যশোর সদর উপজেলা পরিষদ উপ-নির্বাচন: টিটো পুত্র জয়কে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী চান নেতা-কর্মীরা
স্টাফ রিপোর্টার
যশোরের মাটি ও মানুষের নেতা ছিলেন সাবেক সংসদ জননেতা মো: খালেদুর রহমান টিটো। আজীবন তিনি গণমানুষের কল্যাণে রাজনীতি করেগেছেন। শুদ্ধ রাজনৈতিক চর্চার কারণে যশোরের প্রতিটি মানুষের কাছে তিনি মরেও অমর হয়ে আছেন। এই অঞ্চলের ভু রাজনীতিতে তার যে অবদান তা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এখনো যে কোন চায়ের স্টলে বসলেই আপামর মেহনতী মানুষের মুখে তাঁর গুনগান শোনা যায়। যশোরের অসংখ্য উন্নয়ন তাঁর স্মৃতি বহন করে চলেছে। এসব উন্নয়ন সাধনে তিনি সব সময় সামনের কাতারে থেকে দাবী তুলেছিলেন। তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই একজন জননেতা। তাঁর মৃত্যুরপর যশোরের রাজনীতিতে যে নেতৃত্বের শুণ্যতা দেখা দিয়েছে তা কোনভাবেই পূর্ণ হবার নয়।
এদিকে পিতার আদর্শ মাথায় ধারণ করে মরহুম জননেতা মো: খালেদুর রহমান টিটোর সুযোগ্য পুত্র মো: মাশুক হাসান জয় রাজনীতির মাঠে সক্রিয় হয়েছেন। তিনি জাতির জনক বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শকে শিরধার্য করে যশোর সদর উপজেলার প্রতিটি মহল্লা ,হাট বাজার ও অলি গলিতে চষে বেড়াচ্ছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লেিগর পতাকাতলে সংগঠিত করছেন তরুণ প্রজন্মকে। যশোর অঞ্চলের আওয়ামী রাজনীতিতে নবজাগরণের সৃষ্টি করেছেন। তার কোমল আচার -ব্যবহার, চাল-চলন, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের অদম্য শক্তি দর্শণে শহরের মানুষগুলো মুগ্ধ হয়েছেন। অনেকেই বলাবলি করেন যে, জয় ঠিক তার মরহুম পিতা মো: খালেদুর রহমান টিটোর মতই প্রজ্জ্বলিত হয়ে উঠছেন। তার ভবিষ্যত অতি উজ্জল বলেও তারা মন্তব্য করেন। এলাকার প্রতিটি মানুষের সুখ- দু:খ, হাসি- কান্না ভাগ করে নিতে মোটেও কার্পন্য করেন না জয়।
সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এলাকার মানুষের নানাবিধ সমস্যার সমাধানে ও তাদের কল্যাণে ব্যস্ত থাকেন জয়। এটাই তার রাজনৈতিক চরিত্র।
আর এসব কারণেই যশোর সদর এলাকার আওয়ামী লীগের ও অংগ সংগঠনসমুহের সর্বস্তরের নেতা -কর্মী এবং সাধারন ভোটারদের দাবীতে আসন্ন যশোর সদর উপজেলা পরিষদের উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা দিয়েছেন। সংগ্রহ বরেছেন দলীয় মনোনয়নপত্র। আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর ধানমন্ডির দলীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহকালে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, আমি যশোরের মানুষগুলোকে প্রকৃত জনসেবা দিয়ে আমার পিতা মরহুম জননেতা মো: খালেদুর রহমান টিটোর অসাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করতে চাই। একই সাথে জাতির জনকের সোনার বাংলা গঠন ও জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমার জীবন উৎসর্গ করতে চাই।
আর সেই কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়ণ করার লক্ষ্যেই আমি আসন্ন যশোর সদর উপজেলা উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন চেয়েছি। দলীয় সভানেত্রী যদি আমাকে মনোনয়ন দেন তবে আমি যশোর সদর উপজেলাবাসীর রায়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবো এটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস।
এ দিকে যশোর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও সদর উপজেলা কমিটির নেতা কর্মীদের সাথে কথা বললে তারাও একমত পোষন করেন। দলীয় মনোনয়ন যেন জয়-ই পান, এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন।

















