০৫:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতির পিতার হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিসিকে নতুন চেয়ারম্যান  সঞ্জয় কুমার ভৌমিক

প্রতিনিধির নাম:

বিশেষ প্রতিবেদক

পাহাড় পরিমাণ সমস্যা সমাধানের জন্য জাতির পিতার হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিসিকের হাল ধরার লক্ষ্যে যোগ্য ব্যক্তি হিসাবে বিসিকের চেয়ারম্যান পদে পদায়ন করা হয়েছে গ্রেড-১ পদ মর্যাদার কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার ভৌমিককে। আন্তরিকতা, সততা ও নিষ্ঠার সাথে পেশাদারসুল্ভ মনোভাবের মাধ্যমে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দৃঢ় মনোভাব দেখিয়ে ধৈয্যের সাথে এগিয়ে যেতে হবে নবাগত বিসিক চেয়ারম্যানকে। নবাগত বিসিক চেয়ারম্যানকে সর্ব প্রথমে দৃষ্টি নিবন্ধ করতে হবে প্রাতিষ্ঠানিক শৃংখলা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে । বিদায়ী চেয়ারম্যান বিসিককে একটি ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার সব ধরনের অপচেষ্টা করেছেন। প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি উস্কানীমূলক আচরণের মাধ্যমে বিসিকের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিলেন। সুকৌশলে দায়ভার চাপানোর চেষ্টা করেছেন বিসিকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপর। দীর্ঘ সময়ের অনুসন্ধানের আলোকে বিসিকের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিকট হ্তে প্রাপ্ত তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে বিদায়ী চেয়ারম্যান বিসিকের প্রশাসন বিভাগ এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মেরুদন্ড ভেংগে ফেলেছেন। উক্ত দুটি বিভাগে সৃষ্টি করেছেন বিশৃংখল অবস্থার। দুটি বিভাগে দক্ষ এবং অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের পদায়ন না করে পদায়ন করেছেন তার আজ্ঞাবহ অদক্ষ, অযোগ্য এবং নবনিযুক্ত কর্মকর্তাদেরকে। ৩০ বছর বা তারও বেশী সময় চাকুরী করে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা সঞ্চয়কারী কর্মকর্তাদের অধিকার ক্ষুন্ন করে তাদেরকে তুচ্ছ অজুহাতে বিভিন্নভাবে নাজেহাল করে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদেরকে উচ্চতর পদে পদায়ণ করে নিয়োগ বাণিজ্য এবং টেন্ডার বাণিজ্যর পথ প্রসস্থ করেছেন বিদায়ী চেয়ারম্যান। ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য বিদায়ী চেয়ারম্যান তৈরী করেছিলেন একটি সিন্ডিকেট। যে সিন্ডিকেটের প্রধান কর্তা ব্যক্তি হচ্ছেন সরোয়ার হোসেন, লবন সেল প্রধান (যিনি বিসিক চেয়ারম্যান, তার পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজ্নের বিভিন্নস্থানে ভ্রমণ ব্যয়, থাকা খাওয়ার খরচ,  বিভিন্ন উপহার সামগ্রী প্রদান খরচ বহন করেছেন অপ্রদর্শিত খাতের মাধ্যমে আহরণ করা অর্থ ব্যয়ের মাধ্যমে), সদস্য হচ্ছেন আসিফ উল হাসান,  উপব্যবস্থাপক, শৃংখলা শাখা (সারাক্ষণ কাজ করেন উচ্ছৃংখল), মোঃ নাজমুল হোসেন, কর্মী ব্যবস্থাপনা শাখা প্রধান (প্রশাসনিক বিষয়ে যার কোন ধ্যান ধারনা নেই এবং সারাক্ষণ তেলবাজি এবং মিথ্যা তথ্য প্রদানে তৎপর), মোঃ মনির হোসেন, সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, প্রকল্প বিভাগ (যাকে ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্বে নিয়োজিত করা হয়েছে), মোঃ আরিফ হোসেন, কর্মী ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা (যার বিরুদ্ধে সম্মানী ভাতার নামে সরকারী অর্থ আত্মসাত এর কারণে বানিজ্যিক নিরীক্ষা দপ্তরের নিরীক্ষা আপত্তি রয়েছে এবং নিয়োগ বানিজ্যের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে)। বিদায়ী চেয়ারম্যানের বে-আইনী কার্যক্রম, জাতীয় সংসদের অবমাননা, আদালত অবমাননা, অমানবিক আচরণ, মানবতাবিরোধী কার্যক্রম, সরকারী আদেশ নির্দেশ লংঘনের বিষয়ে দুবছর সময়কালে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক সংবাদ পত্র মাধ্যমে ৪০টির বেশী সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যার একটিরও প্রতিবাদ জানানো সম্ভব হয়নি তার পক্ষে। প্রতিবাদ জানানো সম্ভব না হওয়ার অন্যতম কারণটি হচ্ছে শতভাগ দালিলিক প্রমাণের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ। তিনি পেশাদারী মনোভাবের পরিবর্তে স্বেচ্ছাচারিতা এবং কর্তৃত্ববাদ এর মাধ্যমে দাপ্তরিক কার্য সম্পাদনে অতি মাত্রায় আগ্রহী ছিলেন। তিনি তার উত্তরসূরীর জন্য অনিষ্পন্ন রেখে গেছেন পাহাড় পরিমাণ কাজ। তেজগাওস্থ নব নির্মিত বিসিক ভবন বুঝে নেয়ার আগেই মেরামত, সংস্কার, পুনঃনির্মাণ খাতে প্রকৃত ব্যয়ের চেয়ে বেশী খরচ দেখিয়ে সরকারী অর্থের অপচয় এবং কৌশলগতভাবে আত্মসাত করেছেন কোটি টাকার উপর। এ কাজে তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেছেন মোঃ মনির হোসেন নামের একজন সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও পরিচালক পর্ষদের সদস্য মোঃ আব্দুল মতিন। সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, সহকারী সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও বিভিন্ন পদে কর্মচারী নিয়োগের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নামে সম্মাণী ভাতা ও নিয়োগ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কাজে দেড় কোটি টাকা ব্যয় করার পরও নিয়োগ কাজ সম্পন্ন করেননি, যার দায়ভার নবাগত চেয়ারম্যানের উপর বর্তাবে। সম্মানি ভাতা গ্রহন ও অন্যদেরকে প্রদানের ক্ষেত্রে অনুসরণ করেননি অর্থ মন্ত্রণালয়ের এতদসংক্রান্ত বিষয়ে জারীকৃত নির্দেশনা বা পরিপত্র। কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে এখতিয়ার বহির্ভুতভাবে বিদায়ের প্রাক্কালে ২ জনকে দৈনিক ভিত্তিক নিয়োগদানের মাধ্যমে দ্বিচারীতামূলক কাজ করেছেন বিদায়ী চেয়ারম্যান। বাজেট বরাদ্দ না থাকার অজুহাত দেখিয়ে পূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত দৈনিকভিত্তিক অফিস সহায়কদেরকে আউট সোর্সিং নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটিয়ে বে-আইনীভাবে হেল্পিং সার্ভিস নাম দিয়ে আউটসোর্সিং খাতের সেবা প্রদানে বাধ্য করেছেন।বিদায়ী চেয়ারম্যান নবাগত চেয়ারম্যানের জন্য রেখে যাচ্ছেন শতাধিক ডিপি বা বিভাগীয় কার্যব্যবস্থার এক জঞ্জাল।নবাগত বিসিক চেয়ারম্যানকে মনোনিবেশ করতে হবে লোভ, লালসার উর্ধে উঠে দেশপ্রেমে উদবুদ্ধ হয়ে  নিয়মতান্ত্রিক ধারায় কার্য সম্পাদন করে  বিসিকের সেবা প্রদান কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার নির্ধারিত অভীষ্ঠ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং বিদায়ী চেয়ারম্যানের বিকৃত মানসিকতার কারণে বিসিকের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার জন্য। নবাগত বিসিক চেয়ারম্যান  সঞ্জয় কুমার ভৌমিক এর হাত ধরে বিসিক নামক প্রতিষ্ঠানটি সামনের দিকে এগিয়ে যাবে এটাই সকলের প্রত্যাশা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:৩৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৪
২৪৪ বার পড়া হয়েছে

জাতির পিতার হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিসিকে নতুন চেয়ারম্যান  সঞ্জয় কুমার ভৌমিক

আপডেট সময় ১২:৩৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৪

বিশেষ প্রতিবেদক

পাহাড় পরিমাণ সমস্যা সমাধানের জন্য জাতির পিতার হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিসিকের হাল ধরার লক্ষ্যে যোগ্য ব্যক্তি হিসাবে বিসিকের চেয়ারম্যান পদে পদায়ন করা হয়েছে গ্রেড-১ পদ মর্যাদার কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার ভৌমিককে। আন্তরিকতা, সততা ও নিষ্ঠার সাথে পেশাদারসুল্ভ মনোভাবের মাধ্যমে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দৃঢ় মনোভাব দেখিয়ে ধৈয্যের সাথে এগিয়ে যেতে হবে নবাগত বিসিক চেয়ারম্যানকে। নবাগত বিসিক চেয়ারম্যানকে সর্ব প্রথমে দৃষ্টি নিবন্ধ করতে হবে প্রাতিষ্ঠানিক শৃংখলা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে । বিদায়ী চেয়ারম্যান বিসিককে একটি ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার সব ধরনের অপচেষ্টা করেছেন। প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি উস্কানীমূলক আচরণের মাধ্যমে বিসিকের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিলেন। সুকৌশলে দায়ভার চাপানোর চেষ্টা করেছেন বিসিকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপর। দীর্ঘ সময়ের অনুসন্ধানের আলোকে বিসিকের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিকট হ্তে প্রাপ্ত তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে বিদায়ী চেয়ারম্যান বিসিকের প্রশাসন বিভাগ এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মেরুদন্ড ভেংগে ফেলেছেন। উক্ত দুটি বিভাগে সৃষ্টি করেছেন বিশৃংখল অবস্থার। দুটি বিভাগে দক্ষ এবং অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের পদায়ন না করে পদায়ন করেছেন তার আজ্ঞাবহ অদক্ষ, অযোগ্য এবং নবনিযুক্ত কর্মকর্তাদেরকে। ৩০ বছর বা তারও বেশী সময় চাকুরী করে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা সঞ্চয়কারী কর্মকর্তাদের অধিকার ক্ষুন্ন করে তাদেরকে তুচ্ছ অজুহাতে বিভিন্নভাবে নাজেহাল করে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদেরকে উচ্চতর পদে পদায়ণ করে নিয়োগ বাণিজ্য এবং টেন্ডার বাণিজ্যর পথ প্রসস্থ করেছেন বিদায়ী চেয়ারম্যান। ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য বিদায়ী চেয়ারম্যান তৈরী করেছিলেন একটি সিন্ডিকেট। যে সিন্ডিকেটের প্রধান কর্তা ব্যক্তি হচ্ছেন সরোয়ার হোসেন, লবন সেল প্রধান (যিনি বিসিক চেয়ারম্যান, তার পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজ্নের বিভিন্নস্থানে ভ্রমণ ব্যয়, থাকা খাওয়ার খরচ,  বিভিন্ন উপহার সামগ্রী প্রদান খরচ বহন করেছেন অপ্রদর্শিত খাতের মাধ্যমে আহরণ করা অর্থ ব্যয়ের মাধ্যমে), সদস্য হচ্ছেন আসিফ উল হাসান,  উপব্যবস্থাপক, শৃংখলা শাখা (সারাক্ষণ কাজ করেন উচ্ছৃংখল), মোঃ নাজমুল হোসেন, কর্মী ব্যবস্থাপনা শাখা প্রধান (প্রশাসনিক বিষয়ে যার কোন ধ্যান ধারনা নেই এবং সারাক্ষণ তেলবাজি এবং মিথ্যা তথ্য প্রদানে তৎপর), মোঃ মনির হোসেন, সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, প্রকল্প বিভাগ (যাকে ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্বে নিয়োজিত করা হয়েছে), মোঃ আরিফ হোসেন, কর্মী ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা (যার বিরুদ্ধে সম্মানী ভাতার নামে সরকারী অর্থ আত্মসাত এর কারণে বানিজ্যিক নিরীক্ষা দপ্তরের নিরীক্ষা আপত্তি রয়েছে এবং নিয়োগ বানিজ্যের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে)। বিদায়ী চেয়ারম্যানের বে-আইনী কার্যক্রম, জাতীয় সংসদের অবমাননা, আদালত অবমাননা, অমানবিক আচরণ, মানবতাবিরোধী কার্যক্রম, সরকারী আদেশ নির্দেশ লংঘনের বিষয়ে দুবছর সময়কালে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক সংবাদ পত্র মাধ্যমে ৪০টির বেশী সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যার একটিরও প্রতিবাদ জানানো সম্ভব হয়নি তার পক্ষে। প্রতিবাদ জানানো সম্ভব না হওয়ার অন্যতম কারণটি হচ্ছে শতভাগ দালিলিক প্রমাণের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ। তিনি পেশাদারী মনোভাবের পরিবর্তে স্বেচ্ছাচারিতা এবং কর্তৃত্ববাদ এর মাধ্যমে দাপ্তরিক কার্য সম্পাদনে অতি মাত্রায় আগ্রহী ছিলেন। তিনি তার উত্তরসূরীর জন্য অনিষ্পন্ন রেখে গেছেন পাহাড় পরিমাণ কাজ। তেজগাওস্থ নব নির্মিত বিসিক ভবন বুঝে নেয়ার আগেই মেরামত, সংস্কার, পুনঃনির্মাণ খাতে প্রকৃত ব্যয়ের চেয়ে বেশী খরচ দেখিয়ে সরকারী অর্থের অপচয় এবং কৌশলগতভাবে আত্মসাত করেছেন কোটি টাকার উপর। এ কাজে তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেছেন মোঃ মনির হোসেন নামের একজন সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও পরিচালক পর্ষদের সদস্য মোঃ আব্দুল মতিন। সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, সহকারী সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও বিভিন্ন পদে কর্মচারী নিয়োগের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নামে সম্মাণী ভাতা ও নিয়োগ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কাজে দেড় কোটি টাকা ব্যয় করার পরও নিয়োগ কাজ সম্পন্ন করেননি, যার দায়ভার নবাগত চেয়ারম্যানের উপর বর্তাবে। সম্মানি ভাতা গ্রহন ও অন্যদেরকে প্রদানের ক্ষেত্রে অনুসরণ করেননি অর্থ মন্ত্রণালয়ের এতদসংক্রান্ত বিষয়ে জারীকৃত নির্দেশনা বা পরিপত্র। কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে এখতিয়ার বহির্ভুতভাবে বিদায়ের প্রাক্কালে ২ জনকে দৈনিক ভিত্তিক নিয়োগদানের মাধ্যমে দ্বিচারীতামূলক কাজ করেছেন বিদায়ী চেয়ারম্যান। বাজেট বরাদ্দ না থাকার অজুহাত দেখিয়ে পূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত দৈনিকভিত্তিক অফিস সহায়কদেরকে আউট সোর্সিং নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটিয়ে বে-আইনীভাবে হেল্পিং সার্ভিস নাম দিয়ে আউটসোর্সিং খাতের সেবা প্রদানে বাধ্য করেছেন।বিদায়ী চেয়ারম্যান নবাগত চেয়ারম্যানের জন্য রেখে যাচ্ছেন শতাধিক ডিপি বা বিভাগীয় কার্যব্যবস্থার এক জঞ্জাল।নবাগত বিসিক চেয়ারম্যানকে মনোনিবেশ করতে হবে লোভ, লালসার উর্ধে উঠে দেশপ্রেমে উদবুদ্ধ হয়ে  নিয়মতান্ত্রিক ধারায় কার্য সম্পাদন করে  বিসিকের সেবা প্রদান কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকার নির্ধারিত অভীষ্ঠ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং বিদায়ী চেয়ারম্যানের বিকৃত মানসিকতার কারণে বিসিকের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার জন্য। নবাগত বিসিক চেয়ারম্যান  সঞ্জয় কুমার ভৌমিক এর হাত ধরে বিসিক নামক প্রতিষ্ঠানটি সামনের দিকে এগিয়ে যাবে এটাই সকলের প্রত্যাশা।