০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাফুফের দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদককে হাইকোর্টের নির্দেশ

প্রতিনিধির নাম:

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ব্যারিস্টার সুমন ফুটবল একাডেমির পক্ষে করা এক রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে গতকাল সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ দেন।

আগামী চার মাসের মধ্যে দুদককে এই অনুসন্ধান সম্পন্ন করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট বেঞ্চ। রুলে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী ও আবু নাঈম সোহাগের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাতের অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নিতে বিবাদীদের ব্যর্থতা বা নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, দুদকের চেয়ারম্যান, বিএফআইইউ প্রধান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ বাফুফের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।

আদালতের আদেশের বিষয়ে আইনজীবী সায়েদুল হক সুমন বলেন, ফিফার অনুদান এবং সরকার থেকে বরাদ্দ পাওয়া অর্থ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন কীভাবে কীভাবে খরচ করেছে, কোনো দুর্নীতি হয়েছে কিনা, সব বিষয়ে অনুসন্ধান

করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

গত ১৪ মে আর্থিক অনিয়ম এবং কাগজ জালিয়াতির দায়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগকে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা দুই বছরের জন্য সব ধরনের কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ করে। এ ছাড়া তাকে বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়।

আবু নাঈম সোহাগের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, ফিফার দেওয়া অর্থ বাফুফের খরচ দেখাতে তিনি ভুল ডকুমেন্ট দেখিয়েছেন। ফিফা শুনানি ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করেই এই শাস্তি দিয়েছে বলে তাদের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। গত ৩ মে বাফুফে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দুর্নীতি তদন্তের দাবি জানিয়ে দুদকে আবেদন করেন আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। এর ১১ দিন পর এসে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:৩৭:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০২৩
৩৯৪ বার পড়া হয়েছে

বাফুফের দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদককে হাইকোর্টের নির্দেশ

আপডেট সময় ০৬:৩৭:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ব্যারিস্টার সুমন ফুটবল একাডেমির পক্ষে করা এক রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে গতকাল সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ দেন।

আগামী চার মাসের মধ্যে দুদককে এই অনুসন্ধান সম্পন্ন করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট বেঞ্চ। রুলে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী ও আবু নাঈম সোহাগের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাতের অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নিতে বিবাদীদের ব্যর্থতা বা নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, দুদকের চেয়ারম্যান, বিএফআইইউ প্রধান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ বাফুফের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।

আদালতের আদেশের বিষয়ে আইনজীবী সায়েদুল হক সুমন বলেন, ফিফার অনুদান এবং সরকার থেকে বরাদ্দ পাওয়া অর্থ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন কীভাবে কীভাবে খরচ করেছে, কোনো দুর্নীতি হয়েছে কিনা, সব বিষয়ে অনুসন্ধান

করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

গত ১৪ মে আর্থিক অনিয়ম এবং কাগজ জালিয়াতির দায়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগকে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা দুই বছরের জন্য সব ধরনের কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ করে। এ ছাড়া তাকে বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়।

আবু নাঈম সোহাগের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, ফিফার দেওয়া অর্থ বাফুফের খরচ দেখাতে তিনি ভুল ডকুমেন্ট দেখিয়েছেন। ফিফা শুনানি ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করেই এই শাস্তি দিয়েছে বলে তাদের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। গত ৩ মে বাফুফে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দুর্নীতি তদন্তের দাবি জানিয়ে দুদকে আবেদন করেন আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। এর ১১ দিন পর এসে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন।