১২:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৮ জানুয়ারি মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন : সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্য প্রার্থী যারা

প্রতিনিধির নাম:

রোস্তম মল্লিক

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে খুলনা বিভাগের অন্তর্গত উপজেলা ও পৌরসভা এবং জানুয়ারির মধ্যে সব জেলার সম্মেলন শেষ করতে চায় আওয়ামী লীগের বিভাগীয় সাংগঠনিক টিম। পাশাপাশি এই সময়ের মধ্যে নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভেদ বা দ্বন্দ¦ও দূর করতে চান টিমের সদস্যরা। শনিবার বিভাগীয় টিমের বৈঠকে বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে আওয়ামী লীগের সভাপতিন্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আমিরুল ইসলাম মিলন, পারভীন জামান কল্পনা ও অ্যাডভোকেট গ্লোরিয়া সরকার ঝর্ণা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক সূত্র জানায়, বেলা ১১টায় আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সভা শুরু হয়ে দুপুর পর্যন্ত চলে। সভায় খুলনা বিভাগে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অবস্থা পর্যালোচনা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।
জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, বৈঠকে চারটি জেলার সম্মেলনের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটির তারিখ আগেই চূড়ান্ত ছিল। বাকি একটি জেলার বর্ধিত সভার তারিখ চূড়ান্ত হয়েছে। সেটির সম্মেলনের তারিখও দ্রুত হয়ে যাবে। তিনি বলেন, সম্মেলনগুলো সফল করতে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে নানা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকব। তাদের কীভাবে আরও ঐক্যবদ্ধ করা যায়, নির্বাচনে কীভাবে জনসমর্থন আরও বাড়ানো যায়-এসব বিষয় নিয়ে আমরা কাজ করব।
জানা যায়, খুলনা বিভাগে আওয়ামী লীগের ১১টি সাংগঠনিক জেলা কমিটি রয়েছে। সেগুলো হলো-মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, নড়াইল, বাঘেরহাট, খুলনা মহানগর, খুলনা জেলা ও সাতক্ষীরা। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনের আগে এবং পরে কুষ্টিয়া, যশোর, নড়াইল, বাঘেরহাট, খুলনা মহানগর, খুলনা জেলা ও সাতক্ষীরা জেলার সম্মেলন হয়েছে। এগুলোর কমিটিও পূর্ণাঙ্গ করা হয়েছে।
এখনো চারটি জেলায় সম্মেলন বাকি আছে। সেগুলো হলো-মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও মাগুরা। এর মধ্যে তিনটি জেলার সম্মেলনের তারিখ চূড়ান্ত হয়েছে। মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হবে আগামী ৮ জানুয়ারি। ২২ সেপ্টেম্বর এই জেলার বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হবে ১৫ জানুয়ারি। একই সঙ্গে এই জেলার দুই উপজেলা-শৈলকুপা ও কোটচাঁদপুরের সম্মেলন হবে ২৯ ও ৩০ ডিসেম্বর।
এছাড়া মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হবে ৬ ডিসেম্বর। এই জেলার কয়েকটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখও ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। ১৮ নভেম্বর মুজিবনগর উপজেলা, ১৯ নভেম্বর সদর উপজেলা, ২০ নভেম্বর মেহেরপুর পৌর আওয়ামী লীগ এবং ৫ ডিসেম্বর গাংনী উপজেলা সম্মেলন হবে। খুলনা বিভাগে একমাত্র চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখ এখনো ঠিক হয়নি। ৪ নভেম্বর এই জেলার বর্থিত সভা হবে। সেখান থেকেই চূড়ান্ত হবে সম্মেলনের তারিখ। একই সঙ্গে জেলার মেয়াদোত্তীর্ণ উপজেলা শাখাগুলোর সম্মেলনের তারিখ নিয়েও আলোচনা হবে।
সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকের কারণে ওই বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ মাগুরা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় উপস্থিত ছিলেন না। শনিবারের সভায় ওই বর্ধিত সভাগুলোর আলোচনা ও সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তাকে অবহিত করা হয়। পাশাপাশি বিভাগীয় সাংগঠনিক টিমের বৈঠকে ওই বিভাগের জেলা, উপজেলা, থানা ও পৌর আওয়ামী লীগের সার্বিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্র জানায়, জেলা সম্মেলনের আগেই উপজেলা, থানা ও পৌরসভার সম্মেলনের কাজ শেষ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আর আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের সম্মেলন এবং জানুয়ারির মধ্যে জেলা সম্মেলনগুলো শেষ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সভায় কয়েকটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখ চূড়ান্ত করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে, তবে সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এটা করে সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দেওয়া হবে। পাশাপাশি এই সময়ের মধ্যে নিজেদের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ বিভেদ বা দ্বন্দ্ব থাকলে সেগুলোও দূর করার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

মাগুরা জেলার কাউন্সিলে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্য প্রার্থী যারা

এ দিকে সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা হতেই মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধি করেছেন। অনেকেই প্রত্যাশিত পদে প্রার্থীতা ঘোষণা দিয়ে মাঠে নেমে পড়েছেন। কেন্দ্রীয় নেতাদের ভাষ্যমতে এবারের কাউন্সিলে ত্যাগী নেতাদের মুল্যায়ন করা হবে। দলের প্রতি অবদান নেই এমন কোন নেতাকে পদ প্রদান করা হবে না। এতদিন যারা মান অভিমানে দলীয় কর্মকান্ড থেকে দুরে রয়েছেন তাদেরকে পদে বসিয়ে সক্রিয় করা হবে। এটাই দলীয় সভানেত্রী দেশরতœ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ। কেন্দ্রীয় নেতাদের এমন আশ্বাসের প্র্রেক্ষিতে জেলার ত্যাগী নেতারা আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। তারা আসন্ন কাউন্সিলে প্রার্থী হবেন বলে জানিয়েছেন। দলের একাধিক নেতা কর্মীর ভাষ্যে জানাগেছে,

আসন্ন কাউন্সিলে সভাপতি পদে প্রার্থী হতে পারেন, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ফ ম আব্দুল ফাত্তাহ, মাগুরা -২ আসনের সংসদ সদস্য-সাবেক যুব ও ত্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট. ড. শ্রী বীরেন সিকদার,মাগুরা সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবু নাসির বাবলু, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এড.সৈয়দ শরীফুল ইসলাম ও মো: রেজাউল ইসলাম মুন্সি ।

সাধারণ সম্পাদক পদে- বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ও মাগুরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু পংকজ কুমার কুন্ডু, বর্তমান পৌর মেয়র খুরশিদ হায়দার টুটুল, বর্তমান ত্রাণ ও সমাজ সেবা সম্পাদক,ত্যাগী নেতা রনা আমীর ওসমান (রানা) , যুবলীগের সাবেক সভাপতি মো: এনামুল হক হীরক। এ ছাড়া অন্যান্য পদে বেশ কিছু তরুন নেতার নাম শোনা যাচ্ছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৩:৩৭:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ নভেম্বর ২০২১
২৯৮ বার পড়া হয়েছে

৮ জানুয়ারি মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন : সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্য প্রার্থী যারা

আপডেট সময় ০৩:৩৭:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ নভেম্বর ২০২১

রোস্তম মল্লিক

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে খুলনা বিভাগের অন্তর্গত উপজেলা ও পৌরসভা এবং জানুয়ারির মধ্যে সব জেলার সম্মেলন শেষ করতে চায় আওয়ামী লীগের বিভাগীয় সাংগঠনিক টিম। পাশাপাশি এই সময়ের মধ্যে নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভেদ বা দ্বন্দ¦ও দূর করতে চান টিমের সদস্যরা। শনিবার বিভাগীয় টিমের বৈঠকে বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে আওয়ামী লীগের সভাপতিন্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আমিরুল ইসলাম মিলন, পারভীন জামান কল্পনা ও অ্যাডভোকেট গ্লোরিয়া সরকার ঝর্ণা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক সূত্র জানায়, বেলা ১১টায় আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সভা শুরু হয়ে দুপুর পর্যন্ত চলে। সভায় খুলনা বিভাগে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অবস্থা পর্যালোচনা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।
জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, বৈঠকে চারটি জেলার সম্মেলনের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটির তারিখ আগেই চূড়ান্ত ছিল। বাকি একটি জেলার বর্ধিত সভার তারিখ চূড়ান্ত হয়েছে। সেটির সম্মেলনের তারিখও দ্রুত হয়ে যাবে। তিনি বলেন, সম্মেলনগুলো সফল করতে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে নানা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকব। তাদের কীভাবে আরও ঐক্যবদ্ধ করা যায়, নির্বাচনে কীভাবে জনসমর্থন আরও বাড়ানো যায়-এসব বিষয় নিয়ে আমরা কাজ করব।
জানা যায়, খুলনা বিভাগে আওয়ামী লীগের ১১টি সাংগঠনিক জেলা কমিটি রয়েছে। সেগুলো হলো-মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, নড়াইল, বাঘেরহাট, খুলনা মহানগর, খুলনা জেলা ও সাতক্ষীরা। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনের আগে এবং পরে কুষ্টিয়া, যশোর, নড়াইল, বাঘেরহাট, খুলনা মহানগর, খুলনা জেলা ও সাতক্ষীরা জেলার সম্মেলন হয়েছে। এগুলোর কমিটিও পূর্ণাঙ্গ করা হয়েছে।
এখনো চারটি জেলায় সম্মেলন বাকি আছে। সেগুলো হলো-মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও মাগুরা। এর মধ্যে তিনটি জেলার সম্মেলনের তারিখ চূড়ান্ত হয়েছে। মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হবে আগামী ৮ জানুয়ারি। ২২ সেপ্টেম্বর এই জেলার বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হবে ১৫ জানুয়ারি। একই সঙ্গে এই জেলার দুই উপজেলা-শৈলকুপা ও কোটচাঁদপুরের সম্মেলন হবে ২৯ ও ৩০ ডিসেম্বর।
এছাড়া মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হবে ৬ ডিসেম্বর। এই জেলার কয়েকটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখও ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। ১৮ নভেম্বর মুজিবনগর উপজেলা, ১৯ নভেম্বর সদর উপজেলা, ২০ নভেম্বর মেহেরপুর পৌর আওয়ামী লীগ এবং ৫ ডিসেম্বর গাংনী উপজেলা সম্মেলন হবে। খুলনা বিভাগে একমাত্র চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখ এখনো ঠিক হয়নি। ৪ নভেম্বর এই জেলার বর্থিত সভা হবে। সেখান থেকেই চূড়ান্ত হবে সম্মেলনের তারিখ। একই সঙ্গে জেলার মেয়াদোত্তীর্ণ উপজেলা শাখাগুলোর সম্মেলনের তারিখ নিয়েও আলোচনা হবে।
সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকের কারণে ওই বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ মাগুরা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় উপস্থিত ছিলেন না। শনিবারের সভায় ওই বর্ধিত সভাগুলোর আলোচনা ও সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তাকে অবহিত করা হয়। পাশাপাশি বিভাগীয় সাংগঠনিক টিমের বৈঠকে ওই বিভাগের জেলা, উপজেলা, থানা ও পৌর আওয়ামী লীগের সার্বিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্র জানায়, জেলা সম্মেলনের আগেই উপজেলা, থানা ও পৌরসভার সম্মেলনের কাজ শেষ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আর আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের সম্মেলন এবং জানুয়ারির মধ্যে জেলা সম্মেলনগুলো শেষ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সভায় কয়েকটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখ চূড়ান্ত করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে, তবে সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এটা করে সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দেওয়া হবে। পাশাপাশি এই সময়ের মধ্যে নিজেদের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ বিভেদ বা দ্বন্দ্ব থাকলে সেগুলোও দূর করার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

মাগুরা জেলার কাউন্সিলে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্য প্রার্থী যারা

এ দিকে সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা হতেই মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধি করেছেন। অনেকেই প্রত্যাশিত পদে প্রার্থীতা ঘোষণা দিয়ে মাঠে নেমে পড়েছেন। কেন্দ্রীয় নেতাদের ভাষ্যমতে এবারের কাউন্সিলে ত্যাগী নেতাদের মুল্যায়ন করা হবে। দলের প্রতি অবদান নেই এমন কোন নেতাকে পদ প্রদান করা হবে না। এতদিন যারা মান অভিমানে দলীয় কর্মকান্ড থেকে দুরে রয়েছেন তাদেরকে পদে বসিয়ে সক্রিয় করা হবে। এটাই দলীয় সভানেত্রী দেশরতœ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ। কেন্দ্রীয় নেতাদের এমন আশ্বাসের প্র্রেক্ষিতে জেলার ত্যাগী নেতারা আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। তারা আসন্ন কাউন্সিলে প্রার্থী হবেন বলে জানিয়েছেন। দলের একাধিক নেতা কর্মীর ভাষ্যে জানাগেছে,

আসন্ন কাউন্সিলে সভাপতি পদে প্রার্থী হতে পারেন, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ফ ম আব্দুল ফাত্তাহ, মাগুরা -২ আসনের সংসদ সদস্য-সাবেক যুব ও ত্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট. ড. শ্রী বীরেন সিকদার,মাগুরা সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবু নাসির বাবলু, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এড.সৈয়দ শরীফুল ইসলাম ও মো: রেজাউল ইসলাম মুন্সি ।

সাধারণ সম্পাদক পদে- বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ও মাগুরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু পংকজ কুমার কুন্ডু, বর্তমান পৌর মেয়র খুরশিদ হায়দার টুটুল, বর্তমান ত্রাণ ও সমাজ সেবা সম্পাদক,ত্যাগী নেতা রনা আমীর ওসমান (রানা) , যুবলীগের সাবেক সভাপতি মো: এনামুল হক হীরক। এ ছাড়া অন্যান্য পদে বেশ কিছু তরুন নেতার নাম শোনা যাচ্ছে।