বিসিআইসির দুটি তদন্তে উঠে এসেছে, বন্দর থেকে খালাসের পর পরিবহনের দায়িত্বে থাকা পোটন ট্রেডার্স ৭২ হাজার মেট্রিক টন রাসায়নিক সার গুদামে পৌঁছে না দিয়ে তা আত্মসাৎ করে। এতে সরকারের ৫৮২ কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি উঠে আসার পর আদালতে মামলাটি করা হয়।
মেসার্স পোটন ট্রেডার্স সাবেক সংসদ সদস্য কামরুল আশরাফ খানের (পোটন) মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। সার ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএ) সভাপতি তিনি। সংশ্লিষ্ট অনেকের দাবি, তিনিই মূলত দেশে সারের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করেন।
এ বিষয়ে কামরুল আশরাফ খানের বক্তব্য জানার চেষ্টা করে প্রথম আলো। তবে তাঁর অবস্থান নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে পোটন ট্রেডার্সের মহাব্যবস্থাপক শাহাদাত হোসেনের মুঠোফোনে কল করা ও খুদে বার্তা পাঠানো হয়। হোয়াটসঅ্যাপেও তাঁর নম্বরে প্রশ্ন লিখে পাঠানো হয়। তবে তিনি সাড়া দেননি।
এদিকে বিসিআইসির দুটি তদন্তে উঠে আসা তথ্য–উপাত্তের ভিত্তিতে গত ৫ জানুয়ারি ‘৫৮২ কোটি টাকার সার আত্মসাৎ’ শিরোনামে প্রথম আলোয় একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়। প্রতিবেদনটি নজরে আসার পর আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান করতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে, বিসিআইসি চেয়ারম্যানকে এই অভিযোগের বিষয়ে আদালতে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।











