প্রস্তাবিত বাজেটে স্বর্ণ আমদানির ওপর ভ্যাট প্রত্যাহার
প্রস্তাবিত বাজেটে স্বর্ণ আমদানির ওপর ভ্যাট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছর বিদেশ থেকে স্বর্ণ আনতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হতো আমদানিকারকদের। ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এ ভ্যাট না নেয়ার কথা বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনকালে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এর আগে দুপুরে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবিত বাজেটে অনুমোদন দেয়া হয় এবং পরে ওই প্রস্তাবে সই করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
প্রতিবার বাজেটে ঘাটতি সাধারণত ৫ শতাংশের মধ্যে রাখা হয়। তবে এবার করোনার প্রভাবে প্রথমবারের মতো তা ৬ শতাংশ স্পর্শ করেছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, চোরাচালান প্রতিরোধ, ব্যবসায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বেশকিছু প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স দিয়েছে সরকার। এরপর থেকেই ব্যবসায়ীরা আমদানির ওপর ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি করে আসছিলেন। প্রস্তাবিত বাজেটে স্বর্ণ আমদানিতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।
জানা গেছে, দেশের বাজারে ছোট-বড় ১৫ হাজার স্বর্ণ ব্যবসায়ী রয়েছেন। দেশে বছরে স্বর্ণের চাহিদা প্রায় ২০ টন। যার পুরোটাই আসত চোরাচালানের মাধ্যমে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হতো। সার্বিক দিক বিবেচনা করে গত বছর স্বর্ণ আমদানির নীতিমালা জারি করে সরকার। পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই শেষে একটি ব্যাংকসহ ১৮ প্রতিষ্ঠানকে দুই বছরের জন্য স্বর্ণ আমদানির ডিলার লাইসেন্স দেয়া হয়।
যেসব প্রতিষ্ঠান স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স পেয়েছে সেগুলো হলো- মধুমতি ব্যাংক, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড, জুয়েলারি হাউস, রতনা গোল্ড, অরোসা গোল্ড কর্পোরেশন, আমিন জুয়েলার্স, স্রেজা গোল্ড প্যালেস, জরোয়া হাউস লিমিটেড, মিলন বাজার, এসকিউ ট্রেডিং, এমকে ইন্টারন্যাশনাল, বুরাক কমোডিটিস এক্সচেঞ্জ, গোল্ডেন ওয়ার্ল্ড জুয়েলার্স, রিয়া জুয়েলার্স, লক্ষ্মী জুয়েলার্স, বিডেক্স গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড, ডি ডামাস ও দি আর্ট অব গ্যালারি।

















