০১:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পদন্নোতি কীর্তিতে বিসিএস ক্যাডারে ক্ষোভ!

প্রতিনিধির নাম:

 

বিশেষ প্রতিবেদক

জামায়াত-বিএনপি সমর্থিত, স্বাধীনতা বিরোধী পক্ষের আর্শীবাদপুষ্ট বিসিএস কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে পদন্নোতি প্রদান করায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এসএসবি কমিটির ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বাধীনতার স্বপক্ষের বিসিএস কর্মকর্তারা। তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ প্রতিবেদককে বলেন, বর্তমান দেশ পরিচালনা করছে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির আওয়ামী লীগ সরকার। যে কারণে প্রশাসনে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির কর্মকর্তাদের গুনুত্বপূর্ণ পদে পদন্নোতি পাওয়ার কথা। কিন্তু ইদানীং ঘটছে তার উল্টোটি। দেখা যাচ্ছে যে সব কর্মকর্তা সরকারের ভাবমুর্তি উজ্জল করা করার জন্য দিন রাত পরিশ্রম করছেন তাদের বাদ দিয়ে যে সব কর্মকর্তা জামায়াত-বিএনপির রাজনৈতিক পারপাস সার্ভ করছে তাদেরকে লোভনীয় পদে পদন্নোতি দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা ও ডিসিদের রিপোর্টও আমলে নেওয়া হচ্ছে না।

তথ্য অনুসন্ধানে জানাগেছে, গোয়েন্দা সংস্থা ও ডিসিদের নেতিবাচক রিপোর্ট থাকা সত্ত্বেও ওই সব কর্মকর্তাদের পদন্নোতি দেওয়া হেেয়ছে। গত বৃহস্প্রতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এসএসবি কমিটি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের এরকম ২৫ জন কর্মকর্তাকে পদন্নোতি দানের সারসংক্ষেপ তৈরী করে প্রধানন্ত্রীর কাছে প্রেরণ করে। গত রবিবার সেটির জিও করে প্রাণিনম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে বলে একটি বিশেষ সুত্রে জানাগেছে।

এই পদনোœতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে মো. শাহজামান খান তুহিন নামে প্রাণিসম্পদ ক্যাডারের একজন বিসিএস কর্মকর্তা রয়েছেন। যিনি বাংলাদেশ কৃষিবিশ্ববিদ্য্লয়ে ২ ছাত্রলীগ নেতা ( রনজিত ও কামাল) হত্যা মামলার ১৩ নং আসামী ছিলেন । মো. শাহজামাল খান তুহিন ১৯৯০-৯১ শিক্ষা বর্ষে ছাত্রদলের প্যানেলে বাকসুর সদস্য নির্বচিত হন। ১৯৯৩-৯৪ শিক্ষা বর্ষে ছাত্রদলের প্যানেলে বাকসুর সংস্কৃতিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। এই পদন্নোতির তালিকায় তার শীর্ষে রয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এসএসবি কমিটির এ ধরনের কর্মকান্ডে বিসিএস ক্যাডারের স্বাধীনতার স্বপক্ষের কর্মকর্তারা যারপর নাই বিস্মিত হয়েছেন। তাদের প্রশ্ন, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির সরকার ক্ষমতায় থাকার পরও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ ধরনের আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত নেয় কিভাবে ?

এ ক্ষেত্রে তারা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার জরুরী পদক্ষেপ কামনা করেছেন। এবং তারা অনতিবিলম্বে শাহাজামান খান তুহিনসহ এই ২৫ জন কর্মকর্তাদের মধ্যে স্বাধীনতার বিপক্ষের কর্মকর্তাদের পদন্নোতির জিও স্থগিত করে স্বাধীনতার স্বপক্ষের বিসিএস কর্মকর্তাদের পদন্নোতি বিবেচনা করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০১:০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জুন ২০২৩
২৯০ বার পড়া হয়েছে

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পদন্নোতি কীর্তিতে বিসিএস ক্যাডারে ক্ষোভ!

আপডেট সময় ০১:০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জুন ২০২৩

 

বিশেষ প্রতিবেদক

জামায়াত-বিএনপি সমর্থিত, স্বাধীনতা বিরোধী পক্ষের আর্শীবাদপুষ্ট বিসিএস কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে পদন্নোতি প্রদান করায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এসএসবি কমিটির ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বাধীনতার স্বপক্ষের বিসিএস কর্মকর্তারা। তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ প্রতিবেদককে বলেন, বর্তমান দেশ পরিচালনা করছে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির আওয়ামী লীগ সরকার। যে কারণে প্রশাসনে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির কর্মকর্তাদের গুনুত্বপূর্ণ পদে পদন্নোতি পাওয়ার কথা। কিন্তু ইদানীং ঘটছে তার উল্টোটি। দেখা যাচ্ছে যে সব কর্মকর্তা সরকারের ভাবমুর্তি উজ্জল করা করার জন্য দিন রাত পরিশ্রম করছেন তাদের বাদ দিয়ে যে সব কর্মকর্তা জামায়াত-বিএনপির রাজনৈতিক পারপাস সার্ভ করছে তাদেরকে লোভনীয় পদে পদন্নোতি দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা ও ডিসিদের রিপোর্টও আমলে নেওয়া হচ্ছে না।

তথ্য অনুসন্ধানে জানাগেছে, গোয়েন্দা সংস্থা ও ডিসিদের নেতিবাচক রিপোর্ট থাকা সত্ত্বেও ওই সব কর্মকর্তাদের পদন্নোতি দেওয়া হেেয়ছে। গত বৃহস্প্রতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এসএসবি কমিটি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের এরকম ২৫ জন কর্মকর্তাকে পদন্নোতি দানের সারসংক্ষেপ তৈরী করে প্রধানন্ত্রীর কাছে প্রেরণ করে। গত রবিবার সেটির জিও করে প্রাণিনম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে বলে একটি বিশেষ সুত্রে জানাগেছে।

এই পদনোœতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে মো. শাহজামান খান তুহিন নামে প্রাণিসম্পদ ক্যাডারের একজন বিসিএস কর্মকর্তা রয়েছেন। যিনি বাংলাদেশ কৃষিবিশ্ববিদ্য্লয়ে ২ ছাত্রলীগ নেতা ( রনজিত ও কামাল) হত্যা মামলার ১৩ নং আসামী ছিলেন । মো. শাহজামাল খান তুহিন ১৯৯০-৯১ শিক্ষা বর্ষে ছাত্রদলের প্যানেলে বাকসুর সদস্য নির্বচিত হন। ১৯৯৩-৯৪ শিক্ষা বর্ষে ছাত্রদলের প্যানেলে বাকসুর সংস্কৃতিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। এই পদন্নোতির তালিকায় তার শীর্ষে রয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এসএসবি কমিটির এ ধরনের কর্মকান্ডে বিসিএস ক্যাডারের স্বাধীনতার স্বপক্ষের কর্মকর্তারা যারপর নাই বিস্মিত হয়েছেন। তাদের প্রশ্ন, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির সরকার ক্ষমতায় থাকার পরও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ ধরনের আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত নেয় কিভাবে ?

এ ক্ষেত্রে তারা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার জরুরী পদক্ষেপ কামনা করেছেন। এবং তারা অনতিবিলম্বে শাহাজামান খান তুহিনসহ এই ২৫ জন কর্মকর্তাদের মধ্যে স্বাধীনতার বিপক্ষের কর্মকর্তাদের পদন্নোতির জিও স্থগিত করে স্বাধীনতার স্বপক্ষের বিসিএস কর্মকর্তাদের পদন্নোতি বিবেচনা করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন।