০৩:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অপপ্রচার চালিয়ে বিপদে ফেলার অপচেষ্টা : নীতি, আদর্শ, সততা ও দক্ষতার প্রতীক হয়ে আছেন রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান

প্রতিনিধির নাম:

রোস্তম মল্লিক

একজন মানুষ তার ভাল কাজের কারণেই মৃত্যুর পরও অমর হয়ে থাকেন। মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা পান। পান রাষ্ট্রিীয় স্বীকৃতি, পদক বা জাতীয় পুরষ্কার। এটাই হয় তার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন। আর সে লক্ষ্য নিয়েই দেশ প্রেমিক প্রতিটি মানুষ স্ব স্ব ক্ষেত্রে স্মরণীয় অবদান রাখার চেষ্টা করেন। কেউ সরকারী কেউ বেসরকারি আবার কেই একান্ত ব্যক্তিগত পরিমন্ডলে কিছু ভাল কাজের স্বাক্ষর রাখেন। আর তার সুফল ভোগ করেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। দেশও উপক্রিত হয়। ইতিহাসও সমৃদ্ধ হয় এইসব ক্ষণজন্মা ভাল মানুষগুলোর কারণে।
আমার দেখা মতে এমন একজন মানুষ হলেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আলহাজ্ব মো: আব্দুর রহমান। ৩ বছর তিনি রাজউকের চেয়ারম্যান পদে ছিলেন। এই সময়ে তার বিরুদ্ধে নানা প্রকার ষড়যন্ত্র হয়েছে। নানা অনৈতিক প্রলোভন দেখিয়ে নীতি আদর্শচ্যুত করার চেষ্টা করা হয়েছে। এমন কি ভয়-ভীতিও দেখানো হয়েছে। কিন্ত তিনি অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় সব কিছু মোকাবেলা করেছেন। অসংখ্য কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দাঁড় করিয়ে মিডিয়ার কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। চেষ্টা করা হয়েছে তথ্য সন্ত্রাস চালানোর। কিন্ত মহান আল্লাহুর কৃপা ও নীতি আদর্শে অবিচল থাকায় সেটা সম্ভব হয়নি। ষড়যন্ত্রকারীরা সফলও হতে পারেনি।
একজন সিনিয়র সাংবাদিক হিসাবে তার জীবন যাপন,দৈনন্দিন কর্মকান্ড ও ধার্মিকতা পর্যবেক্ষণ করে আমি বিস্মিত না হয়ে পারিনি। আমার ৩০ বছরের সাংবাদিকতা জীবনে এমন অভিজ্ঞতা আর একটিও নেই।
প্রতিদিন তিনি ফজরের নামাজ পড়ে মর্ণিং ওয়ার্কে যেতেন। পার্ক থেকে ফিরে গোশল করে ফ্রেশ হয়েই বসতেন নাস্তার টেবিলে। তারপরই ছুঁটতেন রাজউকের প্রধান কার্যালয়ে। এখানে নামাজের বিরতি বাদে সারা দিনই তিনি ফাইল ওয়ার্ক আর দফায় দফায় কর্মকর্তা ,কর্মচারিদের সাথে ছোট ছোট মিটিং করতেন। কাজের দিকনির্দেশনা দিদেন। মনিটরিং করতেন সকল শাখার কার্যক্রম। তার চোখে ফাঁকি দেবার কোন উপায় ছিলো না কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের। যে কারণে তিনি ছিলেন সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারির প্রিয় অভিভাবক।
আমার জানামতে তার কর্মকাল সময়ে রাজধানী উন্নয়ন কর্র্তপক্ষ ( রাজউক) একটা সোনালী সময় পার করেছে। কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা অক্ষরে অক্ষরে তার আদেশ পালন করায় সেবার মান যেমন বৃদ্ধি পেয়েছিলো তেমন রাজস্ব আয় বেড়েছিল বহুগুন। তিনি কখনোই কোন সেবা প্রত্যাশিকে নিরাশ করেন নি। আলাপ আলোচনার মাধ্যম সমস্যা সমাধানে বেশি আগ্রহী ছিলেন। কোন গ্রাহক যেন সেবা নিতে এসে হয়রানির শিকার না হয় সে দিকে তিনি কঠোর লক্ষ্য রাখতেন। কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারি অনিয়ম -দুর্নীতি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় শাস্তি প্রদান করেছেন। আবার ভুল শুধরেগেলে তাকে ভাই বা সন্তানের ¯েœহে কাছে টেনে নিয়েছেন। মোটিভেশন করেছেন কুরআন হাদিসের আলোকে। এতে সুপার টনিকের মত কাজও হয়েছে।
এই মানুষটির মধ্যে কোন প্রকার অহংকার আমার চোখে পড়েনি। তিনি সবাইকে সমান চোখে দেখেছেন। আপন কর্মস্থলকে তিনি পবিত্র স্থান মনে করতেন। এমন একটি মহৎ মানুষের বিরুদ্ধে যখন দেখি সংবাদপত্রে ভিত্তিহীন তথ্যে সংবাদ ছাপা হচ্ছে তখনই বিবেক বিদ্রোহ করে। চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে- হে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ, তোমার বাধা চোখ উন্মুক্ত করো।
সত্যিই আমি বিস্মিত হয়েছে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও বেসরকারী টিভি চ্যানেলের সংবাদ প্রকাশ দেখে। তারা কানাগলির বাসিন্দার মত একচোখা সংবাদ প্রকাশ করে রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: আব্দুর রহমানকে ভিকটিম বানিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চেয়েছেন। দুদকে যে অভিযোগটি ২০২১ সালে নথিভুক্ত হয়েগেছে এবং তাকে দায়মুক্তি দেয়া হয়েছে সেই অভিযোগকে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করে একটার পর একটা ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে একটা ধার্মিক ও ভাল মানুষের চরিত্র হননের চেষ্টা করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে- তিনি ও কতিপয় রাজউক কর্মকর্তা বিদেশে পাঁচ হাজার কোটি টাকা পাচার করেছেন। আর এটাই নাকি তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। এ প্রসংগে চলুন একটা নিউজ পড়ে আসি। ২০২১ সালের ৫ আগষ্ট জাতীয় দৈনিক দেশরূপান্তর একটা খবর প্রকাশ করে যে,
“আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে প্রমাণিত না হওয়ায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ৫ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব কর্মকর্তার মধ্যে সংস্থাটির সাবেক দুই চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান এবং সাইদ নুর আলমও রয়েছেন। রাজউকের সদস্য মো. মুনির হোসাইন খান, পরিচালক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম এবং অফিস সহকারী-কাম কম্পিউটার অপারেটর (প্রকল্প) মো. ওবায়দুল্লাহকেও অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এসব কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের পরিসম্পাপ্তি ঘোষণা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে অবহিত করা হয়। পরে গত ২০ জুন অভিযোগ পরিসমাপ্তিকরণ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। জনপ্রশাসন থেকে গত সপ্তাহে এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরকে জানানো হয়।
সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদক কার্যালয়ে হাজির হতে বলেছিল ২০১৯ সালে। এরপর ধারাবাহিকভাবে দুদকে উপস্থিত হয়ে নিজের সম্পদের হিসাব দিয়েছেন তিনি। একপর্যায়ে দুদক আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিসমাপ্তির সিদ্ধান্ত নেয়। আবদুর রহমানকে রাজউকের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল ২০১৭ সালের ২২ জুন। তিনি অতিরিক্ত সচিব মর্যাদার কর্মকর্তা হিসেবে রাজউকের সদস্য পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সড়ক ও জনপথ ক্যাডারের কর্মকর্তা আব্দুর রহমান নির্বাহী প্রকৌশলী থাকা অবস্থায় ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে উপসচিব হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন। এরপর দায়িত্ব পালন করেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট), যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও বেপজার সদস্য (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে। ২০১৫ সালের এপ্রিলে বেপজা থেকে রাজউকে যোগ দেন তিনি।”
এ প্রসংগে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারির সাথে কথা বললে তারা এই মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন,নীতি, আদর্শ, সততা ও দক্ষতার প্রতীক হয়ে আছেন রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান স্যার । তাঁর কথা আমরা কোন দিনই ভুলতে পারবো না। তিনি আমাদের চলার পথের আদর্শ হয়ে আছেন।
এখন আপনারাই বলুন, কোন সতত্যার ভিত্তিতে তারা এসব সংবাদ প্রচার করছে? নাকি এর পেছনে কোন গোষ্টির ভয়ংকর ষড়যন্ত্র রয়েছে। একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিডিয়ার এ ধরনের জঘন্য অপপ্রচার আমাকে যেমন ক্ষুব্ধ করেছে তেমন দেশের সচেতন সমাজকেও আহত করেছে। তাই শেষান্তে বলতে ইচ্ছে করছে, যে দেশে ভালো মানুষের কদর নেই সেদেশে ভাল মানুষ জন্ম নেয় না। #

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:২৮:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মে ২০২২
২৪২ বার পড়া হয়েছে

অপপ্রচার চালিয়ে বিপদে ফেলার অপচেষ্টা : নীতি, আদর্শ, সততা ও দক্ষতার প্রতীক হয়ে আছেন রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান

আপডেট সময় ১২:২৮:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মে ২০২২

রোস্তম মল্লিক

একজন মানুষ তার ভাল কাজের কারণেই মৃত্যুর পরও অমর হয়ে থাকেন। মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা পান। পান রাষ্ট্রিীয় স্বীকৃতি, পদক বা জাতীয় পুরষ্কার। এটাই হয় তার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন। আর সে লক্ষ্য নিয়েই দেশ প্রেমিক প্রতিটি মানুষ স্ব স্ব ক্ষেত্রে স্মরণীয় অবদান রাখার চেষ্টা করেন। কেউ সরকারী কেউ বেসরকারি আবার কেই একান্ত ব্যক্তিগত পরিমন্ডলে কিছু ভাল কাজের স্বাক্ষর রাখেন। আর তার সুফল ভোগ করেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। দেশও উপক্রিত হয়। ইতিহাসও সমৃদ্ধ হয় এইসব ক্ষণজন্মা ভাল মানুষগুলোর কারণে।
আমার দেখা মতে এমন একজন মানুষ হলেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আলহাজ্ব মো: আব্দুর রহমান। ৩ বছর তিনি রাজউকের চেয়ারম্যান পদে ছিলেন। এই সময়ে তার বিরুদ্ধে নানা প্রকার ষড়যন্ত্র হয়েছে। নানা অনৈতিক প্রলোভন দেখিয়ে নীতি আদর্শচ্যুত করার চেষ্টা করা হয়েছে। এমন কি ভয়-ভীতিও দেখানো হয়েছে। কিন্ত তিনি অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় সব কিছু মোকাবেলা করেছেন। অসংখ্য কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দাঁড় করিয়ে মিডিয়ার কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। চেষ্টা করা হয়েছে তথ্য সন্ত্রাস চালানোর। কিন্ত মহান আল্লাহুর কৃপা ও নীতি আদর্শে অবিচল থাকায় সেটা সম্ভব হয়নি। ষড়যন্ত্রকারীরা সফলও হতে পারেনি।
একজন সিনিয়র সাংবাদিক হিসাবে তার জীবন যাপন,দৈনন্দিন কর্মকান্ড ও ধার্মিকতা পর্যবেক্ষণ করে আমি বিস্মিত না হয়ে পারিনি। আমার ৩০ বছরের সাংবাদিকতা জীবনে এমন অভিজ্ঞতা আর একটিও নেই।
প্রতিদিন তিনি ফজরের নামাজ পড়ে মর্ণিং ওয়ার্কে যেতেন। পার্ক থেকে ফিরে গোশল করে ফ্রেশ হয়েই বসতেন নাস্তার টেবিলে। তারপরই ছুঁটতেন রাজউকের প্রধান কার্যালয়ে। এখানে নামাজের বিরতি বাদে সারা দিনই তিনি ফাইল ওয়ার্ক আর দফায় দফায় কর্মকর্তা ,কর্মচারিদের সাথে ছোট ছোট মিটিং করতেন। কাজের দিকনির্দেশনা দিদেন। মনিটরিং করতেন সকল শাখার কার্যক্রম। তার চোখে ফাঁকি দেবার কোন উপায় ছিলো না কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের। যে কারণে তিনি ছিলেন সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারির প্রিয় অভিভাবক।
আমার জানামতে তার কর্মকাল সময়ে রাজধানী উন্নয়ন কর্র্তপক্ষ ( রাজউক) একটা সোনালী সময় পার করেছে। কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা অক্ষরে অক্ষরে তার আদেশ পালন করায় সেবার মান যেমন বৃদ্ধি পেয়েছিলো তেমন রাজস্ব আয় বেড়েছিল বহুগুন। তিনি কখনোই কোন সেবা প্রত্যাশিকে নিরাশ করেন নি। আলাপ আলোচনার মাধ্যম সমস্যা সমাধানে বেশি আগ্রহী ছিলেন। কোন গ্রাহক যেন সেবা নিতে এসে হয়রানির শিকার না হয় সে দিকে তিনি কঠোর লক্ষ্য রাখতেন। কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারি অনিয়ম -দুর্নীতি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় শাস্তি প্রদান করেছেন। আবার ভুল শুধরেগেলে তাকে ভাই বা সন্তানের ¯েœহে কাছে টেনে নিয়েছেন। মোটিভেশন করেছেন কুরআন হাদিসের আলোকে। এতে সুপার টনিকের মত কাজও হয়েছে।
এই মানুষটির মধ্যে কোন প্রকার অহংকার আমার চোখে পড়েনি। তিনি সবাইকে সমান চোখে দেখেছেন। আপন কর্মস্থলকে তিনি পবিত্র স্থান মনে করতেন। এমন একটি মহৎ মানুষের বিরুদ্ধে যখন দেখি সংবাদপত্রে ভিত্তিহীন তথ্যে সংবাদ ছাপা হচ্ছে তখনই বিবেক বিদ্রোহ করে। চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে- হে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ, তোমার বাধা চোখ উন্মুক্ত করো।
সত্যিই আমি বিস্মিত হয়েছে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও বেসরকারী টিভি চ্যানেলের সংবাদ প্রকাশ দেখে। তারা কানাগলির বাসিন্দার মত একচোখা সংবাদ প্রকাশ করে রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: আব্দুর রহমানকে ভিকটিম বানিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চেয়েছেন। দুদকে যে অভিযোগটি ২০২১ সালে নথিভুক্ত হয়েগেছে এবং তাকে দায়মুক্তি দেয়া হয়েছে সেই অভিযোগকে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করে একটার পর একটা ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে একটা ধার্মিক ও ভাল মানুষের চরিত্র হননের চেষ্টা করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে- তিনি ও কতিপয় রাজউক কর্মকর্তা বিদেশে পাঁচ হাজার কোটি টাকা পাচার করেছেন। আর এটাই নাকি তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। এ প্রসংগে চলুন একটা নিউজ পড়ে আসি। ২০২১ সালের ৫ আগষ্ট জাতীয় দৈনিক দেশরূপান্তর একটা খবর প্রকাশ করে যে,
“আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে প্রমাণিত না হওয়ায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ৫ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব কর্মকর্তার মধ্যে সংস্থাটির সাবেক দুই চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান এবং সাইদ নুর আলমও রয়েছেন। রাজউকের সদস্য মো. মুনির হোসাইন খান, পরিচালক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম এবং অফিস সহকারী-কাম কম্পিউটার অপারেটর (প্রকল্প) মো. ওবায়দুল্লাহকেও অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এসব কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের পরিসম্পাপ্তি ঘোষণা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে অবহিত করা হয়। পরে গত ২০ জুন অভিযোগ পরিসমাপ্তিকরণ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। জনপ্রশাসন থেকে গত সপ্তাহে এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরকে জানানো হয়।
সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদক কার্যালয়ে হাজির হতে বলেছিল ২০১৯ সালে। এরপর ধারাবাহিকভাবে দুদকে উপস্থিত হয়ে নিজের সম্পদের হিসাব দিয়েছেন তিনি। একপর্যায়ে দুদক আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিসমাপ্তির সিদ্ধান্ত নেয়। আবদুর রহমানকে রাজউকের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল ২০১৭ সালের ২২ জুন। তিনি অতিরিক্ত সচিব মর্যাদার কর্মকর্তা হিসেবে রাজউকের সদস্য পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সড়ক ও জনপথ ক্যাডারের কর্মকর্তা আব্দুর রহমান নির্বাহী প্রকৌশলী থাকা অবস্থায় ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে উপসচিব হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন। এরপর দায়িত্ব পালন করেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট), যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও বেপজার সদস্য (ইঞ্জিনিয়ারিং) হিসেবে। ২০১৫ সালের এপ্রিলে বেপজা থেকে রাজউকে যোগ দেন তিনি।”
এ প্রসংগে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারির সাথে কথা বললে তারা এই মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন,নীতি, আদর্শ, সততা ও দক্ষতার প্রতীক হয়ে আছেন রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান স্যার । তাঁর কথা আমরা কোন দিনই ভুলতে পারবো না। তিনি আমাদের চলার পথের আদর্শ হয়ে আছেন।
এখন আপনারাই বলুন, কোন সতত্যার ভিত্তিতে তারা এসব সংবাদ প্রচার করছে? নাকি এর পেছনে কোন গোষ্টির ভয়ংকর ষড়যন্ত্র রয়েছে। একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিডিয়ার এ ধরনের জঘন্য অপপ্রচার আমাকে যেমন ক্ষুব্ধ করেছে তেমন দেশের সচেতন সমাজকেও আহত করেছে। তাই শেষান্তে বলতে ইচ্ছে করছে, যে দেশে ভালো মানুষের কদর নেই সেদেশে ভাল মানুষ জন্ম নেয় না। #