খুলনা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২০ কোটি টাকা ঘুস বাণিজ্যের অভিযোগ!
খুলনা প্রতিনিধি
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক খুলনা অঞ্চলের উপপরিচালক রুহুল আমীনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও ঘুষ- দূর্নীতির অভিযোগ উঠছে। কিন্তু তার ক্ষমতার ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না।
তিনি সপ্তাহের বেশির ভাগ সময় ঢাকায় অবস্থান করেন।ফলে অফিসে গিয়ে তার সাথে দুর দুরান্ত থেকে আসা শিক্ষক, কর্মচারীরা দেখা পান না।
এ ছাড়া ২০২২ সালে এমপিও পাওয়া নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যাচাই বাছাই সময় পাসওয়ার্ড প্রদান আটকে শিক্ষক প্রতি ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা ঘুস নিয়ে পাসওয়ার্ড প্রদান করেন। অবশ্য এর মুল কারিগর অফিস সহকারী কামরুজ্জামান।
এ হিসাবে তিনি যাচাই বাছাই করতে ১৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
এর পর এমপিও আবেদন করার পর নানা অজুহাতে ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা ঘুস নিয়েছেন।
এ খাতে তার আয় আরও ১০ কোটির কম নয়।
তবে তার কথার বাইরে গেলেই ঠুনকো কারণ দেখিয়ে আবেদন রিজেক্ট করে দেন। কোন কোন প্রতিষ্ঠান ৪/৫ বার আবেদন করার পরও তাদের বেতন বা বকেয়া টাকা পাচ্ছে না।
এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে শিক্ষক ও স্টাফদের সঙ্গে খারাপ আচরণের অভিযোগ রয়েছে। নাম না প্রকাশ করার শর্তে মাগুরা জেলার একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, আমার বিদ্যালয় থেকে শিক্ষক কর্মচারীদের বকেয়া বেতনের জন্য ৪ বার আবেদন দেওয়া হয়েছে।
মাত্র ৩ জনের আবেদন মঞ্জুর হলেও বাকিদের আবেদন বারবার রিজেক্ট করে দেন। অথচ সকলের আবেদনই একই প্রক্রিয়ায় করা। ভুক্তভোগীরা তার বদলি ও দূর্নীতির তদন্ত দাবী করেছেন।












