১২:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ কোটি টাকার ওয়েস্টবিন গায়েব

প্রতিনিধির নাম:
রাজধানীর সড়ক থেকে এখনো সরছে না যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দুই সিটি করপোরেশন কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ করলেও এখনো পুরোপুরি মিলছে না সুফল। সড়কে প্রায় ১০ কোটি টাকা খরচ করে ওয়েস্টবিন বসানোর পুরো টাকাই গচ্চা গেছে। যে ওয়েস্টবিনের এখন আর কোনো অস্তিত্ব নেই। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বর্তমানে বিভিন্ন ওয়ার্ডে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) নির্মাণের কাজ চলছে। তবে এখনো অনেক ওয়ার্ডই এই প্রকল্পের বাইরে রয়ে গেছে। জমি সংকটসহ বিভিন্ন কারণে এসব ওয়ার্ডে সড়কের ওপরেই ফেলা হচ্ছে বর্জ্য।

অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৬৩টিতে এসটিএস নির্মাণ করা হয়েছে। তিনটিতে নির্মাণ চলছে। বাকি ৯টি ওয়ার্ডে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা হচ্ছে উন্মুক্ত স্থানে। উন্মুক্ত কনটেইনারে রাখা হচ্ছে বর্জ্য অথবা যত্রতত্র পড়ে থাকছে ময়লা-আবর্জনা। আর এসটিএস নির্মাণে দুই সিটি করপোরেশন এরই মধ্যে ব্যয় করেছে ১ হাজার কোটি টাকারও বেশি।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিকল্পিতভাবে জমি অধিগ্রহণ করে এসটিএস নির্মাণের মাধ্যমে সড়কের ওপর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা থেকে সরে আসতে হবে। এক্ষেত্রে যত্রতত্র এসটিএস নির্মাণ করা যাবে না। বিশেষ করে স্কুল, কলেজ ও হাসপাতালের আশপাশে। এতে জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়বে।

এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী ইত্তেফাককে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ৬৩টি ওয়ার্ডে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন নির্মাণ করেছি। তিনটি ওয়ার্ডে কাজ চলমান। আর ৯টি ওয়ার্ডে জায়গা সংকটের কারণে বিলম্ব হচ্ছে। সে সব ওয়ার্ডে সড়কের পাশে কনটেইনার স্থাপন করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:২৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০২৩
১৭৪ বার পড়া হয়েছে

১০ কোটি টাকার ওয়েস্টবিন গায়েব

আপডেট সময় ০৯:২৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ নভেম্বর ২০২৩
রাজধানীর সড়ক থেকে এখনো সরছে না যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দুই সিটি করপোরেশন কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ করলেও এখনো পুরোপুরি মিলছে না সুফল। সড়কে প্রায় ১০ কোটি টাকা খরচ করে ওয়েস্টবিন বসানোর পুরো টাকাই গচ্চা গেছে। যে ওয়েস্টবিনের এখন আর কোনো অস্তিত্ব নেই। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বর্তমানে বিভিন্ন ওয়ার্ডে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) নির্মাণের কাজ চলছে। তবে এখনো অনেক ওয়ার্ডই এই প্রকল্পের বাইরে রয়ে গেছে। জমি সংকটসহ বিভিন্ন কারণে এসব ওয়ার্ডে সড়কের ওপরেই ফেলা হচ্ছে বর্জ্য।

অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৬৩টিতে এসটিএস নির্মাণ করা হয়েছে। তিনটিতে নির্মাণ চলছে। বাকি ৯টি ওয়ার্ডে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা হচ্ছে উন্মুক্ত স্থানে। উন্মুক্ত কনটেইনারে রাখা হচ্ছে বর্জ্য অথবা যত্রতত্র পড়ে থাকছে ময়লা-আবর্জনা। আর এসটিএস নির্মাণে দুই সিটি করপোরেশন এরই মধ্যে ব্যয় করেছে ১ হাজার কোটি টাকারও বেশি।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিকল্পিতভাবে জমি অধিগ্রহণ করে এসটিএস নির্মাণের মাধ্যমে সড়কের ওপর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা থেকে সরে আসতে হবে। এক্ষেত্রে যত্রতত্র এসটিএস নির্মাণ করা যাবে না। বিশেষ করে স্কুল, কলেজ ও হাসপাতালের আশপাশে। এতে জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়বে।

এ বিষয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী ইত্তেফাককে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ৬৩টি ওয়ার্ডে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন নির্মাণ করেছি। তিনটি ওয়ার্ডে কাজ চলমান। আর ৯টি ওয়ার্ডে জায়গা সংকটের কারণে বিলম্ব হচ্ছে। সে সব ওয়ার্ডে সড়কের পাশে কনটেইনার স্থাপন করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।’