০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাগুরার নহাটা ইউনিয়নে প্রভাবশালী নেতার ছত্রছায়ায় বেপরোয়া আলী চেয়ারম্যান!

প্রতিনিধির নাম:

মাগুরা প্রতিনিধি
মাগুরার মহম্মদপুর থানাধীন নহাটা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলী মিয়া। বিগত দিনে চেয়ারম্যান হওয়ার সুবাদে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। মাগুরার এক প্রভাবশালী নেতার ছত্রছায়ায় থেকে মনে যা ইচ্ছা তাই করে গেছেন। ৯ম ইউনিয়ন পরিষদের সময় চেয়ারম্যান হওয়ার সাথে সাথে তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে রাতের আধারে ধরে এনে মারধর থেকে শুরু করে বাড়ি-ঘর ভাংচুর করেন । এমনি কি ওই আলী চেয়ারম্যানের ভয়ে অনেকে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ ও প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ করে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় অপরাধের স্বর্গরাজ্য হিসেবে নহাটা ইউনিয়নকে গড়ে তুলেছেন ওই আলী চেয়ারম্যান। তার নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে একটি বাহিনী। এ বাহিনীর সদস্যরা খুন-সন্ত্রাস, মাদক ও অস্ত্র ব্যবসা, ধর্ষণ, সুদের ব্যবসা কিংবা অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের মতো কাজ করে বেড়ায়। তাদের বিরুদ্ধে পাহাড়সমান এসব অভিযোগ থাকলেও এতদিন কেউ মুখ খুলতে সাহস পাননি। কিন্তু এখন মুখ খুলতে শুরু করেছে নহাটা ইউনিয়নের বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চেয়ারম্যান আলীর অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ । আলী চেয়ারম্যানের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে সুদের কারবার, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের ব্যবসা, হত্যা, অন্যের সম্পদ লুট, নারীদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন, অন্যের গোয়ালের গরু-ছাগল চুরিসহ এমন কোনো অপকর্ম নাই যা তারা করেনি। প্রশাসন ও স্থানীয় ক্ষমতা থাকায় তাদের অত্যাচার আর নির্যাতনে গ্রামের কেউ মুখ খুলতে বা প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। যারাই প্রতিবাদ করেছে তাদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে অথবা নির্যাতন করা হয়েছে। আবার অনেককে হতে হয়েছে ঘর-বাড়ি ছাড়া। বিগত দিনে চেয়ারম্যান থাকাকালিন গরীবের চাউল,গম নিজেই গায়েব করছেন। কেউ বিধবা ভাতা অথবা বয়স্ক ভাতার কার্ড করতে চাইলে প্রত্যেকের নিকট থেকে ৫ হাজার টাকা করে ঘুষ নিয়ে তাদের সরকারি বিধবা ও বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দিতেন। যারা ঘুষ দিতে পারে নাই তাকে তিনি কার্ড দিতেন না। এ সব অভিযোগ সম্পর্কে তার বক্তব্য জানতে তার মুঠো ফোনে কথা বলতে চাইলে তিনি ফোন ধরেননি। (বিস্তারিত খবর পড়ন আগামীকাল)।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:৫০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ নভেম্বর ২০২১
৪০৮ বার পড়া হয়েছে

মাগুরার নহাটা ইউনিয়নে প্রভাবশালী নেতার ছত্রছায়ায় বেপরোয়া আলী চেয়ারম্যান!

আপডেট সময় ০৮:৫০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ নভেম্বর ২০২১

মাগুরা প্রতিনিধি
মাগুরার মহম্মদপুর থানাধীন নহাটা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলী মিয়া। বিগত দিনে চেয়ারম্যান হওয়ার সুবাদে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। মাগুরার এক প্রভাবশালী নেতার ছত্রছায়ায় থেকে মনে যা ইচ্ছা তাই করে গেছেন। ৯ম ইউনিয়ন পরিষদের সময় চেয়ারম্যান হওয়ার সাথে সাথে তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে রাতের আধারে ধরে এনে মারধর থেকে শুরু করে বাড়ি-ঘর ভাংচুর করেন । এমনি কি ওই আলী চেয়ারম্যানের ভয়ে অনেকে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ ও প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ করে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় অপরাধের স্বর্গরাজ্য হিসেবে নহাটা ইউনিয়নকে গড়ে তুলেছেন ওই আলী চেয়ারম্যান। তার নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে একটি বাহিনী। এ বাহিনীর সদস্যরা খুন-সন্ত্রাস, মাদক ও অস্ত্র ব্যবসা, ধর্ষণ, সুদের ব্যবসা কিংবা অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের মতো কাজ করে বেড়ায়। তাদের বিরুদ্ধে পাহাড়সমান এসব অভিযোগ থাকলেও এতদিন কেউ মুখ খুলতে সাহস পাননি। কিন্তু এখন মুখ খুলতে শুরু করেছে নহাটা ইউনিয়নের বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চেয়ারম্যান আলীর অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ । আলী চেয়ারম্যানের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে সুদের কারবার, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের ব্যবসা, হত্যা, অন্যের সম্পদ লুট, নারীদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন, অন্যের গোয়ালের গরু-ছাগল চুরিসহ এমন কোনো অপকর্ম নাই যা তারা করেনি। প্রশাসন ও স্থানীয় ক্ষমতা থাকায় তাদের অত্যাচার আর নির্যাতনে গ্রামের কেউ মুখ খুলতে বা প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। যারাই প্রতিবাদ করেছে তাদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে অথবা নির্যাতন করা হয়েছে। আবার অনেককে হতে হয়েছে ঘর-বাড়ি ছাড়া। বিগত দিনে চেয়ারম্যান থাকাকালিন গরীবের চাউল,গম নিজেই গায়েব করছেন। কেউ বিধবা ভাতা অথবা বয়স্ক ভাতার কার্ড করতে চাইলে প্রত্যেকের নিকট থেকে ৫ হাজার টাকা করে ঘুষ নিয়ে তাদের সরকারি বিধবা ও বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দিতেন। যারা ঘুষ দিতে পারে নাই তাকে তিনি কার্ড দিতেন না। এ সব অভিযোগ সম্পর্কে তার বক্তব্য জানতে তার মুঠো ফোনে কথা বলতে চাইলে তিনি ফোন ধরেননি। (বিস্তারিত খবর পড়ন আগামীকাল)।