১১:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বীকৃতির বাইরে মাগুরার বীর মুক্তিযোদ্ধা মমিন হোসেন

প্রতিনিধির নাম:

মাগুরা প্রতিনিধি:

 

দেশে অনেক ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা জাল কাগজপত্রে বীর মুক্তিযোদ্ধার সরকারী স্বীকৃতি নিয়ে সরকারী সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা ভোগ করলেও এখনো অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন সরকারী স্বীকৃতির বাইরে। তারা মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সব রকম সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা হওয়া সত্ত্বেও কেবলমাত্র গেজেটভুক্ত না হওয়ায় সন্তানরা তার সুফল ভোগ করতে পারছেন না। যাচাই বাছাই এ সুযোগ না পাওয়া এসব বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় আনা অত্যন্ত জররী বলে মনে করছেন সচেতন দেশবাসী।

এমনই একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেন মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর গ্রামের মরহুম মমিন হোসেন। তিনি বিএপাশ একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। সহযোদ্ধা মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকাবাসীর ভাষ্যে জানাযায়, ১৯৭১ সালে মমিন হোসেন পালিয়ে ভারতের রানাঘাটে  চলে যান এবং মাগুরার প্রয়াত সংসদ সদস্য  ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এড, মো: আসাদুজ্জামানের মাধ্যমে মুজিব নগর অয়ী সরকারের রানাঘাট ক্যাম্পের প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ থেকে আগতদের তালিকা তৈরী ও তাদের থাকা খাওয়ার ব্যব করতেন। পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় তাদের ট্রেনিং এ পাঠাতেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ারপর তিনি নিজ এলাকায় এসে সমাজ সেবা মূলক কর্মকান্ডে লিপ্ত হন। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে জনপ্রিয়তার কারণে  তিনি পরপর ২ বার বিনোদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। কিš‘ পরিতাপের বিষয়, তিনি জীবিত থাকা অবয় মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্তির চেষ্টা করেননি। তিনি বলতেন, “বৃক্ষ তোমার নাম কি ? ফলেই পরিচয়”। যে কারণে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হয়েও তিনি কেবলমাত্র সরকারী স্বীকৃতির অভাবে আজো অবহেলা,অনাদরে পড়ে আছেন। নির্দ্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে না পারায় তিনি গেজেটভুক্ত হতে পারেছেন না। তার সন্তানরা বাবার স্বীকৃতির জন্য মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়সহ নানা ¯’নে আবেদন নিবেদন করেও কোন প্রতিকার পায়নি। এলাকাবাসীর দাবী, এই বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি সম্মান জানাতে অতি সত্তর তাঁর নামটি গেজেটে প্রকাশ করা হোক। এক্ষেত্রে তারা প্রধানমন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণলয়ের মন্ত্রী ও জামুকা মহাপরিচালকের  দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৪:০৫:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২০
১৯১ বার পড়া হয়েছে

স্বীকৃতির বাইরে মাগুরার বীর মুক্তিযোদ্ধা মমিন হোসেন

আপডেট সময় ০৪:০৫:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

মাগুরা প্রতিনিধি:

 

দেশে অনেক ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা জাল কাগজপত্রে বীর মুক্তিযোদ্ধার সরকারী স্বীকৃতি নিয়ে সরকারী সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা ভোগ করলেও এখনো অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন সরকারী স্বীকৃতির বাইরে। তারা মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সব রকম সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা হওয়া সত্ত্বেও কেবলমাত্র গেজেটভুক্ত না হওয়ায় সন্তানরা তার সুফল ভোগ করতে পারছেন না। যাচাই বাছাই এ সুযোগ না পাওয়া এসব বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় আনা অত্যন্ত জররী বলে মনে করছেন সচেতন দেশবাসী।

এমনই একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেন মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর গ্রামের মরহুম মমিন হোসেন। তিনি বিএপাশ একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। সহযোদ্ধা মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকাবাসীর ভাষ্যে জানাযায়, ১৯৭১ সালে মমিন হোসেন পালিয়ে ভারতের রানাঘাটে  চলে যান এবং মাগুরার প্রয়াত সংসদ সদস্য  ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এড, মো: আসাদুজ্জামানের মাধ্যমে মুজিব নগর অয়ী সরকারের রানাঘাট ক্যাম্পের প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ থেকে আগতদের তালিকা তৈরী ও তাদের থাকা খাওয়ার ব্যব করতেন। পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় তাদের ট্রেনিং এ পাঠাতেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ারপর তিনি নিজ এলাকায় এসে সমাজ সেবা মূলক কর্মকান্ডে লিপ্ত হন। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে জনপ্রিয়তার কারণে  তিনি পরপর ২ বার বিনোদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। কিš‘ পরিতাপের বিষয়, তিনি জীবিত থাকা অবয় মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্তির চেষ্টা করেননি। তিনি বলতেন, “বৃক্ষ তোমার নাম কি ? ফলেই পরিচয়”। যে কারণে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হয়েও তিনি কেবলমাত্র সরকারী স্বীকৃতির অভাবে আজো অবহেলা,অনাদরে পড়ে আছেন। নির্দ্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে না পারায় তিনি গেজেটভুক্ত হতে পারেছেন না। তার সন্তানরা বাবার স্বীকৃতির জন্য মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়সহ নানা ¯’নে আবেদন নিবেদন করেও কোন প্রতিকার পায়নি। এলাকাবাসীর দাবী, এই বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি সম্মান জানাতে অতি সত্তর তাঁর নামটি গেজেটে প্রকাশ করা হোক। এক্ষেত্রে তারা প্রধানমন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণলয়ের মন্ত্রী ও জামুকা মহাপরিচালকের  দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।