত বা জনবিচ্ছিন্ন। রাজনীতির এই উত্থান পতন খেলায় কে কখন খাদে পড়ে যায় তা কেউই সঠিক ভাবে বলতে পারে না। বৃটিশরা যখন ভারতীয় এই উপমহাদেশ ত্যাগ করেছিল তখন তারা একটি কথায়ই বার বার বলেছিলো। কথাটি ছিলো এমন; এশীয় অঞ্চলের বাঙ্গালীর মন ক্ষণে ক্ষণে বদলায়,তাই এদের আস্থা অর্জন করা বা শাসন করা খুবই কঠিন। এদের সমর্থন কখনো স্থির থাকে না। বৃটিশ শাসকদের এই কথাগুলো কোন ভাবেই মিথ্যে নয়। এশীয় অঞ্চলের মানুষের মন ক্ষণে ক্ষণে বদলায়। এখন যাকে ফুলের মালা পরিয়ে প্রশংসা করে ক‘দিন পরেই তার গলায় জুতোর মালা পরিয়ে অপমান করে। রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই। ক্ষমতার লোভে নেতা যেমন নীতি বদল করে। আবার ক্ষমতার লোভে বিক্রিও হয়। আবার অনেক নেতা আছে যারা ডিগবাজী দিয়ে নিজেকে নিজেই বলি দেয়। এদের রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটে অতি দ্রুত। কেউ কেউ আবার পৈত্রিক সুত্রে নেতা বনে যান। তাদের কৃতকর্ম হয় জঘন্য প্রকৃতির। পতনও অণিবার্য হয়ে দাঁড়ায়। রাজনীতির এই নোংরাধারা আর কত দিন চলবে সেটাই এখন জাতির প্রধান প্রশ্ন।
মাগুরা জেলার রাজনীতিতেও এই নোংরা খেলা চলছে। অতি লোভী কিছু নেতা ক্ষমতার বলয়ে গোটা জেলাটাকেই গ্রাস করে ফেলেছে। প্রচলন করেছে গডফাদারের রাজনীতি। তারা টাকার নেশায় এতটাই অন্ধ যে, আপন পর বাছ বিচার করারও সময় পাচ্ছেন না। জনকল্যানের রাজনীতিকে সাইড লাইনে রেখে ব্যক্তি কল্যাণের রাজনীতিকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। ফলে মাগুরা জেলার সিংহভাগ মানুষ এ সব নীতিহীন নেতাকে ঘৃণা করতে শুরু করেছেন। দলকে ভালোবাসলেও নেতার আচরণে তারা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। ভোটের সময় যথাযথ প্রতিশোধ নেবেন এমন সংকল্পও ব্যক্ত করছেন তারা। জেলার এই সব সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের আশা আকাংখা পুরন করার লক্ষ্যে একটি মানুষ মাথা তুলে দাঁড়িয়েছেন। দলীয় কোন পদ পদবী না থাকলেও জেলার সর্বস্তরের মানুষের অন্তরে তিনি মিটি মিটি তারা হয়ে জ¦লছেন বহুদিন ধরে। এবার তিনি স্ফুলিঙ্গ হয়ে জ¦লে উঠতে চান। ভেঙে দিতে চান বাঁধার প্রাচীর। রাজনীতির বাইরে দাঁড়িয়ে সামাজিক অবস্থান থেকেও যে, জেলাবাসীর কল্যাণে কাজ করা যায়,তাদের ভাগ্য বদলে ফেলা যায় সেটা তিনি প্রমাণ করতে চান। আর সেজন্যই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি মাগুরা-১ ( মাগুরা-শ্রীপুর) আসনে জাতীয় সংসদ সদস্য পদে সতন্ত্র প্রার্থী ঘোষণা দিয়েছেন। এবার তিনি ভোটের মাঠে সিংহের মত লড়তে চান। এজন্য তিনি মিডিয়ার মাধ্যমে সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন।
সেই মানুষটি আর কেউ নন। তিনি হলেন: মাগুরা পৌরসভার বারবার নির্বাচিত কাউন্সিলর ও সাবেক মেয়র তপন কুমার রায়। তিনি যখন মাগুরা পৌরসভার কাউন্সিলর ও মেয়র ছিলেন তখন সরকার থেকে কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ এনে মাগুরা পৌর এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করে পৌরসভার চেহারাই বদলে দেন। মাগুরা পৌরসভাকে ‘ক’ শ্রেণীতে উন্নীত করেন। পৌরবাসীর সেবায় দিন রাত ছুঁটে বেড়াতেন। তার আচার,ব্যবহার,মেধা,মনন,কর্মদক্ষতা ছিল অতুলনীয়। যে কারণে তিনি জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ মেয়রের পদকও পেয়েছিলেন। তপন কুমার রায় জাতীয়তাবাদ চেতণার একজন আত্মবিশ^াসী মানুষ। ধর্মীও কোন গোঁড়ামি নেই তার মধ্যে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে তিনি মানুষের একজন প্রকৃত সেবক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। কে হিন্দু,কে মুসলিম,কে বৌদ্ধ,কে পৌত্তালিক কে নিন্মবর্ণ, কে উচ্চবর্ণ এ সব তার কাছে বিচার্য বিষয় নয়। তিনি সবাইকেই এক মানুষের পাল্লায় পরিমাপ করে পথ চলেন। তিনি যত দিন মাগুরা পৌর সভার কাউন্সিলর ও মেয়র ছিলেন ততোদিন কোন পৌরবাসীকে নাগরিক সেবায় হয়রানী হতে হয়নি। মাগুরা শহরটিকে সুন্দর একটি অবয়ব দিতে তিনি আপ্রান চেষ্টা করেছিলেন। সকাল থেকে গভীর রাত অব্দি তার বাসার দরজা পৌরবাসীর জন্য খোলা থাকতো। কিন্তু অতীব পরিতাপের বিষয় আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর তার ওপর দিয়ে বয়ে গেছে এক অবর্ণনীয় ঝড়। যে ঝড়ে তিনি নাস্তানুবাদ হয়েছেন ঠিকই কিন্তু ভেঙে পড়েননি। কেন না তিনি জানেন,রাতের পরই দিন আসে। কান্নার পরই হাসি আসে। ধ্বংসের পরেই সৃষ্টি হয়। তাইতো মনে হাজার কষ্ট নিয়ে তিনি দিন রাত পার করছিলেন। আর সামর্থ মত এলাকার মানুষকে সাহায্য-সহযোগিতা করছিলেন। অপেক্ষা করছিলেন নতুন একটি সূর্যের।নতুন একটি প্রভাতের। নতুন একটি রাজনৈতিক পরিমন্ডলের। ২০২৪ সালে তার সেই অপেক্ষার পালা বুঝি শেষ হতে চলেছে। তাইতো আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচণে তিনি মাগুরা -১ আসন থেকে ভোট যুদ্ধে লিপ্ত হতে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই আসনে তিনি সতন্ত্র প্রার্থী হবেন মর্মে ঘোষণা দিয়ে জনসংযোগ শুরু করেছেন। কখনো স্বশরীরে আবার কখনো সেল ফোনে সারাক্ষণ নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের খোঁজ খবর নিচ্ছেন। তার এই সাহসী সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন মাগুরার সুশীল সমাজ সহ সর্ব স্তরের ভোটাররা।
এ প্রসংগে সাবেক মেয়র তপন কুমার রায় বলেন,তিনি মাগুরাবাসীর একজন পরীক্ষিত জনসেবক। অতীতে তিনি এলাকাবাসীর জন্য যা কিছু করেছেন ভোটাররা তার মুল্যায়ণ করলেই তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন। কেন না মাগুরা জেলার মানুষ কোন পদ পদবী বিচার করেন না। তারা একজন প্রকৃত জন সেবককে তাদের এমপি হিসাবে পেতে চান। কোন গডফাদার বা পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত নেতাকে তারা পছন্দ করেন না।