১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাগুরায় ব্যাপক ভোট ডাকাতির আশংকা করছেন সতন্ত্র প্রার্থীরা!

প্রতিনিধির নাম:

 

নির্বাচনের আগেই আধিপত্যের দ্বন্দ্বে ৪ হত্যা: ১৩ ইউপির ৮টিতে ১০ বিদ্রোহী প্রার্থীর শক্তিশালী অবস্থান

মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরা সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে ৮ টি ইউনিয়নে ব্যাপক ভোট ডাকাতির আশংকা করছেন সতন্ত্র প্রার্থীরা। এই ৮টি ইউনিয়নে ১০ বিদ্রোহী প্রার্থীর শক্তিশালী অবস্থান পরিলক্ষিত হচ্ছে। ইউনিয়নবাসীর অভিমত: যদি প্রভাবমুক্ত ভোট হয় তবে এই ৮টি ইউনিয়নেই সতন্ত্র ( বিদ্রোহী) প্রার্থীরা বিজয়ী হবেন। আর যদি দলীয় দুর্বৃত্তদের মাধ্যমে কেন্দ্র ও বুথ দখল করে ভোট ডাকাতি করার চেষ্টা করা হয় তবে ব্যাপক রক্তপাত ও প্রানহানীর ঘটনা ঘটবে। এক্ষেত্রে তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনার ,মাগুরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের আগাম পদক্ষেপ কামনা করেছেন। দেখাগেছে নির্বাচনের আগেই জগদল ইউনিয়নে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে ৪ হত্যা সংঘটিত হয়েছে।

দ্বিতীয় ধাপে মাগুরা সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১১ নভেম্বর। নির্বাচনে ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে ৮টি (কুচিয়ামোড়া, চাউলিয়া,জগদল, আঠারখাদা, মঘি, কছুন্দি, বেরইল পলিতা ও রাঘবদাইড়) ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থি হিসাবে মোট ১০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
কুচিয়ামোড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করছেন দু’জন। তারা হলেন-গতবারের চেয়ারম্যান জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর শিকদার এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা টিপু সুলতান। জগদল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন দুজন। তার হলেন-ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম এবং জাহিদ হাসান। আঠারখাদা ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করছেন সাবেক চেয়ারম্যান বেনজির হোসেন এবং অমরেশ চন্দ্র বিশ্বাস। মঘি ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মিজানুর রহমান রনজু। রাঘবদাইড় ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী আওয়ামী লীগের সাবেক চেয়ারম্যান আবু তালেব নান্টু। কছুন্দি ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা যুবলীগ নেতা বাকি বিল্লাহ সান্টু। বেরইল পলিতা ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এনামুল হক রাজা। চাউলিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো: হাফিজার রহমান মোল্লা তার বিরুদ্ধে সতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন মো: রেজাউল মাষ্টার। এসব ইউনিয়ন ঘুরে ভোটারদের সাথে বথা বলে জানাগেছে, তারা প্রতিনিয়তই নানা প্রকার হুমকি ধামকির সম্মুখিন হচ্ছেন। ভোট কেন্দ্রে গিয়ে স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পরবেন কি না সেটা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
রাজনৈতিক ক্ষমতার বলয়ে ভোট ডাকাতি করে তাদের প্রার্থীকে বিজয়ী করার মাষ্টার প্লান তৈরী করা হচ্ছে এমন খবর ছড়িয়েগেছে ইউনিয়নগুলোতে। এ খবরে ভোটারদের মনে কিছুটা ভীতির সঞ্চার হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৪:৪০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২১
২০২ বার পড়া হয়েছে

মাগুরায় ব্যাপক ভোট ডাকাতির আশংকা করছেন সতন্ত্র প্রার্থীরা!

আপডেট সময় ০৪:৪০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২১

 

নির্বাচনের আগেই আধিপত্যের দ্বন্দ্বে ৪ হত্যা: ১৩ ইউপির ৮টিতে ১০ বিদ্রোহী প্রার্থীর শক্তিশালী অবস্থান

মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরা সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে ৮ টি ইউনিয়নে ব্যাপক ভোট ডাকাতির আশংকা করছেন সতন্ত্র প্রার্থীরা। এই ৮টি ইউনিয়নে ১০ বিদ্রোহী প্রার্থীর শক্তিশালী অবস্থান পরিলক্ষিত হচ্ছে। ইউনিয়নবাসীর অভিমত: যদি প্রভাবমুক্ত ভোট হয় তবে এই ৮টি ইউনিয়নেই সতন্ত্র ( বিদ্রোহী) প্রার্থীরা বিজয়ী হবেন। আর যদি দলীয় দুর্বৃত্তদের মাধ্যমে কেন্দ্র ও বুথ দখল করে ভোট ডাকাতি করার চেষ্টা করা হয় তবে ব্যাপক রক্তপাত ও প্রানহানীর ঘটনা ঘটবে। এক্ষেত্রে তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনার ,মাগুরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের আগাম পদক্ষেপ কামনা করেছেন। দেখাগেছে নির্বাচনের আগেই জগদল ইউনিয়নে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে ৪ হত্যা সংঘটিত হয়েছে।

দ্বিতীয় ধাপে মাগুরা সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১১ নভেম্বর। নির্বাচনে ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে ৮টি (কুচিয়ামোড়া, চাউলিয়া,জগদল, আঠারখাদা, মঘি, কছুন্দি, বেরইল পলিতা ও রাঘবদাইড়) ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থি হিসাবে মোট ১০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
কুচিয়ামোড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করছেন দু’জন। তারা হলেন-গতবারের চেয়ারম্যান জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর শিকদার এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা টিপু সুলতান। জগদল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন দুজন। তার হলেন-ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম এবং জাহিদ হাসান। আঠারখাদা ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করছেন সাবেক চেয়ারম্যান বেনজির হোসেন এবং অমরেশ চন্দ্র বিশ্বাস। মঘি ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মিজানুর রহমান রনজু। রাঘবদাইড় ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী আওয়ামী লীগের সাবেক চেয়ারম্যান আবু তালেব নান্টু। কছুন্দি ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা যুবলীগ নেতা বাকি বিল্লাহ সান্টু। বেরইল পলিতা ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এনামুল হক রাজা। চাউলিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো: হাফিজার রহমান মোল্লা তার বিরুদ্ধে সতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন মো: রেজাউল মাষ্টার। এসব ইউনিয়ন ঘুরে ভোটারদের সাথে বথা বলে জানাগেছে, তারা প্রতিনিয়তই নানা প্রকার হুমকি ধামকির সম্মুখিন হচ্ছেন। ভোট কেন্দ্রে গিয়ে স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পরবেন কি না সেটা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
রাজনৈতিক ক্ষমতার বলয়ে ভোট ডাকাতি করে তাদের প্রার্থীকে বিজয়ী করার মাষ্টার প্লান তৈরী করা হচ্ছে এমন খবর ছড়িয়েগেছে ইউনিয়নগুলোতে। এ খবরে ভোটারদের মনে কিছুটা ভীতির সঞ্চার হয়েছে।