১২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হচ্ছেন ত্যাগী নেতা রানা আমীর ওসমান

প্রতিনিধির নাম:

মাগুরা প্রতিনিধি

আগামী ৮ জানুয়ারি ২০২২ মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের তারিখ নির্দ্ধারণ করা হয়েছে। সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা হতেই মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধি করেছেন। অনেকেই প্রত্যাশিত পদে প্রার্থীতা ঘোষণা দিয়ে মাঠে নেমে পড়েছেন। কেন্দ্রীয় নেতাদের ভাষ্যমতে এবারের কাউন্সিলে ত্যাগী নেতাদের মুল্যায়ন করা হবে। দলের প্রতি অবদান নেই এমন কোন নেতাকে পদ প্রদান করা হবে না। এতদিন যারা মান অভিমানে দলীয় কর্মকান্ড থেকে দুরে রয়েছেন তাদেরকে পদে বসিয়ে সক্রিয় করা হবে। এটাই দলীয় সভানেত্রী দেশরতœ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ। কেন্দ্রীয় নেতাদের এমন আশ্বাসের প্র্রেক্ষিতে জেলার ত্যাগী নেতারা আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। তারা আসন্ন কাউন্সিলে প্রার্থী হবেন বলে জানিয়েছেন।
এই কাউন্সিলে নিজেকে সাধারন সম্পাদক প্রার্থী ঘোষণা দিয়েছেন নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের লড়াকু সৈনিক ও সর্বজন গ্রহণযোগ্য ত্যাগী নেতা,বর্তমান জেলা কমিটির ত্রান ও সমাজ সেবা সম্পাদক জননেতা রানা আমীর ওসমান। তার সম্পর্কে খোজখবর নিয়ে জানাগেছে,জাতির পিতার আদর্শিক রাজনৈতিক চর্চা করে যেক’জন নেতা মাগুরায় পাহাড়সম জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম রানা আমীর ওসমান। তার আচার-ব্যবহার, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা,জনকল্যাণমূলক কর্মকান্ড ও নি:স্বার্থ মানব সেবা আজকের রাজনীতিতে সত্যিই বিরল। তিনি মাত্র ৩ দশকের রাজনৈতিক সেবায় একজন প্রকৃত জননেতার শীর্ষচুড়া স্পর্শ করেছেন। রাজনীতি ক্ষমতার বাহাদুরী বা ভোগ বিলাশী জীবন চর্চার মখমল আসন নয়, তার কাছে রাজনীতি হল; দেশ ও জনকল্যাণের চিরন্তন মানবিক যুদ্ধ। সেই যুদ্ধের ময়দানে যেমন অনিশ্চিত জীবন শংকা রয়েছে। তেমন রয়েছে আত্মতৃপ্তির প্রবাহিক রংধনু সীমান্ত। যা মানব জীবনকে সাম্যক অর্থে কালজয়ী করে রাখে। তিনি গণমানুষের মন-মননে বেঁচে থাকেন হাজার বছর। এটাই একজন রাজনৈতিকের প্রধান লক্ষ্য। এ জন্যেই তিনি রাজনীতি করেন।
রানা আমীর ওসমানকে বলা হয় রাজপথের লড়াকু সৈনিক। তিনি ভাংতে জানেন কিন্তু মচকাতে জানেন না। ছাত্র জীবন থেকেই নীতি-আদর্শে অবিচল তিনি। চাঁদাবাজী,টেন্ডারবাজী ও সন্ত্রাস নাশকতা মার্কা নষ্ট রাজনীতিকে তিনি চরম ঘৃনা করেন। যারা রাজনীতির এই নোংরা ধারার ধারক -বাহক তাদেরকে তিনি এড়িয়ে চলেন। আর এ কারণেই তিনি সর্বমহলে গ্রহনযোগ্য ও সমান জনপ্রিয় একজন ত্যাগী নেতা।

রাজনৈতিক অতীত :
রানা আমীর ওসমান ১৯৭৪ সালে মাগুরা জেলার ভায়না গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। তার পিতা মরহুম মো: সাখাওয়াৎ হোসেন ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা যে কোন অন্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদী কন্ঠ ছিলেন তিনি। মায়ের নাম পিয়ারি বেগম। শিক্ষাগত জীবনে বিএ পাশ করেছেন। বিবাহ করেছেন প্রায় একদশক আগে। ৮০’র দশকে তিনি বাংলাদেশ ছাত্র লীগের রাজনীতিতে যুক্ত হন। অতি অল্প সময়েই যোগ্য নেতৃত্ব দিয়ে জেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের মন জয় করেন। ১৯৮৯ সালে তিনি মাগুরা পৌর ছাত্র লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক পদে মনোনিত হন। ১৯৯১ সালে জেলা ছাত্র লীগের সদস্যতা পান। ১৯৯২ সালে মাগুরা সরকারী কলেজ ছাত্র সংসদের সহ সমাজ সেবা সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯৪-১৯৯৮ মেয়াদে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জাতীয় কার্যকরী সংসদের সদস্য মনোনিত হন। ১৯৯৮-২০০৩ মেয়াদে তিনি বাংলাদেশ ছাত্র লীগ মাগুরা জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০৩ -২০১৭ সাল পর্যন্ত তিনি স্বেচ্ছাসেবক লীগ মাগুরা জেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মাগুরা জেলা শাখার ত্রান ও সমাজ সেবা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি যেসব সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত আছেন সেগুলো হল; যুগ্ম সাধারন সম্পাদক,মাগুরা জেলা ক্রীড়া সংস্থা, ( ৪ বার নির্বাচিত) পরিচালক,মাগুরা সমবায় ব্যাংক,( ২ বার নির্বাচিত) সহসভাপতি, কেন্দ্রিয় সমবায় সমিতি,মাগুরা, সদস্য,বাংলাদেশ এথেলেটিক ফেডারেশন । রাজনৈতিক জীবনে তিনি অনেকবার কারাবরণ করেছেন। ১৯৮৯ হতে ১৯৯০ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ৪ টি মামলার আসামী হয়ে কারাবরণ করেন। বিএনপি- জামায়াত সরকার বিরোধী আন্দোলনে ৯/১০ টি মামলার অসামী হয়ে কারাবরণ করেন। ২০০১ হতে ২০০৬ সাল পর্যন্ত জামায়াত-বিএনপি সরকার বিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভুমিকা পালন করেন। সে কারণে তিনি নিজ বাড়ীতে হামলার শিকার হন।

আগামীর অভিযাত্রা:
যে কোন রাজনৈতিক নেতারই চুড়ান্ত লক্ষ্যই থাকে শীর্ষ নেতৃত্ব ও নিজ এলাকাকে উন্নয়ন সোপানে সম্পৃক্ত রাখা। বুকের গভীরে তিল তিল করে জমে থাকা স্বপ্নগুলোকে বাস্তবে রুপদান করা। এলাকাবাসীর জন্য অনুস্মরণীয় কিছু কাজ করে যাওয়া। মাগুরার গণ মানুষের নেতা রানা আমীর ওসমানও এমন কিছু স্বপ্ন তার বুকের গভীরে লালন করেন। সেজন্য দলের তৃণমুল নেতা-কর্মীদের সাথে গভীর সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। তাদের বিপদে আপদে পাশে গিয়ে দাঁড়ান। সাধ্যমত আর্থিক সাহায্য করেন। আওয়ামী লীগের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের ডাকে সাড়া দেন।
দিন রাতের ২৪ ঘন্টার সিংহভাগ সময়ই তিনি দলের জন্য ব্যয় করেন। তিনি উপকার করে কারো কাছ থেকে প্রতিদান নেন না। নেতা-কর্মী ও সাধারন মানুষের জন্য তার বাড়ীর দরজা সব সময়ই উমুক্ত থাকে। আর এ কারণেই তার প্রতি নেতা -কর্মীদের অগাধ আস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন:
এ প্রসংগে কথা হয় মাগুরা জেলা,সদর উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতা কর্মীদের সাথে। তারা সকলেই প্রায় একই সুরে বলেন, ত্যাগী ও পরিচ্ছন্ন নেতা হিসাবে রানা আমীর ওসমানের কোন বিকল্প নেই। তার ব্যবহার, রাজনীতি, আদর্শ, জনসেবা সবই অনুকরণ ও অনুস্মরণযোগ্য। তিনি মাগুরা নেতা-কর্মীদের কাছে বিধাতার আর্শিবাদ স্বরুপ। তারা আরো বলেন, করোনা ক্রান্তিকালে রানা আমীর ওসমান তার ব্যাক্তিগত তহবীল থেকে জেলাবাসীকে যে পরিমাণ খাদ্য ও অর্থ সহায়তা দিয়েছেন তা অবিশ্বাস্য। তারমত আরো কিছূ নেতা থাকলে মাগুরাবাসীর মুখে হাসি আনন্দ চিরস্থায়ী হত। তারা এও মনে করেন যে, তার মত নেতা আসন্ন কাউন্সিলে মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পেলে জেলার রাজনীতির চরিত্রই পাল্টে যাবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০১:৩২:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ নভেম্বর ২০২১
২৫৩ বার পড়া হয়েছে

মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হচ্ছেন ত্যাগী নেতা রানা আমীর ওসমান

আপডেট সময় ০১:৩২:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ নভেম্বর ২০২১

মাগুরা প্রতিনিধি

আগামী ৮ জানুয়ারি ২০২২ মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের তারিখ নির্দ্ধারণ করা হয়েছে। সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা হতেই মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধি করেছেন। অনেকেই প্রত্যাশিত পদে প্রার্থীতা ঘোষণা দিয়ে মাঠে নেমে পড়েছেন। কেন্দ্রীয় নেতাদের ভাষ্যমতে এবারের কাউন্সিলে ত্যাগী নেতাদের মুল্যায়ন করা হবে। দলের প্রতি অবদান নেই এমন কোন নেতাকে পদ প্রদান করা হবে না। এতদিন যারা মান অভিমানে দলীয় কর্মকান্ড থেকে দুরে রয়েছেন তাদেরকে পদে বসিয়ে সক্রিয় করা হবে। এটাই দলীয় সভানেত্রী দেশরতœ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ। কেন্দ্রীয় নেতাদের এমন আশ্বাসের প্র্রেক্ষিতে জেলার ত্যাগী নেতারা আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। তারা আসন্ন কাউন্সিলে প্রার্থী হবেন বলে জানিয়েছেন।
এই কাউন্সিলে নিজেকে সাধারন সম্পাদক প্রার্থী ঘোষণা দিয়েছেন নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের লড়াকু সৈনিক ও সর্বজন গ্রহণযোগ্য ত্যাগী নেতা,বর্তমান জেলা কমিটির ত্রান ও সমাজ সেবা সম্পাদক জননেতা রানা আমীর ওসমান। তার সম্পর্কে খোজখবর নিয়ে জানাগেছে,জাতির পিতার আদর্শিক রাজনৈতিক চর্চা করে যেক’জন নেতা মাগুরায় পাহাড়সম জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম রানা আমীর ওসমান। তার আচার-ব্যবহার, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা,জনকল্যাণমূলক কর্মকান্ড ও নি:স্বার্থ মানব সেবা আজকের রাজনীতিতে সত্যিই বিরল। তিনি মাত্র ৩ দশকের রাজনৈতিক সেবায় একজন প্রকৃত জননেতার শীর্ষচুড়া স্পর্শ করেছেন। রাজনীতি ক্ষমতার বাহাদুরী বা ভোগ বিলাশী জীবন চর্চার মখমল আসন নয়, তার কাছে রাজনীতি হল; দেশ ও জনকল্যাণের চিরন্তন মানবিক যুদ্ধ। সেই যুদ্ধের ময়দানে যেমন অনিশ্চিত জীবন শংকা রয়েছে। তেমন রয়েছে আত্মতৃপ্তির প্রবাহিক রংধনু সীমান্ত। যা মানব জীবনকে সাম্যক অর্থে কালজয়ী করে রাখে। তিনি গণমানুষের মন-মননে বেঁচে থাকেন হাজার বছর। এটাই একজন রাজনৈতিকের প্রধান লক্ষ্য। এ জন্যেই তিনি রাজনীতি করেন।
রানা আমীর ওসমানকে বলা হয় রাজপথের লড়াকু সৈনিক। তিনি ভাংতে জানেন কিন্তু মচকাতে জানেন না। ছাত্র জীবন থেকেই নীতি-আদর্শে অবিচল তিনি। চাঁদাবাজী,টেন্ডারবাজী ও সন্ত্রাস নাশকতা মার্কা নষ্ট রাজনীতিকে তিনি চরম ঘৃনা করেন। যারা রাজনীতির এই নোংরা ধারার ধারক -বাহক তাদেরকে তিনি এড়িয়ে চলেন। আর এ কারণেই তিনি সর্বমহলে গ্রহনযোগ্য ও সমান জনপ্রিয় একজন ত্যাগী নেতা।

রাজনৈতিক অতীত :
রানা আমীর ওসমান ১৯৭৪ সালে মাগুরা জেলার ভায়না গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। তার পিতা মরহুম মো: সাখাওয়াৎ হোসেন ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা যে কোন অন্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদী কন্ঠ ছিলেন তিনি। মায়ের নাম পিয়ারি বেগম। শিক্ষাগত জীবনে বিএ পাশ করেছেন। বিবাহ করেছেন প্রায় একদশক আগে। ৮০’র দশকে তিনি বাংলাদেশ ছাত্র লীগের রাজনীতিতে যুক্ত হন। অতি অল্প সময়েই যোগ্য নেতৃত্ব দিয়ে জেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের মন জয় করেন। ১৯৮৯ সালে তিনি মাগুরা পৌর ছাত্র লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক পদে মনোনিত হন। ১৯৯১ সালে জেলা ছাত্র লীগের সদস্যতা পান। ১৯৯২ সালে মাগুরা সরকারী কলেজ ছাত্র সংসদের সহ সমাজ সেবা সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯৪-১৯৯৮ মেয়াদে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জাতীয় কার্যকরী সংসদের সদস্য মনোনিত হন। ১৯৯৮-২০০৩ মেয়াদে তিনি বাংলাদেশ ছাত্র লীগ মাগুরা জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০৩ -২০১৭ সাল পর্যন্ত তিনি স্বেচ্ছাসেবক লীগ মাগুরা জেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মাগুরা জেলা শাখার ত্রান ও সমাজ সেবা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি যেসব সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত আছেন সেগুলো হল; যুগ্ম সাধারন সম্পাদক,মাগুরা জেলা ক্রীড়া সংস্থা, ( ৪ বার নির্বাচিত) পরিচালক,মাগুরা সমবায় ব্যাংক,( ২ বার নির্বাচিত) সহসভাপতি, কেন্দ্রিয় সমবায় সমিতি,মাগুরা, সদস্য,বাংলাদেশ এথেলেটিক ফেডারেশন । রাজনৈতিক জীবনে তিনি অনেকবার কারাবরণ করেছেন। ১৯৮৯ হতে ১৯৯০ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ৪ টি মামলার আসামী হয়ে কারাবরণ করেন। বিএনপি- জামায়াত সরকার বিরোধী আন্দোলনে ৯/১০ টি মামলার অসামী হয়ে কারাবরণ করেন। ২০০১ হতে ২০০৬ সাল পর্যন্ত জামায়াত-বিএনপি সরকার বিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভুমিকা পালন করেন। সে কারণে তিনি নিজ বাড়ীতে হামলার শিকার হন।

আগামীর অভিযাত্রা:
যে কোন রাজনৈতিক নেতারই চুড়ান্ত লক্ষ্যই থাকে শীর্ষ নেতৃত্ব ও নিজ এলাকাকে উন্নয়ন সোপানে সম্পৃক্ত রাখা। বুকের গভীরে তিল তিল করে জমে থাকা স্বপ্নগুলোকে বাস্তবে রুপদান করা। এলাকাবাসীর জন্য অনুস্মরণীয় কিছু কাজ করে যাওয়া। মাগুরার গণ মানুষের নেতা রানা আমীর ওসমানও এমন কিছু স্বপ্ন তার বুকের গভীরে লালন করেন। সেজন্য দলের তৃণমুল নেতা-কর্মীদের সাথে গভীর সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। তাদের বিপদে আপদে পাশে গিয়ে দাঁড়ান। সাধ্যমত আর্থিক সাহায্য করেন। আওয়ামী লীগের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের ডাকে সাড়া দেন।
দিন রাতের ২৪ ঘন্টার সিংহভাগ সময়ই তিনি দলের জন্য ব্যয় করেন। তিনি উপকার করে কারো কাছ থেকে প্রতিদান নেন না। নেতা-কর্মী ও সাধারন মানুষের জন্য তার বাড়ীর দরজা সব সময়ই উমুক্ত থাকে। আর এ কারণেই তার প্রতি নেতা -কর্মীদের অগাধ আস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন:
এ প্রসংগে কথা হয় মাগুরা জেলা,সদর উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতা কর্মীদের সাথে। তারা সকলেই প্রায় একই সুরে বলেন, ত্যাগী ও পরিচ্ছন্ন নেতা হিসাবে রানা আমীর ওসমানের কোন বিকল্প নেই। তার ব্যবহার, রাজনীতি, আদর্শ, জনসেবা সবই অনুকরণ ও অনুস্মরণযোগ্য। তিনি মাগুরা নেতা-কর্মীদের কাছে বিধাতার আর্শিবাদ স্বরুপ। তারা আরো বলেন, করোনা ক্রান্তিকালে রানা আমীর ওসমান তার ব্যাক্তিগত তহবীল থেকে জেলাবাসীকে যে পরিমাণ খাদ্য ও অর্থ সহায়তা দিয়েছেন তা অবিশ্বাস্য। তারমত আরো কিছূ নেতা থাকলে মাগুরাবাসীর মুখে হাসি আনন্দ চিরস্থায়ী হত। তারা এও মনে করেন যে, তার মত নেতা আসন্ন কাউন্সিলে মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পেলে জেলার রাজনীতির চরিত্রই পাল্টে যাবে।