১২:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এফবিসিসিআই’র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো: হাবিব উল্লাহ ডনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার কেন?

প্রতিনিধির নাম:

রোস্তম মল্লিক

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য সেক্টরের একটি পরিশুদ্ধ ও উজ্জল নাম মো: হাবিব উল্লাহ ডন। দেশে জাপানি সেকেন্ডহ্যান্ড গাড়ি আমদানীর ক্ষেত্রে তাকে পাইওনিয়ার বা লিজেন্ড বলা হয়। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে গাড়ি আমদানীর মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও তিনি ব্যাপক অবদান রেখে যাচ্ছেন ।দেশে গাড়ি ব্যবসায়ীদের যে সংগঠন রয়েছে সেই বারভিডারও তিনি বারের নির্বাচিত সভাপতি। ব্যবসায়িক সততার কারণে তিনি সরকারী ও বেসরকারী মহলে বেশ সমাদৃত। রাজনীতির সংশ্রবহীন এই মানুষটি প্রায় ২০ বছর ধরে অক্লান্ত পরিশ্রমে আজকের অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়কারী ও পরপোকারী একজন নিখাদ মানুষ হিসাবে তিনি সর্বমহলে শ্রদ্ধার পাত্র। তাইতো ২০২১-২০২৩ সনের নির্বাচনে ব্যবসায়ীদের সর্ববৃহত্তর সংগঠন এফবিসিসিআই’র পরিচালক ও ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। বার বার বারভিডার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। বাংলাদেশের শিল্পায়ন ও বেকার সমস্যা সমাধানে তিনি আপ্রান চেষ্টা চালাচ্ছেন। অসৎ ব্যবসায়ীদের সৎপথে ব্যবসা -বাণিজ্য করার জন্য তিনি কুরআন হাদিসের আলোকে পরামর্শ দিচ্ছেন। অন্যের ক্ষতিতো দুরে থাক কারো বিরুদ্ধে একটি কটু কথাও বলেন না এই মানুষটি। যে কারণে তিনি সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে শুন্য থেকে শীর্ষে উঠে এসেছেন। বর্তমানে তিনি এএম গ্রুপের চেয়ারম্যান,ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই) এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ,এক্সিম ব্যাংক লিমিটেড’র পরিচালক ও র্বোড সদস্য। তার পিতার নাম- আব্দুর রাজ্জাক,মাতার নাম-পারভীন সুলতানা বেগম । তারা তিন ভাই ও এক বোন। তিনি ধানমন্ডি বয়েজ হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট(এসএসসি) পাস করেছেন। এরপর তিনি সিটি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) এবং বিএ সম্পন্ন করেন। স্নাতক শেষ করার পর ডন ঢাকার নয়াপল্টনে একটি গাড়ির শোরুম চালু করে একজন ব্যবসায়ী হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি অটো মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করেন এবং উচ্চমূল্যের বিলাসবহুল গাড়ি আমদানি ও বিপণন শুরু করেন। তিনি দেশের হাই-প্রোফাইল শিল্পপতি এবং ব্যবসায়ী ব্যক্তিদের পছন্দ অনুযায়ী এই ধরনের বিলাসবহুল গাড়ি আমদানি করতে সফল হন। যদিও অটো মিউজিয়াম নয়া পল্টন থেকে যাত্রা শুরু করে কিন্তু এখন তার প্রধান কার্যালয় গুলশান -২ এ অবস্থিত মার্চ ২০০৪ থেকে। অটো মিউজিয়াম লিমিটেড বিশেষ করে জাপান থেকে আমদানি করা গাড়ির সংখ্যা ৮০০-১০০০ এবং নিম্নলিখিত ব্র্যান্ডের নাম: টয়োটা, নিসান, মিতসুবিশি, হোন্ডা, লেক্সাস এবং হামার। অটো মিউজিয়াম লিমিটেড ছাড়াও ডন অন্যান্য ব্যবসায়িক সংগঠন যেমন এএম. কর্পোরেশন অক্টোবর, ২০০০ প্রতিষ্ঠিত, (গাড়ি আমদানি ব্যবসার সাথে সম্পর্কিত), আরো আছে-আলফা হাউজিং লিমিটেড, চামেলি গ্লাস ওয়ার্কস লিমিটেড এবং আটলান্টা এন্টারপ্রাইজ। তিনি ঢাকা ক্লাব, গলফ ক্লাব এবং গুলশান ক্লাবের সদস্য। তিনি জাপান বাংলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং ডাচ- বাংলা চেম্বার অব কমার্সের সাথে জড়িত। তিনিই একমাত্র আমদানিকারক, যিনি প্রথমবারের মতো বিমান সংস্থা দুবাই থেকে ১৫ টি পর্যন্দ গাড়ি আমদানি করেছেন।
মো হাবিব উল্লাহ ডন বর্তমানে এএম গ্রুপের চেয়ারম্যান, আলফা হোল্ডিংস বিডি লিমিটেডের চেয়ারম্যান, সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালনা পর্ষদ এবং স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহের কমনওয়েলথের সভাপতি,বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্টিজ এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ,এক্সিম ব্যাংক লিমিটেডের বোর্ড সদস্য এবং বারভিডার ৩ বারের নির্বাচিত সভাপতি।

নির্মল চরিত্রের এই মানুষটাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন ও প্রশাসনিক হয়রাণী করার জন্য ওঠেপড়ে লেগেছে একটি কুচক্রি মহল। তারা নানা কৌশলে তার ক্ষতি করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এই মহলটি চায় -মো: হাবিব উল্লাহ ডন যেন কোনভাবেই গাড়ি ব্যবসা করতে না পারেন এবং ব্যবসায়ীদের নেতৃত¦ দিতে না পারেন। আর সেজন্য তারা আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছে।

সম্প্রতি র‌্যাবের হাতে আটক হওয়া কথিত মডেল পিয়াসার স্বীকারোক্তি ও সিআইডির সোর্স বরাতে কয়েকটি দৈনিক পত্রিকা ও নিউজ চ্যানেলে মো: হাবিব উল্লাহ ডনকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। বলা হচ্ছে: তার শোরুমে বিদেশী চোরাই বা অবৈধ গাড়ি বেচাকেনা করা হয়। শোরুম থেকে একটি গাড়িও উদ্ধার করা হয়েছে। আটক পিয়াসার মোবাইলে নাকি তার সেলফোন নম্বর পাওয়াগেছে। এধরনের একতরফা খবর প্রচার হওয়ায় তার মান -সম্মানের অশেষ ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। তিনি মানষিকভাবে ভেংগেও পড়েছেন। এমনিতেই কোভিড -১৯ এর লগডাউনে ব্যবসা -বাণিজ্যের মন্দা অবস্থা তার ওপর এই মানষিক যন্ত্রণা তিনি আর সহ্য করতে পারছেন না।
এ ক্ষেত্রে তিনি সাংবাদিকসহ সকল মহলের সুবিবেচনাসুলভ আচরণ প্রত্যাশা করেছেন। অনুরোধ জানিয়েছেন যে, একজন সৎ ব্যবসায়ীর কপালে যেন মিথ্যে কলংক লেপন না করা হয়। তিনি যেন কোন প্রকার প্রশাসনিক হয়রাণির শিকার না হন। এজন্য তিনি জননেত্রী ,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:০৬:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ অগাস্ট ২০২১
৩২১ বার পড়া হয়েছে

এফবিসিসিআই’র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো: হাবিব উল্লাহ ডনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার কেন?

আপডেট সময় ০৯:০৬:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ অগাস্ট ২০২১

রোস্তম মল্লিক

বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য সেক্টরের একটি পরিশুদ্ধ ও উজ্জল নাম মো: হাবিব উল্লাহ ডন। দেশে জাপানি সেকেন্ডহ্যান্ড গাড়ি আমদানীর ক্ষেত্রে তাকে পাইওনিয়ার বা লিজেন্ড বলা হয়। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে গাড়ি আমদানীর মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও তিনি ব্যাপক অবদান রেখে যাচ্ছেন ।দেশে গাড়ি ব্যবসায়ীদের যে সংগঠন রয়েছে সেই বারভিডারও তিনি বারের নির্বাচিত সভাপতি। ব্যবসায়িক সততার কারণে তিনি সরকারী ও বেসরকারী মহলে বেশ সমাদৃত। রাজনীতির সংশ্রবহীন এই মানুষটি প্রায় ২০ বছর ধরে অক্লান্ত পরিশ্রমে আজকের অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়কারী ও পরপোকারী একজন নিখাদ মানুষ হিসাবে তিনি সর্বমহলে শ্রদ্ধার পাত্র। তাইতো ২০২১-২০২৩ সনের নির্বাচনে ব্যবসায়ীদের সর্ববৃহত্তর সংগঠন এফবিসিসিআই’র পরিচালক ও ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। বার বার বারভিডার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। বাংলাদেশের শিল্পায়ন ও বেকার সমস্যা সমাধানে তিনি আপ্রান চেষ্টা চালাচ্ছেন। অসৎ ব্যবসায়ীদের সৎপথে ব্যবসা -বাণিজ্য করার জন্য তিনি কুরআন হাদিসের আলোকে পরামর্শ দিচ্ছেন। অন্যের ক্ষতিতো দুরে থাক কারো বিরুদ্ধে একটি কটু কথাও বলেন না এই মানুষটি। যে কারণে তিনি সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে শুন্য থেকে শীর্ষে উঠে এসেছেন। বর্তমানে তিনি এএম গ্রুপের চেয়ারম্যান,ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই) এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ,এক্সিম ব্যাংক লিমিটেড’র পরিচালক ও র্বোড সদস্য। তার পিতার নাম- আব্দুর রাজ্জাক,মাতার নাম-পারভীন সুলতানা বেগম । তারা তিন ভাই ও এক বোন। তিনি ধানমন্ডি বয়েজ হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট(এসএসসি) পাস করেছেন। এরপর তিনি সিটি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) এবং বিএ সম্পন্ন করেন। স্নাতক শেষ করার পর ডন ঢাকার নয়াপল্টনে একটি গাড়ির শোরুম চালু করে একজন ব্যবসায়ী হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি অটো মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করেন এবং উচ্চমূল্যের বিলাসবহুল গাড়ি আমদানি ও বিপণন শুরু করেন। তিনি দেশের হাই-প্রোফাইল শিল্পপতি এবং ব্যবসায়ী ব্যক্তিদের পছন্দ অনুযায়ী এই ধরনের বিলাসবহুল গাড়ি আমদানি করতে সফল হন। যদিও অটো মিউজিয়াম নয়া পল্টন থেকে যাত্রা শুরু করে কিন্তু এখন তার প্রধান কার্যালয় গুলশান -২ এ অবস্থিত মার্চ ২০০৪ থেকে। অটো মিউজিয়াম লিমিটেড বিশেষ করে জাপান থেকে আমদানি করা গাড়ির সংখ্যা ৮০০-১০০০ এবং নিম্নলিখিত ব্র্যান্ডের নাম: টয়োটা, নিসান, মিতসুবিশি, হোন্ডা, লেক্সাস এবং হামার। অটো মিউজিয়াম লিমিটেড ছাড়াও ডন অন্যান্য ব্যবসায়িক সংগঠন যেমন এএম. কর্পোরেশন অক্টোবর, ২০০০ প্রতিষ্ঠিত, (গাড়ি আমদানি ব্যবসার সাথে সম্পর্কিত), আরো আছে-আলফা হাউজিং লিমিটেড, চামেলি গ্লাস ওয়ার্কস লিমিটেড এবং আটলান্টা এন্টারপ্রাইজ। তিনি ঢাকা ক্লাব, গলফ ক্লাব এবং গুলশান ক্লাবের সদস্য। তিনি জাপান বাংলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং ডাচ- বাংলা চেম্বার অব কমার্সের সাথে জড়িত। তিনিই একমাত্র আমদানিকারক, যিনি প্রথমবারের মতো বিমান সংস্থা দুবাই থেকে ১৫ টি পর্যন্দ গাড়ি আমদানি করেছেন।
মো হাবিব উল্লাহ ডন বর্তমানে এএম গ্রুপের চেয়ারম্যান, আলফা হোল্ডিংস বিডি লিমিটেডের চেয়ারম্যান, সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালনা পর্ষদ এবং স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহের কমনওয়েলথের সভাপতি,বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্টিজ এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ,এক্সিম ব্যাংক লিমিটেডের বোর্ড সদস্য এবং বারভিডার ৩ বারের নির্বাচিত সভাপতি।

নির্মল চরিত্রের এই মানুষটাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন ও প্রশাসনিক হয়রাণী করার জন্য ওঠেপড়ে লেগেছে একটি কুচক্রি মহল। তারা নানা কৌশলে তার ক্ষতি করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এই মহলটি চায় -মো: হাবিব উল্লাহ ডন যেন কোনভাবেই গাড়ি ব্যবসা করতে না পারেন এবং ব্যবসায়ীদের নেতৃত¦ দিতে না পারেন। আর সেজন্য তারা আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছে।

সম্প্রতি র‌্যাবের হাতে আটক হওয়া কথিত মডেল পিয়াসার স্বীকারোক্তি ও সিআইডির সোর্স বরাতে কয়েকটি দৈনিক পত্রিকা ও নিউজ চ্যানেলে মো: হাবিব উল্লাহ ডনকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। বলা হচ্ছে: তার শোরুমে বিদেশী চোরাই বা অবৈধ গাড়ি বেচাকেনা করা হয়। শোরুম থেকে একটি গাড়িও উদ্ধার করা হয়েছে। আটক পিয়াসার মোবাইলে নাকি তার সেলফোন নম্বর পাওয়াগেছে। এধরনের একতরফা খবর প্রচার হওয়ায় তার মান -সম্মানের অশেষ ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। তিনি মানষিকভাবে ভেংগেও পড়েছেন। এমনিতেই কোভিড -১৯ এর লগডাউনে ব্যবসা -বাণিজ্যের মন্দা অবস্থা তার ওপর এই মানষিক যন্ত্রণা তিনি আর সহ্য করতে পারছেন না।
এ ক্ষেত্রে তিনি সাংবাদিকসহ সকল মহলের সুবিবেচনাসুলভ আচরণ প্রত্যাশা করেছেন। অনুরোধ জানিয়েছেন যে, একজন সৎ ব্যবসায়ীর কপালে যেন মিথ্যে কলংক লেপন না করা হয়। তিনি যেন কোন প্রকার প্রশাসনিক হয়রাণির শিকার না হন। এজন্য তিনি জননেত্রী ,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।