০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাইটেক পার্ক সিটি প্রকল্পের হাজার কোটি টাকা লুটপাট: সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক জেলখানায় পিডি ফজলুল হক বিআইডব্লিউটিএতে!

প্রতিনিধির নাম:

রোস্তম মল্লিক

আইসিটি মন্ত্রণালয়ের হাইটেক পার্ক সিটি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রায় হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে প্রকল্প পরিচালক এ কে এম ফজলুল হক বর্তমানে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)তে সদস্য প্রকৌশল (যুগ্ম সচিব) এর দায়িত্ব পালন করছেন মর্মে অভিযোগ পাওয়াগেছে।। তার বিএনপি নেতা ভাইয়ের তদবীরে পেয়েছেন পদন্নোতিও। তার বস সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক জেলখানায় থাকলেও তার ডান হাতখ্যাত হাইটেক পার্কসিটি প্রকল্পের পিডি এ কে এম ফজলুল হক যুগ্ম সচিব পদে পদন্নোতি নিয়ে দিব্যি সরকারী চাকুরী করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন খাতের প্রধান নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআইডব্লিউটিএতে তিনি এখন সুপার পাওয়ার কর্মকর্তা।
এ কে এম ফজলুল হক এর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, সরকারি অর্থ লুটপাট ও দুর্নীতির অভিযোগ যা আইসিটি মন্ত্রণালয় ও হাইটেক পার্ক সিটির উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে হাইটেক পার্ক সিটি প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছিল। এ কে এম ফজলুল হক এই প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার নামে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ রয়েছে যে, প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়া, বরাদ্দ ও বাস্তবায়নে স্বজনপ্রীতি, অর্থ আত্মসাৎ এবং অস্বচ্ছতা ছিল। প্রতিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রীর সাথে ঘনিষ্ঠতা ছিল এই এ কে এম ফজলুল হকের। তাই তিনি কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করতেন না। নিয়মকে অনিয়ম বানিয়ে দেশে-বিদেশে গড়েছেন অঢেল সম্পদ।
অনুসন্ধানকালে জানা যায়, জুনায়েদ আহমেদ পলক, সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে তার ডান হাত ছিলেন ্এ কে এম ফজলুল হক। তখন বিভিন্ন প্রকল্প থেকে ১৫% কমিশন নিতেন তিনি। এই কমিশন ব্যবস্থা তার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পরিচালিত হতো। সিন্ডিকেটের মূল হোতা ছিলেন এই এ কে এম ফজলুল হক যা হাইটেক পার্ক সিটি প্রকল্পেও ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল। ফাইভস্টার নামে পরিচিত একটি সিন্ডিকেট গঠন করে, পলক ও তার সহযোগীরা স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি জমি দখল, দরপত্র নিয়ন্ত্রণ, নিয়োগ বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেন। জুনায়েদ আহমেদ পলকের অন্যতম সহযোগী এই এ কে এম ফজলুল হক। আওয়ামী লীগের সময় ও তার সম্পর্কে অভিযোগের পাহাড় ছিল। সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় তার বিরুদ্ধে নিউজ করতে কেউ সাহস পেতো না। তিনি আওয়ামী সুবিধাভোগি একজন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার দোসর বলে মন্তব্য করেছেন আইসিটি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

যে সব প্রকল্পের অর্থ আত্মসাত করা হয়েছে:

বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের অধীনে ৮৩৭ কোটি টাকার শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার (১১টি) প্রকল্প (প্রথম সংশোধিত), ১ হাজার ৮৮৬ কোটি টাকার জেলা পর্যায়ে আইটি/হাই-টেক পার্ক স্থাপন (১২ জেলায়) (প্রথম সংশোধিত), ৫৩৩ কোটি টাকার শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন (দ্বিতীয় সংশোধিত) প্রকল্প, ৪৩১ কোটি টাকার বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি-২-এর সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প (দ্বিতীয় সংশোধিত), ৩৫৩ কোটি টাকার ডিজিটাল উদ্যোক্তা এবং উদ্ভাবন ইকো-সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্প, ৭৪ কোটি টাকার বাংলাদেশ-ভারত ডিজিটাল সেবা ও কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ (বিডিসেট) কেন্দ্র প্রতিষ্ঠাকরণ শীর্ষক প্রকল্প, ১ হাজার ৫৩৪ কোটি টাকার শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, ১ হাজার ১১৪ কোটি টাকার শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন (১৪টি) প্রকল্প। দুর্নীতি দমন কমিশন এ সব প্রকল্পের ফাইল জব্দ করে তদন্ত শুরু করেছে।

প্রতিমন্ত্রী পলক জেলে পিডি ফজলুল হক বহাল তবিয়তে!

উল্লেখিত দুর্নীতির জন্য আইসিটি মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী, স্বৈরাচারের দোসর জুনায়েদ আহমেদ পলক গ্রেফতার হয়ে জেলখানায় থাকলেও হাইটেক আইসিটি পার্ক সিটি প্রকল্পের পিডি এ কে এম ফজলুল হক যুগ্ম সচিব পদে পদন্নোতি নিয়ে বিআইডব্লিউটিএর সদস্য প্রকৌশল পদে অবস্থান করছেন। এ ঘটনায় অবাক হয়েছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা। তাদের প্রশ্ন একই অপরাধে সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক জেলখানায় থাকলেও হাইটেক আইসিটি পার্ক সিটি প্রকল্পের পিডি এ কে এম ফজলুল হক কিভাবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিআইডব্লিউটিএর (সদস্য প্রকৌশল) ও হাইটেক আইসিটি পার্ক সিটি প্রকল্পের সাবেক পিডি এ কে এম ফজলুল হক বলেন, আমার বিরুদ্ধে তোলা সব অভিযোগ মিথ্যা। ঢাকা শহরে আমার এক ছটাক জমিও নেই। তবে আমাদের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে যে, তিনি ঢাকার একটি অভিজাত এলাকায় ৩ হাজার স্কয়ার ফিটের ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন। তার পুত্রকে ইউরোপের একটি দেশে পাঠিয়ে লেখে পড়া করাচ্ছেন। রাজশাহী এবং নওগাঁতেও তিনি নামে-বেনামে প্রচুর সম্পদ ক্রয় করেছেন। তিনি তার পুত্রের মাধ্যমে বিদেশেও প্রচুর টাকা পাচার করেছেন। সর্বপরি-তিনি আওয়ামী লীগের একজন সুবিধাভোগি কর্মকর্তা এবং স্বৈরাচারের দোসর ছিলেন। আইসিটি হাইটেক পার্ক সিটি প্রকল্পের ফাইলগুলো দুদকের মাধ্যমে নীরিক্ষা করলেই তিনি ফেঁসে যাবেন এটা নিশ্চিত। (চলবে)

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:৪৪:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫
৪৪৫ বার পড়া হয়েছে

হাইটেক পার্ক সিটি প্রকল্পের হাজার কোটি টাকা লুটপাট: সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক জেলখানায় পিডি ফজলুল হক বিআইডব্লিউটিএতে!

আপডেট সময় ১০:৪৪:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

রোস্তম মল্লিক

আইসিটি মন্ত্রণালয়ের হাইটেক পার্ক সিটি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রায় হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে প্রকল্প পরিচালক এ কে এম ফজলুল হক বর্তমানে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)তে সদস্য প্রকৌশল (যুগ্ম সচিব) এর দায়িত্ব পালন করছেন মর্মে অভিযোগ পাওয়াগেছে।। তার বিএনপি নেতা ভাইয়ের তদবীরে পেয়েছেন পদন্নোতিও। তার বস সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক জেলখানায় থাকলেও তার ডান হাতখ্যাত হাইটেক পার্কসিটি প্রকল্পের পিডি এ কে এম ফজলুল হক যুগ্ম সচিব পদে পদন্নোতি নিয়ে দিব্যি সরকারী চাকুরী করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন খাতের প্রধান নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআইডব্লিউটিএতে তিনি এখন সুপার পাওয়ার কর্মকর্তা।
এ কে এম ফজলুল হক এর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, সরকারি অর্থ লুটপাট ও দুর্নীতির অভিযোগ যা আইসিটি মন্ত্রণালয় ও হাইটেক পার্ক সিটির উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে হাইটেক পার্ক সিটি প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছিল। এ কে এম ফজলুল হক এই প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার নামে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ রয়েছে যে, প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়া, বরাদ্দ ও বাস্তবায়নে স্বজনপ্রীতি, অর্থ আত্মসাৎ এবং অস্বচ্ছতা ছিল। প্রতিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রীর সাথে ঘনিষ্ঠতা ছিল এই এ কে এম ফজলুল হকের। তাই তিনি কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করতেন না। নিয়মকে অনিয়ম বানিয়ে দেশে-বিদেশে গড়েছেন অঢেল সম্পদ।
অনুসন্ধানকালে জানা যায়, জুনায়েদ আহমেদ পলক, সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে তার ডান হাত ছিলেন ্এ কে এম ফজলুল হক। তখন বিভিন্ন প্রকল্প থেকে ১৫% কমিশন নিতেন তিনি। এই কমিশন ব্যবস্থা তার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পরিচালিত হতো। সিন্ডিকেটের মূল হোতা ছিলেন এই এ কে এম ফজলুল হক যা হাইটেক পার্ক সিটি প্রকল্পেও ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল। ফাইভস্টার নামে পরিচিত একটি সিন্ডিকেট গঠন করে, পলক ও তার সহযোগীরা স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি জমি দখল, দরপত্র নিয়ন্ত্রণ, নিয়োগ বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেন। জুনায়েদ আহমেদ পলকের অন্যতম সহযোগী এই এ কে এম ফজলুল হক। আওয়ামী লীগের সময় ও তার সম্পর্কে অভিযোগের পাহাড় ছিল। সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের ঘনিষ্ঠ হওয়ায় তার বিরুদ্ধে নিউজ করতে কেউ সাহস পেতো না। তিনি আওয়ামী সুবিধাভোগি একজন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার দোসর বলে মন্তব্য করেছেন আইসিটি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

যে সব প্রকল্পের অর্থ আত্মসাত করা হয়েছে:

বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের অধীনে ৮৩৭ কোটি টাকার শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার (১১টি) প্রকল্প (প্রথম সংশোধিত), ১ হাজার ৮৮৬ কোটি টাকার জেলা পর্যায়ে আইটি/হাই-টেক পার্ক স্থাপন (১২ জেলায়) (প্রথম সংশোধিত), ৫৩৩ কোটি টাকার শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন (দ্বিতীয় সংশোধিত) প্রকল্প, ৪৩১ কোটি টাকার বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটি-২-এর সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প (দ্বিতীয় সংশোধিত), ৩৫৩ কোটি টাকার ডিজিটাল উদ্যোক্তা এবং উদ্ভাবন ইকো-সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্প, ৭৪ কোটি টাকার বাংলাদেশ-ভারত ডিজিটাল সেবা ও কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ (বিডিসেট) কেন্দ্র প্রতিষ্ঠাকরণ শীর্ষক প্রকল্প, ১ হাজার ৫৩৪ কোটি টাকার শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, ১ হাজার ১১৪ কোটি টাকার শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন (১৪টি) প্রকল্প। দুর্নীতি দমন কমিশন এ সব প্রকল্পের ফাইল জব্দ করে তদন্ত শুরু করেছে।

প্রতিমন্ত্রী পলক জেলে পিডি ফজলুল হক বহাল তবিয়তে!

উল্লেখিত দুর্নীতির জন্য আইসিটি মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী, স্বৈরাচারের দোসর জুনায়েদ আহমেদ পলক গ্রেফতার হয়ে জেলখানায় থাকলেও হাইটেক আইসিটি পার্ক সিটি প্রকল্পের পিডি এ কে এম ফজলুল হক যুগ্ম সচিব পদে পদন্নোতি নিয়ে বিআইডব্লিউটিএর সদস্য প্রকৌশল পদে অবস্থান করছেন। এ ঘটনায় অবাক হয়েছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা। তাদের প্রশ্ন একই অপরাধে সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক জেলখানায় থাকলেও হাইটেক আইসিটি পার্ক সিটি প্রকল্পের পিডি এ কে এম ফজলুল হক কিভাবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিআইডব্লিউটিএর (সদস্য প্রকৌশল) ও হাইটেক আইসিটি পার্ক সিটি প্রকল্পের সাবেক পিডি এ কে এম ফজলুল হক বলেন, আমার বিরুদ্ধে তোলা সব অভিযোগ মিথ্যা। ঢাকা শহরে আমার এক ছটাক জমিও নেই। তবে আমাদের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে যে, তিনি ঢাকার একটি অভিজাত এলাকায় ৩ হাজার স্কয়ার ফিটের ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন। তার পুত্রকে ইউরোপের একটি দেশে পাঠিয়ে লেখে পড়া করাচ্ছেন। রাজশাহী এবং নওগাঁতেও তিনি নামে-বেনামে প্রচুর সম্পদ ক্রয় করেছেন। তিনি তার পুত্রের মাধ্যমে বিদেশেও প্রচুর টাকা পাচার করেছেন। সর্বপরি-তিনি আওয়ামী লীগের একজন সুবিধাভোগি কর্মকর্তা এবং স্বৈরাচারের দোসর ছিলেন। আইসিটি হাইটেক পার্ক সিটি প্রকল্পের ফাইলগুলো দুদকের মাধ্যমে নীরিক্ষা করলেই তিনি ফেঁসে যাবেন এটা নিশ্চিত। (চলবে)