১০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘ফের লকডাউনে অনাহারীর সংখ্যাই বাড়বে’

প্রতিনিধির নাম:

করোনাভাইরাসের ঝুঁকি কমাতে আবারও লকডাউনের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার, তাতে অনাহারীর সংখ্যাই বাড়বে, বাস্তবায়ন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম।

করোনা পরিস্থিতি এবং লকডাউন প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি জাগো নিউজের কাছে এমন মন্তব্য করেন। সেলিম বলেন, ‘‘জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময় পেল সরকার। এমন ভয়ঙ্কর মহামারি আমলে নিল না। বরং অবহেলা আর হালকাভাবে দেখিয়ে সরকারের মন্ত্রীরা বলতে থাকল, ‘করোনার চেয়ে তারা বেশি শক্তিশালী’’। করোনাকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। করোনাকে পরাজিত করবই’। আজ কোথায় তাদের এমন দাম্ভিকতা। অথচ শুরু থেকে ব্যবস্থা নিলে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হত না’’।

বাম্পপন্থি এই রাজনীতিক আরও বলেন, ‘সরকার কোনো কৌশলই (স্ট্রেটেজি) নিতে পারেনি। প্রথমেই আমরা বলেছিলাম, করোনা মোকাবিলায় সবার পরামর্শে নিন। আসুন এক সঙ্গে কাজ করি। আমলে না নিয়ে এখানেও রাজনীতি করলেন তারা। চরম অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে লাশের সারি বাড়িয়ে তুললেন। আর করোনার সুযোগ নিয়ে নিজেদের কতিপয় লোকের লুটপাটের ব্যবস্থা করে দিলেন’।

ফের লকডাউনে কী ফল আসবে- এমন প্রশ্নের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘‘লকডাউন আর বাস্তবায়ন সম্ভব না। রাষ্ট্র যদি ‘দিন আনে দিন খায়’ গোছের মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করতে পারত, তাহলে হয়ত বাস্তবায়ন সম্ভব হতো। কিন্তু তা পারেনি। অথচ বাজেটের ৫ ভাগ এই অভাবী মানুষদের খাবারে ব্যয় করার দাবি রাখে। কারণ সাধারণ মানুষের করের টাকাতেই বাজেট। অথচ, ছয়টি মাস সরকার এই মানুষদের খাবারের ব্যবস্থা করতে পারল না’’।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৭:৫০:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২০
১৮০ বার পড়া হয়েছে

‘ফের লকডাউনে অনাহারীর সংখ্যাই বাড়বে’

আপডেট সময় ০৭:৫০:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২০

করোনাভাইরাসের ঝুঁকি কমাতে আবারও লকডাউনের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার, তাতে অনাহারীর সংখ্যাই বাড়বে, বাস্তবায়ন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম।

করোনা পরিস্থিতি এবং লকডাউন প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি জাগো নিউজের কাছে এমন মন্তব্য করেন। সেলিম বলেন, ‘‘জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময় পেল সরকার। এমন ভয়ঙ্কর মহামারি আমলে নিল না। বরং অবহেলা আর হালকাভাবে দেখিয়ে সরকারের মন্ত্রীরা বলতে থাকল, ‘করোনার চেয়ে তারা বেশি শক্তিশালী’’। করোনাকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। করোনাকে পরাজিত করবই’। আজ কোথায় তাদের এমন দাম্ভিকতা। অথচ শুরু থেকে ব্যবস্থা নিলে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হত না’’।

বাম্পপন্থি এই রাজনীতিক আরও বলেন, ‘সরকার কোনো কৌশলই (স্ট্রেটেজি) নিতে পারেনি। প্রথমেই আমরা বলেছিলাম, করোনা মোকাবিলায় সবার পরামর্শে নিন। আসুন এক সঙ্গে কাজ করি। আমলে না নিয়ে এখানেও রাজনীতি করলেন তারা। চরম অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে লাশের সারি বাড়িয়ে তুললেন। আর করোনার সুযোগ নিয়ে নিজেদের কতিপয় লোকের লুটপাটের ব্যবস্থা করে দিলেন’।

ফের লকডাউনে কী ফল আসবে- এমন প্রশ্নের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘‘লকডাউন আর বাস্তবায়ন সম্ভব না। রাষ্ট্র যদি ‘দিন আনে দিন খায়’ গোছের মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করতে পারত, তাহলে হয়ত বাস্তবায়ন সম্ভব হতো। কিন্তু তা পারেনি। অথচ বাজেটের ৫ ভাগ এই অভাবী মানুষদের খাবারে ব্যয় করার দাবি রাখে। কারণ সাধারণ মানুষের করের টাকাতেই বাজেট। অথচ, ছয়টি মাস সরকার এই মানুষদের খাবারের ব্যবস্থা করতে পারল না’’।