ভিডিওতে ডা. ওরকাতুল জান্নাত জানান, সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে তাদের বহনকারী বিমানটি শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমান থেকে নামার পর কেবল একটি ট্রলির জন্যই তাকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় প্রায় ৪০ মিনিট। এরপর শুরু হয় লাগেজের জন্য দীর্ঘ ও ক্লান্তিকর অপেক্ষা।
তিনি অভিযোগ করেন, অবতরণের প্রায় তিন ঘণ্টা পর লাগেজ পৌঁছালেও উমরাহযাত্রীদের আনা জমজমের পানি দেওয়া হয়নি। পানি বিমানে আনা হয়েছে কি না- তাও তাদের জানানো হয়নি। এ বিষয়ে তথ্য দেওয়ার মতো কোনো দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষকেও ব্যাগেজ বেল্ট এলাকায় দেখা যায়নি।
ভিডিওতে তিনি আরও তুলে ধরেন যে, ব্যাগেজ ক্লেইম এলাকায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার জন্য কোনো বসার বা বিশ্রামের ব্যবস্থা নেই। এছাড়া বয়স্ক মানুষদের যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। এমনকি বের হওয়ার পথেও তৈরি হয় দীর্ঘ লাইন ও চরম বিশৃঙ্খলা।
একই সময়ে কাতার থেকে আসা আরেক প্রবাসী যাত্রী প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার কথা জানান।
বিমানবন্দরের এমন ব্যবস্থার সঙ্গে তুলনা করে ডা. অরকাতুল বলেন, ‘দিস ইজ বাংলাদেশ বলা যায়, কিন্তু আগে তো এমন অবস্থা ছিল না। আগে সর্বোচ্চ ৪০ মিনিটের মতো লাগতো, আর এখন তিন ঘণ্টার বেশি অপেক্ষা করতে হচ্ছে।’
বিমানবন্দরের এমন লাগাতার অব্যবস্থাপনা নিয়ে যাত্রীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তবে ঠিক কবে এমন অব্যবস্থাপনার সমাধান হবে এমন প্রশ্ন যাত্রীদের।










