০২:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লাইসেন্স বাতিল: গ্রেফতার দাবী: রাজউকে ঠিকাদার মীর মঞ্জুর আতংক!

প্রতিনিধির নাম:

বিশেষ প্রতিবেদক

 

বহিরাগত সন্ত্রাসী নিয়ে রাজউকে তাণ্ডব চালিয়ে প্রকৌশলীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন,আসবাবপত্র ভাংচুর ,প্রান নাশের হুমকি দেওয়া এবং সরকারী কাজে বাধা প্রদানের অপরাধে ঠিকাদার মীর মঞ্জুর হোসেনের মালিকানাধীন ঠিকাদারী ফার্ম রাজিন ইন্টারন্যাশনালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। গত ১৮ ই অক্টোবর ২০২০ রাজউকের নির্বাহী প্রকৌশলী (ডিজাইন) ছাবের আহমেদ স্বাক্ষরিত এক আদেশে ঠিকাদার মীর মন্জুর হোসেনের মালিকানাধীন লাইসেনস রেজিষ্ট্রেশন নং  ১৫০৬ (সিভিল) ও  ৯৭ (বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক) এর নিবন্ধন বাতিল করা হয়। যার স্মারক নং ২৫.৩৯.০০০০.০৫৭.০৭.০৪৫( অংশ-১৫)-১৭ ৬০(২৯) ছা:।

এদিকে এই ঘটনারপর মতিঝিল থানায় ২ টি জিডি  করা হয়েছে যার নং ৫২৭ ও ৫২৯ । এ দুটি জিডি করা হলেও অদ্যাবধি পুলিশ কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করায় রাজউকের কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবী অনতিবিলম্বে এই সন্ত্রাসী ঠিকাদার ও তার সহযোগীদের গ্রেফতার করে রাজউককে আতংকমুক্ত করা হোক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) চেয়ারম্যান সাঈদ নুর হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘রাজউকে আক্রমণ, সরকারি কাজে বাধা প্রদান, প্রকল্প পরিচালক মো. আবদুল আওয়াল ও প্রকল্প পরিচালক মো. নুরুল ইসলামকে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেয়ায় হামলাকারী ঠিকাদার মীর মঞ্জুর হোসেন ও তার সহযোগীদের  বিরুদ্ধে গত বৃহস্পতিবার মতিঝিল থানায় দুটি জিডি করা হয়েছে।  একই সাথে তার ঠিকাদারি লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান বলেন, ‘সরকারি কাজে বাধা দেয়ায় সরকারি সিস্টেমে মেসার্স রাজিন ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী মীর মঞ্জুর হোসেনের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের রাজউক প্রকল্প পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পের পাঁচটি সড়কের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর শেষ সময় ছিলো। তাতে প্রায় ৫০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।কিন্তু রাজিন ইন্টারন্যাশনালের মীর মঞ্জুর হোসেন অংশ নেয়নি। তারপরও বৃহস্পতিবার আনুমানিক আড়াইটায় মীর মঞ্জুর হোসেন পরিকল্পনা করে নাটকীয় স্টাইলে এনেক্স ভবনের ৫১৬ নং রুমে হঠাৎ করে ১০ থেকে ১২ জনের ক্যাডার বাহিনী নিয়ে আমার অফিসে প্রবেশ করেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। কিছু বলার আগেই অফিসের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে তারা। এমনকি টেন্ডার বাতিল করে আমাকে কাজ না দিলে তোকে মেরে কেটে ফেলা হবে। তোর পরিবারকে বিদায় করা হবে বলে প্রাণনাশের হুমকি দেন ঠিকাদার মীর মঞ্জুর হোসেন। আমি যেটা বলি সেটাই রাজউকের আইন। তোকে সে কাজ করতে হবে বলেও হুমকি দেয় মঞ্জুর হোসেন।’ না মানলে খবর আছে। এ ঘটনার পর কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মতিঝিল থানায় ৫২৯ নং সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। এ ঘটনার পর ঠিকাদার মীর মঞ্জুর হোসেন উত্তরা আদর্শ আবাসিক (তৃতীয় পর্ব) প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মো. আবদুল আউয়ালের রুমে আক্রমণ করেন। পিডি মো. আবদুল আউয়াল বলেন, ‘কিছু বুঝে উঠার আগেই কলাবাগনের  ৬৩/সি লেক সার্কাসের মেসার্স রাজিন ইন্টারন্যাশনালের মীর মঞ্জুর হোসেন ১০ থেকে ১২ জন ক্যাডার বাহিনী নিয়ে অফিসে ঢুকেই আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। একই সাথে প্রাণনাশের হুমকিও দেয় সে। বাধ্য হয়ে মতিঝিল থানায় ৫২৭ নং জিডি করা হয়েছে।’ এ ঘটনার পর রাজউকের প্রকৌশলীরা চরম আতঙ্কে রয়েছেন। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তারা। তারা বলছেন, প্রতিদিন হাজার হাজার কোটি টাকার কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। রাজউকে তালিকাভুক্ত ৪৩১ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ ছাড়া সারা দেশের প্রায় দুই হাজার ঠিকাদার বিভিন্ন প্রকল্পের কাজে অংশ নিয়ে থাকে। রাজউকের ইসিহাসে এ ধরনের ঘটনা কোনো ঠিকাদার ঘটায়নি।’

উল্লেখ্য যে, ঠিকাদার মীর মন্জুর হোসেন বেশ কিছুদিন ধরে কতিপয় বহিরাহত সন্ত্রাসীদের নিয়ে রাজউকের একটি কক্ষ দখল করে সেখানে মাদক সেবন ও চাদাবাজীর টর্চার সেল স্থাপন করেছিলেন। এ কক্ষে ঠিকাদারদের ধরে এনে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাদা আদায় ও টর্চার করা হতো। শধু কি তাই ? ক্ষটিতে মাদক দ্রব্য সেবন ও বিত্রিও করা হতো। ঠিকাদার মীর মঞ্জুর হোসেনের ডান হাত হিসাবে  যেসব ক্যাডারদের নাম পাওয়াগেছে তারা হলেন, মিরাজ হোসেন রাজ,কিরণ মজুমদার নুপুর, কামরুল,মনির,সোহাদ,ফয়সাল, ছাত্রলীগ নেতা জুবায়ের,সাইদুল প্রমুখ। তারা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বা তার অন্য কোন অংগ সংগঠনের কোন পদে না থাকলেও নিজেদের নেতা পরিচয় দিয়ে প্রভাব বিস্তার করে। সারাদিন রাজউক ভবনে অবস্থান করে নানা প্রকার অপকর্ম করে থাকেন। এদের ভয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা আতংকে রয়েছেন।

জানতে চাইলে ঠিকাদার মঞ্জুর বলেন, ‘তার সাথে আমার বাগ্বিতণ্ডা হয়েছে। তবে প্রাণনাশের হুমকি দেইনি, মেরে ফেলবো, কেটে ফেলবো এ ধরনের কিছু বলিনি। ’রাজউকে ঠিকাদার মঞ্জুর হোসেনের এ ধরনের হামলা ও প্রাণনাশের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)। সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. সাহাদত হোসেন শিবলু দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে কঠিন শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:৩৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০
৩৮২ বার পড়া হয়েছে

লাইসেন্স বাতিল: গ্রেফতার দাবী: রাজউকে ঠিকাদার মীর মঞ্জুর আতংক!

আপডেট সময় ১২:৩৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০

বিশেষ প্রতিবেদক

 

বহিরাগত সন্ত্রাসী নিয়ে রাজউকে তাণ্ডব চালিয়ে প্রকৌশলীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন,আসবাবপত্র ভাংচুর ,প্রান নাশের হুমকি দেওয়া এবং সরকারী কাজে বাধা প্রদানের অপরাধে ঠিকাদার মীর মঞ্জুর হোসেনের মালিকানাধীন ঠিকাদারী ফার্ম রাজিন ইন্টারন্যাশনালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। গত ১৮ ই অক্টোবর ২০২০ রাজউকের নির্বাহী প্রকৌশলী (ডিজাইন) ছাবের আহমেদ স্বাক্ষরিত এক আদেশে ঠিকাদার মীর মন্জুর হোসেনের মালিকানাধীন লাইসেনস রেজিষ্ট্রেশন নং  ১৫০৬ (সিভিল) ও  ৯৭ (বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক) এর নিবন্ধন বাতিল করা হয়। যার স্মারক নং ২৫.৩৯.০০০০.০৫৭.০৭.০৪৫( অংশ-১৫)-১৭ ৬০(২৯) ছা:।

এদিকে এই ঘটনারপর মতিঝিল থানায় ২ টি জিডি  করা হয়েছে যার নং ৫২৭ ও ৫২৯ । এ দুটি জিডি করা হলেও অদ্যাবধি পুলিশ কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করায় রাজউকের কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবী অনতিবিলম্বে এই সন্ত্রাসী ঠিকাদার ও তার সহযোগীদের গ্রেফতার করে রাজউককে আতংকমুক্ত করা হোক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) চেয়ারম্যান সাঈদ নুর হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘রাজউকে আক্রমণ, সরকারি কাজে বাধা প্রদান, প্রকল্প পরিচালক মো. আবদুল আওয়াল ও প্রকল্প পরিচালক মো. নুরুল ইসলামকে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেয়ায় হামলাকারী ঠিকাদার মীর মঞ্জুর হোসেন ও তার সহযোগীদের  বিরুদ্ধে গত বৃহস্পতিবার মতিঝিল থানায় দুটি জিডি করা হয়েছে।  একই সাথে তার ঠিকাদারি লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান বলেন, ‘সরকারি কাজে বাধা দেয়ায় সরকারি সিস্টেমে মেসার্স রাজিন ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী মীর মঞ্জুর হোসেনের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের রাজউক প্রকল্প পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পের পাঁচটি সড়কের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর শেষ সময় ছিলো। তাতে প্রায় ৫০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।কিন্তু রাজিন ইন্টারন্যাশনালের মীর মঞ্জুর হোসেন অংশ নেয়নি। তারপরও বৃহস্পতিবার আনুমানিক আড়াইটায় মীর মঞ্জুর হোসেন পরিকল্পনা করে নাটকীয় স্টাইলে এনেক্স ভবনের ৫১৬ নং রুমে হঠাৎ করে ১০ থেকে ১২ জনের ক্যাডার বাহিনী নিয়ে আমার অফিসে প্রবেশ করেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। কিছু বলার আগেই অফিসের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে তারা। এমনকি টেন্ডার বাতিল করে আমাকে কাজ না দিলে তোকে মেরে কেটে ফেলা হবে। তোর পরিবারকে বিদায় করা হবে বলে প্রাণনাশের হুমকি দেন ঠিকাদার মীর মঞ্জুর হোসেন। আমি যেটা বলি সেটাই রাজউকের আইন। তোকে সে কাজ করতে হবে বলেও হুমকি দেয় মঞ্জুর হোসেন।’ না মানলে খবর আছে। এ ঘটনার পর কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মতিঝিল থানায় ৫২৯ নং সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। এ ঘটনার পর ঠিকাদার মীর মঞ্জুর হোসেন উত্তরা আদর্শ আবাসিক (তৃতীয় পর্ব) প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মো. আবদুল আউয়ালের রুমে আক্রমণ করেন। পিডি মো. আবদুল আউয়াল বলেন, ‘কিছু বুঝে উঠার আগেই কলাবাগনের  ৬৩/সি লেক সার্কাসের মেসার্স রাজিন ইন্টারন্যাশনালের মীর মঞ্জুর হোসেন ১০ থেকে ১২ জন ক্যাডার বাহিনী নিয়ে অফিসে ঢুকেই আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। একই সাথে প্রাণনাশের হুমকিও দেয় সে। বাধ্য হয়ে মতিঝিল থানায় ৫২৭ নং জিডি করা হয়েছে।’ এ ঘটনার পর রাজউকের প্রকৌশলীরা চরম আতঙ্কে রয়েছেন। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তারা। তারা বলছেন, প্রতিদিন হাজার হাজার কোটি টাকার কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। রাজউকে তালিকাভুক্ত ৪৩১ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ ছাড়া সারা দেশের প্রায় দুই হাজার ঠিকাদার বিভিন্ন প্রকল্পের কাজে অংশ নিয়ে থাকে। রাজউকের ইসিহাসে এ ধরনের ঘটনা কোনো ঠিকাদার ঘটায়নি।’

উল্লেখ্য যে, ঠিকাদার মীর মন্জুর হোসেন বেশ কিছুদিন ধরে কতিপয় বহিরাহত সন্ত্রাসীদের নিয়ে রাজউকের একটি কক্ষ দখল করে সেখানে মাদক সেবন ও চাদাবাজীর টর্চার সেল স্থাপন করেছিলেন। এ কক্ষে ঠিকাদারদের ধরে এনে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাদা আদায় ও টর্চার করা হতো। শধু কি তাই ? ক্ষটিতে মাদক দ্রব্য সেবন ও বিত্রিও করা হতো। ঠিকাদার মীর মঞ্জুর হোসেনের ডান হাত হিসাবে  যেসব ক্যাডারদের নাম পাওয়াগেছে তারা হলেন, মিরাজ হোসেন রাজ,কিরণ মজুমদার নুপুর, কামরুল,মনির,সোহাদ,ফয়সাল, ছাত্রলীগ নেতা জুবায়ের,সাইদুল প্রমুখ। তারা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বা তার অন্য কোন অংগ সংগঠনের কোন পদে না থাকলেও নিজেদের নেতা পরিচয় দিয়ে প্রভাব বিস্তার করে। সারাদিন রাজউক ভবনে অবস্থান করে নানা প্রকার অপকর্ম করে থাকেন। এদের ভয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা আতংকে রয়েছেন।

জানতে চাইলে ঠিকাদার মঞ্জুর বলেন, ‘তার সাথে আমার বাগ্বিতণ্ডা হয়েছে। তবে প্রাণনাশের হুমকি দেইনি, মেরে ফেলবো, কেটে ফেলবো এ ধরনের কিছু বলিনি। ’রাজউকে ঠিকাদার মঞ্জুর হোসেনের এ ধরনের হামলা ও প্রাণনাশের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)। সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. সাহাদত হোসেন শিবলু দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে কঠিন শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।