০১:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সেই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিনিধির নাম:

আদালত মামলাটি গ্রহণ করে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয় কুড়িগ্রামের উপপরিচালককে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে বাদীর আইনজীবী ও সাবেক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আজিজুর রহমান দুলু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মামলায় জেলা শিক্ষা অফিসার শামসুল আলমসহ ৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে টিআর-কাবিখা প্রকল্প হতে সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৭ লাখ টাকা, বিদ্যালয়ের দোকানঘরের জামানত, মাসিক ভাড়া এবং নিয়োগ বাণিজ্যসহ সর্বমোট ২ কোটি ৫৫ লাখ ৪৪ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের কোনও ব্যাংক লেনদেন না করারও অভিযোগ আনা হয়েছে।

এদিকে প্রধান শিক্ষক উৎপল কান্তি রায় সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদসহ একাধিক পদে গোপনে জনবল নিয়োগের পাঁয়তারা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব পদের জন্য প্রায় অর্ধকোটি টাকা নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে কোনও কিছু বলা হচ্ছে না। এ নিয়ে স্কুলের শিক্ষক ও কর্মচারীদের সঙ্গেও গোপনীয়তা রাখা হয়েছে। জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রধান শিক্ষক গোপনে সকল প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়েছেন। তবে নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সার্বিক বিষয়ে জানতে প্রধান শিক্ষক উৎপল কান্তি রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘মামলার বিষয়টি আমি জানি না। তবে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভুয়া অভিযোগ আনা হয়েছে। আমি এসব নিয়ে আর কথা বলতে চাই না। বিদ্যালয়ে চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রশ্নে প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘এখনও নিয়োগ সম্পন্ন হয়নি।’ বাণিজ্যের অভিযোগ মিথ্যা ও ভুয়া বলে দাবি করেন তিনি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৪:৪৬:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩
২৮৪ বার পড়া হয়েছে

আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সেই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় ০৪:৪৬:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩

আদালত মামলাটি গ্রহণ করে দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয় কুড়িগ্রামের উপপরিচালককে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে বাদীর আইনজীবী ও সাবেক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আজিজুর রহমান দুলু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মামলায় জেলা শিক্ষা অফিসার শামসুল আলমসহ ৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে টিআর-কাবিখা প্রকল্প হতে সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৭ লাখ টাকা, বিদ্যালয়ের দোকানঘরের জামানত, মাসিক ভাড়া এবং নিয়োগ বাণিজ্যসহ সর্বমোট ২ কোটি ৫৫ লাখ ৪৪ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের কোনও ব্যাংক লেনদেন না করারও অভিযোগ আনা হয়েছে।

এদিকে প্রধান শিক্ষক উৎপল কান্তি রায় সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদসহ একাধিক পদে গোপনে জনবল নিয়োগের পাঁয়তারা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব পদের জন্য প্রায় অর্ধকোটি টাকা নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে কোনও কিছু বলা হচ্ছে না। এ নিয়ে স্কুলের শিক্ষক ও কর্মচারীদের সঙ্গেও গোপনীয়তা রাখা হয়েছে। জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রধান শিক্ষক গোপনে সকল প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়েছেন। তবে নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সার্বিক বিষয়ে জানতে প্রধান শিক্ষক উৎপল কান্তি রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘মামলার বিষয়টি আমি জানি না। তবে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভুয়া অভিযোগ আনা হয়েছে। আমি এসব নিয়ে আর কথা বলতে চাই না। বিদ্যালয়ে চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রশ্নে প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘এখনও নিয়োগ সম্পন্ন হয়নি।’ বাণিজ্যের অভিযোগ মিথ্যা ও ভুয়া বলে দাবি করেন তিনি।