রবিবার (০৩ ডিসেম্বর) দুপুরে যাচাই-বাছাই শেষে তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল ও স্থগিত ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক ও নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম। এর আগে সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে ছয়টি আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শুরু হয়। পরে ছয়টি আসনে ৪১ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ, ছয় জনের বাতিল এবং আট জনের স্থগিত রাখার ঘোষণা দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
একইভাবে সাদিক আব্দুল্লাহর স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই তথ্য তিনি হলফনামায় গোপন করেছেন। অভিযোগ যাচাই-বাছাই করার জন্য তারও মনোনয়নপত্র স্থগিত রাখা হয়। এছাড়া কয়েকটি অভিযোগের কারণে আরও পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র স্থগিত করে রাখা হয়। তারা হলেন বরিশাল-৪ আসনে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোটের হৃদয় ইসলাম চুন্নু, একই দলের মো. আসাদুজ্জামান, বরিশাল-৬ আসনে বাকেরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল আলম চুন্নু, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মাঈনুল ইসলাম ও একই দলের হুমায়ুন কবির। সোমবার তাদের বিষয়েও সিদ্ধান্ত দেওয়ার কথা জানান রিটার্নিং কর্মকর্তা। এদিকে, বরিশাল-১ (আগৈলঝাড়া-গৌরনদী) আসনে চার প্রার্থীর মধ্যে জাকের পার্টির রিয়াজ মোর্শেদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেসের মিরাজ খান ও জাতীয় পার্টির (জেপি) আলবার্ট বাড়ৈর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। ঋণখেলাপি, মনোনয়নপত্র অসম্পূর্ণ থাকা ও কোর্ট ফি পরিশোধ না করায় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বরিশাল বাকেরগঞ্জ-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে তিন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। তারা হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকির খান ওরফে সাগর, শাহরিয়ার মিঞা ও নুর এ আলম সিকদার। স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার শর্ত হিসেবে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জমা দিলেও সেগুলোতে গরমিল পাওয়া গেছে তাদের। বরিশাল-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সংসদ সদস্য পংকজ নাথ বলেন, ‘যাকে নৌকার প্রার্থী করা হয়েছে, তার দ্বৈত নাগরিকত্ব রয়েছে। সে বিষয়টি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে তুলে ধরেছি। তার মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়ার সুযোগ নেই।’ এ ব্যাপারে শাম্মী আহম্মেদ বলেন, ‘বিহঙ্গ পরিবহনে পংকজ নাথের মালিকানা রয়েছে। সেই তথ্য তিনি হলফনামায় গোপন করেছেন। কাজেই তার মনোনয়নপত্র অবৈধ।’












