০৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছয় মাসের মধ্যে দখল ও দূষণমুক্ত হবে বালু নদী

প্রতিনিধির নাম:

বালু নদীকে দখলমুক্ত ও দূষণমুক্ত করার পরিকল্পনা অনুযায়ী জাতীয় নদী কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য কামরুন নাহান আহমেদকে প্রধান করে গত ১০ অক্টোবর ২১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। নদী কমিশনের উপ-পরিচালক (পরিবীক্ষণ, ঢাকা বিভাগ) এই কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া সদস্য হিসেবে আছে নৌ-পরিবহন, পানি সম্পদ, স্থানীয় সরকার ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদফতর, রাজউক, বিআইডব্লিউটিএ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, ঢাকা উত্তর, দক্ষিণ, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন ও নৌ-পুলিশের প্রতিনিধি এবং ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি।

জানা গেছে, গত বছরের ডিসেম্বরে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি সুপারিশ আসে। কমিটির সভাপতি মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম নিজেই প্রস্তাবটি তোলেন। বৈঠকে ওই সুপারিশে বলা হয়, ‘আগামী চার থেকে ছয় মাসের লক্ষ্য নিয়ে দখল হয়ে যাওয়া নদীর মধ্য থেকে অন্তত একটি নদীর অবৈধ স্থাপনা সম্পূর্ণরূপে উচ্ছেদ ও সেটি দখলমুক্ত করে পুরনো অবস্থায় ফিরিয়ে এনে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।’

জানা গেছে, বর্তমানে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতায় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদী দখলমুক্ত, পিলার স্থাপন এবং ওয়াকওয়ে নির্মাণের একটি প্রকল্প চলমান আছে। এছাড়া ঢাকার চারপাশের নদী ও চট্টগ্রামের কর্ণফুলী দখলমুক্ত করতে ২০ বছর মেয়াদী একটি মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৫:১৩:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২১
২০৩ বার পড়া হয়েছে

ছয় মাসের মধ্যে দখল ও দূষণমুক্ত হবে বালু নদী

আপডেট সময় ০৫:১৩:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২১

বালু নদীকে দখলমুক্ত ও দূষণমুক্ত করার পরিকল্পনা অনুযায়ী জাতীয় নদী কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য কামরুন নাহান আহমেদকে প্রধান করে গত ১০ অক্টোবর ২১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। নদী কমিশনের উপ-পরিচালক (পরিবীক্ষণ, ঢাকা বিভাগ) এই কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া সদস্য হিসেবে আছে নৌ-পরিবহন, পানি সম্পদ, স্থানীয় সরকার ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদফতর, রাজউক, বিআইডব্লিউটিএ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, ঢাকা উত্তর, দক্ষিণ, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন ও নৌ-পুলিশের প্রতিনিধি এবং ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি।

জানা গেছে, গত বছরের ডিসেম্বরে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি সুপারিশ আসে। কমিটির সভাপতি মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম নিজেই প্রস্তাবটি তোলেন। বৈঠকে ওই সুপারিশে বলা হয়, ‘আগামী চার থেকে ছয় মাসের লক্ষ্য নিয়ে দখল হয়ে যাওয়া নদীর মধ্য থেকে অন্তত একটি নদীর অবৈধ স্থাপনা সম্পূর্ণরূপে উচ্ছেদ ও সেটি দখলমুক্ত করে পুরনো অবস্থায় ফিরিয়ে এনে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।’

জানা গেছে, বর্তমানে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতায় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদী দখলমুক্ত, পিলার স্থাপন এবং ওয়াকওয়ে নির্মাণের একটি প্রকল্প চলমান আছে। এছাড়া ঢাকার চারপাশের নদী ও চট্টগ্রামের কর্ণফুলী দখলমুক্ত করতে ২০ বছর মেয়াদী একটি মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।