১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণপূতের্র ইএম কারখানা বিভাগে শিবির নেতা ইউসুফের লুটপাট!

প্রতিনিধির নাম:

বিশেষ প্রতিবেদক

গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইএম কারখানা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর আশ্রয় প্রশ্রয়ে চলছে ভয়াবহ দুর্নীতি। কেউ কাজ শেষ করেও বিল পাচ্ছেনা আবার কেউ কাজ না করেও পুরো বরাদ্দ আত্মসাৎ করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে শিবিরের তুখোড় নেতা এই নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ বর্তমানে গণপূর্ত ই/এম বিভাগের দুর্নীতির খাদক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।
প্রকৌশলী ইউসুফ আগে নির্দিষ্ট পরিমাণে কমিশন গ্রহণ করলেও বর্তমানে কাজ না করে পুরো টাকা নিজের পকেটে ভরছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ১৭ লাখ টাকার দরপত্রের বিপরীতে কোন প্রকার কাজ না করেই পুরো টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে আত্মসাৎ করেছে এই প্রকৌশলী সহ তার নিজস্ব সিন্ডিকেট।
সিন্ডিকেটের অন্যতম প্রকৌশলী ইউসুফ ও এসও মিজান এবং এসডিই আসিফ। ইউসুফের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানা যায়, চুয়েটে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময় তিনি সরাসরি শিবিরের নেতা ছিলে। এছাড়া বর্তমান কর্মস্থল সংসদের ইএম কারখানা বিভাগে ৭০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে ঢুকেছেন। প্রকৌশলী ইউসুফের ঘুষ ও কমিশনের অত্যাচারে ঠিকাদার এবং স্টাফ সবাই দিশেহারা হয়ে পড়লেও তিনি প্রধান প্রকৌশলীর আস্থাভাজন হওয়ায় এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উপায় নাই তাদের। বিহারি কাওসার নামের এক ঠিকাদারকে বিভিন্ন লাইসেন্সে কাজ দিয়ে সিন্ডিকেট গঠন করেছেন এই ইউসুফ।
এই বিহারি কাওসার মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের আটকে পড়া পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত একজন বাংলাদেশী। আওয়ামী বিরোধী এই ঠিকাদারের সাথে মিলে ইউসুফ একত্রে সিন্ডিকেট ব্যবসা করেন। গণপূর্ত ইএম কারখানা বিভাগের একাধিক ঠিকাদারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ইউসুফ ঠিকমতো অফিসে করেন না, কখনও বিআইসিসিতে, কখনো আসাদগেট আড়ংয়ে আবার কখনো বিভিন্ন হোটেলে গিয়ে ঠিকাদারের কাছ থেকে কমিশনের অ্যাডভান্স টাকা নেন। শুধু টাকা নেয়ার জন্য বাইরে বাইরে গিয়ে টাকা কালেকশন করে যে কারনে সঠিক সময় মত অফিস করে না তিনি। অফিসের ফাইল ড্রাইভার দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যান। এ সকল কারণে ঠিকাদারবৃন্দ সময়মতো বিল পাচ্ছে না। বিল না পাওয়ায় কাজে বিলম্ব হচ্ছে। আর তার ফলে সরকারের কোটি কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। বিআরটিসি প্রকল্পে ৫% ঘুষ না দিলে বিল দেন না ইউসুফ।
বিআইএম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে ঠিকাদারদের থেকে ১০% অ্যাডভান্স টাকা নিয়ে দরপত্র আহ্বান এবং অতিরিক্ত ৫% টাকা না দিলে কার্যাদেশ প্রদানে গড়িমসি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে মো. ইউসুফ এর বিরুদ্ধে। সাবেক শিবিরের নেতা প্রকৌশলী ইউসুফ এর খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, বিগত দিনে ইউসুফের দুর্নীতির আমলনামা বিস্তর “নাজমা এন্টার প্রাইজ” এর ২০১৪ সালের একটি তামাদি হওয়া বিলের টাকা ৫০% ভাগাভাগি করে বিল প্রদান করেন। ১৪ লাখ টাকার ঐ বিল দিয়ে নিজেই নিয়েছেন ৭ লাখ টাকা।
আবার জাতীয় বিজ্ঞান জাদুঘরের নবনির্মিত ভবনের সেন্ট্রাল এসির পরিচালন বাবদ ১৭ লাখ টাকার কাজ না করিয়ে এস ও মিজানের সাথে মিলে ৫০% টাকা নিয়ে বিল দিয়ে দেন নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ। এভাবেই সরকারি অর্থ লোপাটে নামছে ইউসুফ। শিবির নেতা হওয়ায় দেশপ্রেম এর পরিবর্তে দেশ ধ্বংসে লিপ্ত এই ইউসুফ জামাতের এখন বড় অর্থদাতা।
সম্প্রতি গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে তার এই শিবির সংযোগের এবং তার পরিবারের জামায়াতি ইসলামী কানেকশনের তথ্য বেরিয়ে আসছে বলে বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায়। তার অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী এবং ঠিকাদার সকলেই তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান, কিন্তু তার নির্লজ্জ আচরণের কারণে কেউ তার সামনে মুখ খুলতে চায় না।
নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ এর স্বেচ্ছাচারিতায় অতিষ্ঠরা বলেন, প্রকৌশলী ইউসুফের সীমাহীন দূর্নীতি ও সেচ্ছাচারিতায় ঠিকাদার ও কর্মচারীগণ মনে করেন সচিব মহোদয় ব্যতীত অন্য কেউ তার গ্রাস থেকে আমাদের বাঁচাতে পারবে না। কারণ, তিনি প্রধান প্রকৌশলীর ঘনিষ্ঠদের একজন।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায় , মোঃ ইউসুফ ১৯৯৫ সালে চট্টগ্রাম বিআইটিতে ভর্তি হয়ে ছাত্র শিবিরের রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়েন । ১৯৯৮ সালে বিআইটি , চট্টগ্রাম শাখার ছাত্র শিবিরের সভাপতি হন । সভাপতি হয়ে তিনি মোঃ সাইফুল্লাহকে শহীদ শাহ মোহাম্মদ হলের সভাপতি করেন ।
ছাত্রশিবিরের এই নেতা চিফ ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শামীম আক্তারের আনুকূল্য নিয়ে গণপূর্ত ইএম কারখানায় পোস্টিং পান । পোস্টিং পেয়েই শুরু করেন বেপরোয়া দুর্নীতি আর ঘুষ এবং কমিশন বাণিজ্য । ইএম কারখানায় অনেক কাজ না করিয়ে ৫০% নগদ অর্থ নিয়ে বিল দিয়ে দেন এই কর্মকর্তা । এ নিয়ে কয়েকবার বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নিউজ হলেও চিফ ইঞ্জিনিয়ার শামীম আক্তারের কারণে তাকে সরানো সম্ভব হয়নি । চিফ ইঞ্জিনিয়ারের এক মুরিদ বিহারি কাওসারের ফার্র্মের কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও অবৈধভাবে পাকিস্তানী বিহারি কাওসারের
ফার্ম কাওসার এন্টারপ্রাইজকে কোটি কোটি টাকার কাজ দিয়ে দেন ইউসুফ । এ সকল নিউজ প্রকাশিত হলেও অজ্ঞাত ক্ষমতার কারণে তার বিরুদ্ধে তদন্ত হয় না । অফিসের কর্মকর্তা , কর্মচারী , ঠিকাদার সকলেই তার ঘুষ লেনদেনে অতিষ্ঠ । তার কর্মকান্ডে সারাদিন চলে কানাঘুষা। সপ্তাহে সর্বমোট ১/ ২ ঘন্টার বেশি অফিসে আসেন না এই কর্মকর্তা । কেউ ফোন দিলে বিভিন্ন সাইটে আছি বলে মিথ্যা কথা বলে ফোন কেটে দেন । বাস্তবে তিনি সারাদিন হেড অফিসে তদবির এবং পোস্টিং ঠেকানোর জন্য বিহারি কাওসারের সাথে বিভিন্ন লিয়াজো করার কাজেই ব্যস্ত থাকেন ।
এই বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ এর সঙ্গে তার অফিস কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোন এবং খুদে বার্তা পাঠালেও তিনি ফিরতি কোন সদুত্তর দেননি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:৫৮:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ মে ২০২৩
২৮৬ বার পড়া হয়েছে

গণপূতের্র ইএম কারখানা বিভাগে শিবির নেতা ইউসুফের লুটপাট!

আপডেট সময় ০৬:৫৮:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ মে ২০২৩

বিশেষ প্রতিবেদক

গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইএম কারখানা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর আশ্রয় প্রশ্রয়ে চলছে ভয়াবহ দুর্নীতি। কেউ কাজ শেষ করেও বিল পাচ্ছেনা আবার কেউ কাজ না করেও পুরো বরাদ্দ আত্মসাৎ করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে শিবিরের তুখোড় নেতা এই নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ বর্তমানে গণপূর্ত ই/এম বিভাগের দুর্নীতির খাদক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।
প্রকৌশলী ইউসুফ আগে নির্দিষ্ট পরিমাণে কমিশন গ্রহণ করলেও বর্তমানে কাজ না করে পুরো টাকা নিজের পকেটে ভরছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ১৭ লাখ টাকার দরপত্রের বিপরীতে কোন প্রকার কাজ না করেই পুরো টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে আত্মসাৎ করেছে এই প্রকৌশলী সহ তার নিজস্ব সিন্ডিকেট।
সিন্ডিকেটের অন্যতম প্রকৌশলী ইউসুফ ও এসও মিজান এবং এসডিই আসিফ। ইউসুফের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানা যায়, চুয়েটে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময় তিনি সরাসরি শিবিরের নেতা ছিলে। এছাড়া বর্তমান কর্মস্থল সংসদের ইএম কারখানা বিভাগে ৭০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে ঢুকেছেন। প্রকৌশলী ইউসুফের ঘুষ ও কমিশনের অত্যাচারে ঠিকাদার এবং স্টাফ সবাই দিশেহারা হয়ে পড়লেও তিনি প্রধান প্রকৌশলীর আস্থাভাজন হওয়ায় এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উপায় নাই তাদের। বিহারি কাওসার নামের এক ঠিকাদারকে বিভিন্ন লাইসেন্সে কাজ দিয়ে সিন্ডিকেট গঠন করেছেন এই ইউসুফ।
এই বিহারি কাওসার মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের আটকে পড়া পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত একজন বাংলাদেশী। আওয়ামী বিরোধী এই ঠিকাদারের সাথে মিলে ইউসুফ একত্রে সিন্ডিকেট ব্যবসা করেন। গণপূর্ত ইএম কারখানা বিভাগের একাধিক ঠিকাদারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ইউসুফ ঠিকমতো অফিসে করেন না, কখনও বিআইসিসিতে, কখনো আসাদগেট আড়ংয়ে আবার কখনো বিভিন্ন হোটেলে গিয়ে ঠিকাদারের কাছ থেকে কমিশনের অ্যাডভান্স টাকা নেন। শুধু টাকা নেয়ার জন্য বাইরে বাইরে গিয়ে টাকা কালেকশন করে যে কারনে সঠিক সময় মত অফিস করে না তিনি। অফিসের ফাইল ড্রাইভার দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যান। এ সকল কারণে ঠিকাদারবৃন্দ সময়মতো বিল পাচ্ছে না। বিল না পাওয়ায় কাজে বিলম্ব হচ্ছে। আর তার ফলে সরকারের কোটি কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। বিআরটিসি প্রকল্পে ৫% ঘুষ না দিলে বিল দেন না ইউসুফ।
বিআইএম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে ঠিকাদারদের থেকে ১০% অ্যাডভান্স টাকা নিয়ে দরপত্র আহ্বান এবং অতিরিক্ত ৫% টাকা না দিলে কার্যাদেশ প্রদানে গড়িমসি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে মো. ইউসুফ এর বিরুদ্ধে। সাবেক শিবিরের নেতা প্রকৌশলী ইউসুফ এর খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, বিগত দিনে ইউসুফের দুর্নীতির আমলনামা বিস্তর “নাজমা এন্টার প্রাইজ” এর ২০১৪ সালের একটি তামাদি হওয়া বিলের টাকা ৫০% ভাগাভাগি করে বিল প্রদান করেন। ১৪ লাখ টাকার ঐ বিল দিয়ে নিজেই নিয়েছেন ৭ লাখ টাকা।
আবার জাতীয় বিজ্ঞান জাদুঘরের নবনির্মিত ভবনের সেন্ট্রাল এসির পরিচালন বাবদ ১৭ লাখ টাকার কাজ না করিয়ে এস ও মিজানের সাথে মিলে ৫০% টাকা নিয়ে বিল দিয়ে দেন নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ। এভাবেই সরকারি অর্থ লোপাটে নামছে ইউসুফ। শিবির নেতা হওয়ায় দেশপ্রেম এর পরিবর্তে দেশ ধ্বংসে লিপ্ত এই ইউসুফ জামাতের এখন বড় অর্থদাতা।
সম্প্রতি গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে তার এই শিবির সংযোগের এবং তার পরিবারের জামায়াতি ইসলামী কানেকশনের তথ্য বেরিয়ে আসছে বলে বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায়। তার অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী এবং ঠিকাদার সকলেই তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান, কিন্তু তার নির্লজ্জ আচরণের কারণে কেউ তার সামনে মুখ খুলতে চায় না।
নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ এর স্বেচ্ছাচারিতায় অতিষ্ঠরা বলেন, প্রকৌশলী ইউসুফের সীমাহীন দূর্নীতি ও সেচ্ছাচারিতায় ঠিকাদার ও কর্মচারীগণ মনে করেন সচিব মহোদয় ব্যতীত অন্য কেউ তার গ্রাস থেকে আমাদের বাঁচাতে পারবে না। কারণ, তিনি প্রধান প্রকৌশলীর ঘনিষ্ঠদের একজন।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায় , মোঃ ইউসুফ ১৯৯৫ সালে চট্টগ্রাম বিআইটিতে ভর্তি হয়ে ছাত্র শিবিরের রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়েন । ১৯৯৮ সালে বিআইটি , চট্টগ্রাম শাখার ছাত্র শিবিরের সভাপতি হন । সভাপতি হয়ে তিনি মোঃ সাইফুল্লাহকে শহীদ শাহ মোহাম্মদ হলের সভাপতি করেন ।
ছাত্রশিবিরের এই নেতা চিফ ইঞ্জিনিয়ার মোঃ শামীম আক্তারের আনুকূল্য নিয়ে গণপূর্ত ইএম কারখানায় পোস্টিং পান । পোস্টিং পেয়েই শুরু করেন বেপরোয়া দুর্নীতি আর ঘুষ এবং কমিশন বাণিজ্য । ইএম কারখানায় অনেক কাজ না করিয়ে ৫০% নগদ অর্থ নিয়ে বিল দিয়ে দেন এই কর্মকর্তা । এ নিয়ে কয়েকবার বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নিউজ হলেও চিফ ইঞ্জিনিয়ার শামীম আক্তারের কারণে তাকে সরানো সম্ভব হয়নি । চিফ ইঞ্জিনিয়ারের এক মুরিদ বিহারি কাওসারের ফার্র্মের কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও অবৈধভাবে পাকিস্তানী বিহারি কাওসারের
ফার্ম কাওসার এন্টারপ্রাইজকে কোটি কোটি টাকার কাজ দিয়ে দেন ইউসুফ । এ সকল নিউজ প্রকাশিত হলেও অজ্ঞাত ক্ষমতার কারণে তার বিরুদ্ধে তদন্ত হয় না । অফিসের কর্মকর্তা , কর্মচারী , ঠিকাদার সকলেই তার ঘুষ লেনদেনে অতিষ্ঠ । তার কর্মকান্ডে সারাদিন চলে কানাঘুষা। সপ্তাহে সর্বমোট ১/ ২ ঘন্টার বেশি অফিসে আসেন না এই কর্মকর্তা । কেউ ফোন দিলে বিভিন্ন সাইটে আছি বলে মিথ্যা কথা বলে ফোন কেটে দেন । বাস্তবে তিনি সারাদিন হেড অফিসে তদবির এবং পোস্টিং ঠেকানোর জন্য বিহারি কাওসারের সাথে বিভিন্ন লিয়াজো করার কাজেই ব্যস্ত থাকেন ।
এই বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ এর সঙ্গে তার অফিস কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোন এবং খুদে বার্তা পাঠালেও তিনি ফিরতি কোন সদুত্তর দেননি।