০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবৈধ সুবিধা না পেয়ে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ: আইনগত পদক্ষেপ নিচ্ছেন ডাক বিভাগের পিডি প্রকৌশলী আনজীর আহমেদ

প্রতিনিধির নাম:

স্টাফ রিপোর্টার

প্রথমে ফোনে দেখা করার প্রস্তাব। পরবর্তীতে দল বেঁধে অফিসে যাবার ঘোষণা। শেষ পর্যন্ত দুদদকের টিম পাঠাচ্ছি বলে হুমকি । এরপর নানা কৌশলে অনৈতিক দাবী। সর্বশেষ অখ্যাত দৈনিক পত্রিকায় দুদকের বরাত দিয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে ওই পত্রিকা বিনামুল্যে ডাক বিভাগে বিতরণের মাধ্যমে একজন সরকারী কর্মকর্তার চাকুরী জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছেন সাংবাদিক নামধারী  কিছু পেশাদার চাঁদাবাজ।  তারা  দুদক থেকে প্রাপ্ত কথিত অভিযোগের সুত্রধরে কোন প্রকার দালিলিক প্রমাণ ছাড়াই সরেজমিন তদন্ত না করে এবং অভিযুক্ত কর্মকর্তার সাথে কথা না বলেই মনগড়া দুর্নীতির রিপোর্ট ছাপিয়ে সরকারী প্রকল্প বাস্তবায়নে বাঁধার সৃষ্টি করছেন বলে প্রমাণ পাওয়াগেছে।

চাঁদাবাজ সাংবাদিকদের টার্গেটের শিকার এই সরকারী কর্মকর্তার নাম মো: আনজির আহমেদ। তিনি বাংলাদেশ ডাক বিভাগের একজন প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক। নীতি-আদর্শবান ও অত্যন্ত কর্মঠ এই কর্মকর্তার কাছে অনৈতিক সুবিধা দাবী করে সেটি না পেয়ে তাকে বিতর্কিত করার জন্য এবং চাকরি জীবনের সুনাম নষ্ঠ করার অভিপ্রায়ে পরিকল্পিত তথ্য সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে বলে ডাক বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারি মন্তব্য করেছেন।

এ বিষয়ে দুদকের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তিনি জানান, প্রতিদিন নামে বেনামে শতশত দরখাস্ত জমা পড়ে দুদক কার্যালয়ে । মাস শেষে সেগুলো যাচাই বাছাই করে আমলে নেবারমত উপাদান থাকা অভিযোগগুলোই আমরা অনুসন্ধানের জন্য নির্বাচন করি। পরবর্তীতে সেগুলো প্রাথমিক তদন্ত করতে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে সরকারী কোন উন্নয়ন প্রকল্পের বিষয় হলে সেগুলো আমরা সতর্কতার সাথে বিবেচনা করে থাকি। কেননা প্রায়ই দেখা যায় উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারে কাজ না পেয়ে ঠিকাদাররা মনগড়া ভিত্তিহীন অভিযোগ নামে বেনামে দুদকে জমা দেন। সেগুলো হয়রাণীমূলক ও সরকারি কাজে বাধা সষ্টির সামিল অপরাধ।

তিনি আরো বলেন, ডাক বিভাগের পিডি প্রকৌশলী মো: আনজির আহমেদ এর বিষয়ে কোন লিখিত অভিযোগ এখনো আমাদের নজরে আসেনি। তাই এ বিষয়ে কিছু বলতে পারবো না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডাক বিভাগের পিডি প্রকৌশলী আনজির আহমেদ বলেন, আজ এক সপ্তাহ যাবৎ অচেনা অনেকে ফোন করে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে আমার সাথে দেখা করার সময় চাচ্ছেন। তারা এমন এমন সব পত্রিকার নাম বলছেন যার নাম কোন দিন শুনিনি। তবে প্রথম শ্রেণির কোন দৈনিক থেকে কোন সাংবাদিক আমাকে ফোন দেননি।

তারা ফোন করেই বলেন আপনি ডাক বিভাগের পিডি হয়ে অবৈধপথে শতশত টাকা ও সম্পদ অর্জন করেছেন। আপনার বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ জমা পড়েছে। তাই আপনার বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন। আমি তাদেরকে ফোনেই কথা বলতে অনুরোধ জানালে তারা বলেন সরাসরি কথা বলতে হবে। আপনি অফিসে থাকুন আমরা আসছি। প্রতিদিনই তারা এভাবে মানষিক পেইন দিচ্ছে। যে কারণে আমি সরকারি উন্নয়ন কাজে মনোনিবেশ করতে পারছি না। প্রকল্পের কাজও বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। আমি বিষয়টি আমার মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ডাক বিভাগের মহাপরিচলককে জানিয়েছি। তাঁরা আমাকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দিয়েছেন। যারা প্রতিনিয়ত ফোন করে আমাকে নিউজ করার হুমকি দিচ্ছেন আমি তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে আমার আইন উপদেষ্টাকে নির্দেশ দিয়েছি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:৩২:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২
২০৬ বার পড়া হয়েছে

অবৈধ সুবিধা না পেয়ে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ: আইনগত পদক্ষেপ নিচ্ছেন ডাক বিভাগের পিডি প্রকৌশলী আনজীর আহমেদ

আপডেট সময় ০৯:৩২:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২

স্টাফ রিপোর্টার

প্রথমে ফোনে দেখা করার প্রস্তাব। পরবর্তীতে দল বেঁধে অফিসে যাবার ঘোষণা। শেষ পর্যন্ত দুদদকের টিম পাঠাচ্ছি বলে হুমকি । এরপর নানা কৌশলে অনৈতিক দাবী। সর্বশেষ অখ্যাত দৈনিক পত্রিকায় দুদকের বরাত দিয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে ওই পত্রিকা বিনামুল্যে ডাক বিভাগে বিতরণের মাধ্যমে একজন সরকারী কর্মকর্তার চাকুরী জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছেন সাংবাদিক নামধারী  কিছু পেশাদার চাঁদাবাজ।  তারা  দুদক থেকে প্রাপ্ত কথিত অভিযোগের সুত্রধরে কোন প্রকার দালিলিক প্রমাণ ছাড়াই সরেজমিন তদন্ত না করে এবং অভিযুক্ত কর্মকর্তার সাথে কথা না বলেই মনগড়া দুর্নীতির রিপোর্ট ছাপিয়ে সরকারী প্রকল্প বাস্তবায়নে বাঁধার সৃষ্টি করছেন বলে প্রমাণ পাওয়াগেছে।

চাঁদাবাজ সাংবাদিকদের টার্গেটের শিকার এই সরকারী কর্মকর্তার নাম মো: আনজির আহমেদ। তিনি বাংলাদেশ ডাক বিভাগের একজন প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক। নীতি-আদর্শবান ও অত্যন্ত কর্মঠ এই কর্মকর্তার কাছে অনৈতিক সুবিধা দাবী করে সেটি না পেয়ে তাকে বিতর্কিত করার জন্য এবং চাকরি জীবনের সুনাম নষ্ঠ করার অভিপ্রায়ে পরিকল্পিত তথ্য সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে বলে ডাক বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারি মন্তব্য করেছেন।

এ বিষয়ে দুদকের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তিনি জানান, প্রতিদিন নামে বেনামে শতশত দরখাস্ত জমা পড়ে দুদক কার্যালয়ে । মাস শেষে সেগুলো যাচাই বাছাই করে আমলে নেবারমত উপাদান থাকা অভিযোগগুলোই আমরা অনুসন্ধানের জন্য নির্বাচন করি। পরবর্তীতে সেগুলো প্রাথমিক তদন্ত করতে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে সরকারী কোন উন্নয়ন প্রকল্পের বিষয় হলে সেগুলো আমরা সতর্কতার সাথে বিবেচনা করে থাকি। কেননা প্রায়ই দেখা যায় উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারে কাজ না পেয়ে ঠিকাদাররা মনগড়া ভিত্তিহীন অভিযোগ নামে বেনামে দুদকে জমা দেন। সেগুলো হয়রাণীমূলক ও সরকারি কাজে বাধা সষ্টির সামিল অপরাধ।

তিনি আরো বলেন, ডাক বিভাগের পিডি প্রকৌশলী মো: আনজির আহমেদ এর বিষয়ে কোন লিখিত অভিযোগ এখনো আমাদের নজরে আসেনি। তাই এ বিষয়ে কিছু বলতে পারবো না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডাক বিভাগের পিডি প্রকৌশলী আনজির আহমেদ বলেন, আজ এক সপ্তাহ যাবৎ অচেনা অনেকে ফোন করে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে আমার সাথে দেখা করার সময় চাচ্ছেন। তারা এমন এমন সব পত্রিকার নাম বলছেন যার নাম কোন দিন শুনিনি। তবে প্রথম শ্রেণির কোন দৈনিক থেকে কোন সাংবাদিক আমাকে ফোন দেননি।

তারা ফোন করেই বলেন আপনি ডাক বিভাগের পিডি হয়ে অবৈধপথে শতশত টাকা ও সম্পদ অর্জন করেছেন। আপনার বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ জমা পড়েছে। তাই আপনার বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন। আমি তাদেরকে ফোনেই কথা বলতে অনুরোধ জানালে তারা বলেন সরাসরি কথা বলতে হবে। আপনি অফিসে থাকুন আমরা আসছি। প্রতিদিনই তারা এভাবে মানষিক পেইন দিচ্ছে। যে কারণে আমি সরকারি উন্নয়ন কাজে মনোনিবেশ করতে পারছি না। প্রকল্পের কাজও বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। আমি বিষয়টি আমার মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ডাক বিভাগের মহাপরিচলককে জানিয়েছি। তাঁরা আমাকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দিয়েছেন। যারা প্রতিনিয়ত ফোন করে আমাকে নিউজ করার হুমকি দিচ্ছেন আমি তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে আমার আইন উপদেষ্টাকে নির্দেশ দিয়েছি।