নৌযানের সার্ভে,রেজিষ্ট্রেশনের কাজ ভ্যাট-ট্যাক্স ফাঁকির অভিযোগ: চাকুরী করেন বিআইডব্লিউটিএতে কাজ করেন নৌপরিবহন অধিদপ্তরের!
স্টাফ রিপোর্টার
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এর অর্থ বিভাগের নিন্মমান সহকারী (কম্পিউটার অপারেটর) মোমিন এর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ও জাল জালিয়াতি কাজের অভিযোগ পাওয়াগেছে।
জানাগেছে, তিনি বিআইডব্লিউটিএতে চাকুরী করলেও বেশিরভাগ সময় কাজ করেন নৌপরিবহন অধিদপ্তরের। বিআইডব্লিউটিএর অফিসে বসে অফিসিয়াল কম্পিটার ব্যবহার করে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের নৌযান সার্ভে,রেজিস্ট্রেশন, মালিকানা পরিবর্তন,ভ্যাট-ট্যাক্স সনদায়ন ইত্যাদি কাজ করে অবৈধভাবে প্রতিমাসে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করছেন।
সুত্রমতে, তিনি কিছুদিন বিআইডব্লিউটিএর কনজারভেসী বিভাগে কাজ করতেন। তখনি নৌযান মালিক বা প্রতিনিধিদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তাদেরকে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করে নৌযানের সার্ভে,রেজিষ্ট্রেশন,মালিকানা বদল,ভ্যাট ট্যাক্স সনদায়নের কাজগুলো বাগিয়ে নেন। এ ক্ষেত্রে তিনি নানা অসাদুপায়ের আশ্রয় নেন।
অভিযোগ আছে যে, তিনি নৌযানের সার্ভে সনদ নবায়ন বা রেজিষ্ট্রেশনের সময় ভ্যাট-ট্যাক্সের জাল কাগজপত্র তৈরি করে সেগুলো সার্ভে অফিসে জমা দিয়ে সার্ভে ও রেজিষ্ট্রেশন কাজ সম্পন্ন করে থাকেন। অনেক সময় জাল সার্ভে সনদও তৈরি করে দেন। ফলে সরকার মোটা অংকের রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হ”েছ। আর ভ্যাট,ট্যাক্সের টাকা ঢুকছে মোমিনের পকেটে।
নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ঢাকা ও খুলনার দু‘জন শীপ সার্ভেয়ার এন্ড ইঞ্জিনিয়ার তাকে এ কাজে সহায়তা করে থাকেন। এতে করে শত শত নৌযান জাল সনদে চলাচল করছে। একজন সরকারী কর্মচারি হয়ে মোমিন কিভাবে বছরের পর বছর এমন ভয়ংকর জাল জালিয়াতি ও চাকুরীর শৃংখলা ভংগমুলক কাজ করে যা”েছন সেটাই কারো বোধগম্য নয়।
সুত্রমতে নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের নৌযান সার্ভে,রেজি: ও ভ্যাট-ট্যাক্স খাতের কাজ করে মোমিন প্রতিমাসে কয়েক লক্ষ টাকা উপার্জন করছেন। তিনি বিআইডব্লিউটিএতে চাকুরী করে একদিকে বেতন ভাতা নি”েছন, অন্যদিকে নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের সার্ভে ও রেজি:এর কাজ করেও মোটা অংকের টাকা উপার্জন করছেন। তার অফিসে অভিযান চালালেই নৌযান সার্ভে, রেজি: ও ভ্যাট, ট্যাক্সের এর প্রচুর ফাইল বা কাগজপত্র পাওয়া যাবে। বিশেষ করে তার ব্যবহ্রত কম্পিউটার এর সেইভ ফাইল পরীক্ষা করলেই থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে। কেবল অফিসেই নয়, তার নিজের বাসার কম্পিউটারেও এ সংক্রান্ত প্রচুর ডকুমেন্টস রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিআইডব্লিউটিএর একজন পরিচালক বলেন, সরকারী একটি প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করে আরেকটি প্রতিষ্ঠানের ফাইল ওয়ার্ক করা বিভাগীয় অপরাধ। কোন কর্মচারি এমন অপরাধে জড়িত হলে তিনি বিভাগীয় শাস্তির মুখোমুখি হবেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মচারি মোমিন সাথে কথা বললে তিনি বলেন, হ্যা আমি নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের নৌযানের বালুবাহী ও মালবাহী নৌযানের সার্ভে ও রেজিষ্ট্রেশনের কাজ করি। আপনি আমার অফিসে আসেন।












