০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইফা পরিচালক মহীউদ্দীন মজুমদারের সম্পদের হিসাব চেয়ে দুদকের নোটিশ

প্রতিনিধির নাম:

বিশেষ প্রতিবেদক
ইসলামিক পাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর পরিচালক (সমন্বয়) মুহাম্মদ মুহীউদ্দীন মজুমদারের স্থাবর অস্থাবর সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছে দুর্নীতি দনম কমিশন( দুদক)।গত ৬ অক্টোবর দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এ নোটিশ পাঠানো হয়। এতে তার এবং তার পোষ্যদের নামে বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর অস্থাবর সম্পদের বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দুদক প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক মো: আকতার হোসেন আজাদ স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, দুদকের বিশ্বাস জন্মেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মুহাম্মদ মুহীউদ্দীন মজুমদার জ্ঞাত আয় বর্হিভ’ত বিপুল পরিমাণ সম্পদ/ সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।
উল্লেখ যে এর আগেও তার বিরুদ্ধে বায়তুল মুকাররম সুপার মাকের্টে ২২৩টি দোকান বরাদ্দে ১৫০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পরিচয়ে জাল কাগজপত্র সৃষ্টি করে সহকারী পরিচালক পদে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকুরী গ্রহনের অভিযোগ দুদকে জমা পড়ে। সেটি বর্তমানে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তদন্তাধীন আছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:০৫:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অক্টোবর ২০২২
১৯৫ বার পড়া হয়েছে

ইফা পরিচালক মহীউদ্দীন মজুমদারের সম্পদের হিসাব চেয়ে দুদকের নোটিশ

আপডেট সময় ১১:০৫:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অক্টোবর ২০২২

বিশেষ প্রতিবেদক
ইসলামিক পাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর পরিচালক (সমন্বয়) মুহাম্মদ মুহীউদ্দীন মজুমদারের স্থাবর অস্থাবর সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছে দুর্নীতি দনম কমিশন( দুদক)।গত ৬ অক্টোবর দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এ নোটিশ পাঠানো হয়। এতে তার এবং তার পোষ্যদের নামে বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর অস্থাবর সম্পদের বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দুদক প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক মো: আকতার হোসেন আজাদ স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়, দুদকের বিশ্বাস জন্মেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মুহাম্মদ মুহীউদ্দীন মজুমদার জ্ঞাত আয় বর্হিভ’ত বিপুল পরিমাণ সম্পদ/ সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।
উল্লেখ যে এর আগেও তার বিরুদ্ধে বায়তুল মুকাররম সুপার মাকের্টে ২২৩টি দোকান বরাদ্দে ১৫০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পরিচয়ে জাল কাগজপত্র সৃষ্টি করে সহকারী পরিচালক পদে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকুরী গ্রহনের অভিযোগ দুদকে জমা পড়ে। সেটি বর্তমানে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তদন্তাধীন আছে।