বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কোম্পানী সচিবের দুর্নীতি তদন্তের দাবী
বিশেষ প্রতিবেদক
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট‘র কোম্পানী সচিবের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে । দুর্নীতি দমন কমিশনে দায়েরকুত অভিযোগের বর্ননায় জানাগেছে, মোঃ রফিকুল হক (উপ সচিব) প্রায় দেড় বছর যাবৎ প্রেষনে কোম্পানী সচিব হিসেবে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানী লিঃ এ কর্মরত আছেন। কোম্পানী সচিব হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায় বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছেন।
বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানী লিঃ এর সিইও এবং চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে আছেন- ড. শাহজাহান মাহমুদ (কোন সার্ভিস কর্মকর্তা নয়) যার ফলে অনিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ভূল তথ্যাদি পরিবেশন করে অযথা মিসগাইড করে চলছে, যার ফলে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট এর টেকনিক্যাল কাজে ব্যাপক ক্ষতি সাধন লক্ষ্য করা যায়। প্রবিধানমালা অনুযায়ী উপ-সচিব পদ মর্যাদার ব্যক্তি- অত্র কোম্পানীর সমতুল্য অথচ সে (মোঃ রফিকুল হক উপ-সচিব) সমতুল্য পদ মর্যাদা ভোগ করে গাড়ী ব্যবহার সাপেক্ষে অন্যান্য দৈনন্দিন কাজের ক্ষতিসাধন করে চলছে।
মোঃ রফিকুল হক প্রেষনে-বাংলাদেশ স্যাটেলাইটে কোম্পানী লিঃ এ যোগদানের পর থেকে অনিয়মতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিষ্ঠানের গাড়ী ভাড়া চুক্তি করেছেন, যা প্রচলিত নিয়মের মধ্যে নেই। বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানী লিঃ এর বিভিন্ন কর্মকর্তা যথাক্রমে ম্যানেজার ডিজিএম ও জিএম অন্যায় ভাবে তাদের টেকনিক্যাল কাজে তদন্ত কমিটির নামে স্ব স্ব কর্মকর্তাদের চাকুরী ক্ষতিসাধনের চেষ্টা অব্যাহত। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের নিয়ন্ত্রনে এই প্রতিষ্ঠানে স্যাটেলাইটে কার্য্যক্রমে রাষ্ট্রের উন্নয়নের গতিধারায়-অংশীদার অথচ মোঃ রফিকুল হকের উপাত্তবিহীন কাজে রাষ্ট্রের উন্নয়নের গতিধারা ব্যাহত হচ্ছে।
বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানী লিঃ দৈনন্দিন কার্য্যক্রমে নিয়ন্ত্রিত বাজেটের বরাদ্ধ উপেক্ষা করে অহেতুক ভূয়া ভাউচার দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে যাচ্ছে। বরাদ্ধকৃত বাজেট এর টাকা খরচ করলেও অদ্যাবধি কোন অডিট হচ্ছেনা। বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বরাদ্ধকৃত অর্থ অন্যায় ভাবে খরচ করে চলছে। তদন্তে বিস্তারিত রহস্য উদ্ঘাটিত হবে।
বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানী লিঃ (বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট) এর চেয়ারম্যান যেহেতু কোন চাকুরীজীবি ছিলেন না, সেহেতু চেয়ারম্যানকে মিসগাইড করে ফয়দা লুটে যাচ্ছেন। বিশেষ কথা হলো- উক্ত রফিকুল হক (২২ ব্যাচের কর্মকর্তা ) এবং রাজাকার পরিবারের সন্তান বোর্ড সভার অনুমতি ব্যতিরেকে বিভিন্ন কমিটি করে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের কাজের ব্যাঘাত ঘটিয়ে চলছেন- যার ফলে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট এর উন্নয়ন কার্য্যক্রম এর পরিপন্থী হিসেবে স্বীকৃত, যা সরকারের জন্য বিব্রতকর।
বর্ণিত বিষয়ের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের ভাবমূর্তি রক্ষায় প্রেষনে কর্মরত মোঃ রফিকুল হক, ডিএস (২২তম ব্যাচ)কে অনতিবিলম্বে তার অনিয়ম ও দুর্নীতির কার্য্যক্রম তদন্ত করতঃ জরুরী ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য দুদক চেয়ারম্যান বরাবরে আবেদন জানান হয়েছে।











