০২:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাঁধে দুর্নীতির ভুত: চার মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্পের টেন্ডারের ফাইল!

প্রতিনিধির নাম:

বিশেষ প্রতিবেদক

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়় স্থাপন প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ টেন্ডার প্রক্রিয়া চার মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, বর্তমান টেন্ডার বাতিল করে পুনরায় টেন্ডারের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সুযোগ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আর এই অপকান্ডের নেপথ্যে রয়েছে ১০ কোটি টাকার কমিশন চুক্তি।

অভিযোগ উঠে়ছে যে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বহুল আলোচিত বালিশ কান্ডের নায়ক মজিদ অ্যান্ড সন্স বর্তমান টেন্ডারে নন-রেসপনসিভ হওয়়ায়় প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পডছে়। এরপরও প্রতিষ্ঠানটিকে নতুন করে সুযোগ করে দিতে পুনঃটেন্ডারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে ।

এদিকে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী বর্তমান টেন্ডার বাতিলের লক্ষ্যে চার মাস ধরে প্রকল্পের ফাইল আটকে রেখেছেন। একই সঙ্গে সচিবের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস)-এর মাধ্যমে একটি বড় অঙ্কের আর্থিক সমঝোতার অভিযোগও উঠেছে। তবে এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতার কারণে সরকারি অর্থায়়নে নির্মাণকাজ বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেন্ডার মূল্যায়ন শেষ হওয়ার পরও যদি অস্বাভাবিকভাবে ফাইল আটকে থাকে, তবে বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে।

এ বিষয়ে সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী এবং মজিদ অ্যান্ড সন্সের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:২৫:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
৩১ বার পড়া হয়েছে

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাঁধে দুর্নীতির ভুত: চার মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্পের টেন্ডারের ফাইল!

আপডেট সময় ০৯:২৫:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

বিশেষ প্রতিবেদক

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়় স্থাপন প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ টেন্ডার প্রক্রিয়া চার মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, বর্তমান টেন্ডার বাতিল করে পুনরায় টেন্ডারের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সুযোগ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আর এই অপকান্ডের নেপথ্যে রয়েছে ১০ কোটি টাকার কমিশন চুক্তি।

অভিযোগ উঠে়ছে যে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বহুল আলোচিত বালিশ কান্ডের নায়ক মজিদ অ্যান্ড সন্স বর্তমান টেন্ডারে নন-রেসপনসিভ হওয়়ায়় প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পডছে়। এরপরও প্রতিষ্ঠানটিকে নতুন করে সুযোগ করে দিতে পুনঃটেন্ডারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে ।

এদিকে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী বর্তমান টেন্ডার বাতিলের লক্ষ্যে চার মাস ধরে প্রকল্পের ফাইল আটকে রেখেছেন। একই সঙ্গে সচিবের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস)-এর মাধ্যমে একটি বড় অঙ্কের আর্থিক সমঝোতার অভিযোগও উঠেছে। তবে এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতার কারণে সরকারি অর্থায়়নে নির্মাণকাজ বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেন্ডার মূল্যায়ন শেষ হওয়ার পরও যদি অস্বাভাবিকভাবে ফাইল আটকে থাকে, তবে বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে।

এ বিষয়ে সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী এবং মজিদ অ্যান্ড সন্সের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মহল।