০৬:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাগুরা পৌরসভার মেয়র পদে আবার লড়তে চান তপন কুমার রায়

প্রতিনিধির নাম:

।।মাগুরা প্রতিনিধি।।

চলতি বছরের ডিসেম্বরই শেষ হচ্ছে মাগুরা পৌর সভার বর্তমান পরিষদের মেয়াদ।

হিসাবমতে আরমাত্র ৬ মাস বাকি আছে মাগুরা পৌরসভার নির্বাচনের। এরই মধ্যে
শুরু হয়েগেছে আগাম প্রচারণা। মেয়র এবং কাউন্সিলর প্রার্থী হতে ইচ্ছুকরা
ব্যক্তিগত পর্যায়ে শুরু করেছেন গণসংযোগ। ভোটারদের সাথে দেখা হলেই কুশল বিনিময় করছেন। দোয়া ও আশীর্বাদ চাচ্ছেন। দলীয় লবিংও বৃদ্ধি করেছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজেদের অতীত ও বর্তমান জনকল্যাণমুলক কর্মকান্ডের ফিরিস্তি তুলে ধরছেন ভোটারদের কাছে। তবে দলীয় মনোনয়ন পেতে সবাই-ই আশাবাদী।

মাগুরা পৌরসভার আগামী নির্বাচনে মেয়র পদে লড়ার ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক
ভারপ্রাপ্ত মেয়র ও ৪ বারের নির্বাচিত কাউন্সিলর বাবু তপন কুমার রায়। তিনি মাগুরা পৌরসভার কাউন্সিলর ও ভারপ্রাপ্ত মেয়র থাকাকালে পৌরসভার ব্যপক উন্নয়ন করেন। নাগরিক সেবাও ঘরে ঘরে পৌঁছে দেন। একটি দৃষ্টিনন্দন মডেল পৌরসভা গড়ার আপ্রান চেষ্টা করেন তিনি।

তপন কুমার রায় ১৯৬৮ সালে মাগুরা পৌর এলাকার বাটিকাডাংগা গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তার স্বর্গীয় পিতার নামঃ নৃপেন্দ্রনাথ রায়।
মাতার নামঃ কমলা বালা রায়।
শিক্ষা জীবনে তিনি স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তপন কুমার রায় ছাত্র জীবন থেকেই বংগ বন্ধুর আদর্শের সৈনিক। তিনি মাগুরা পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১৩ সালে পৌর উপ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের এক অংশের সমর্থক প্রার্থী হিসাবে অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।

১৯৯২ সাল হতে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি মোট ২০ বছর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেন।
এই দীর্ঘ সময়ে তার বিরুদ্ধে কোন প্রকার অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ ওঠেনি সততা,দুরদর্শীতা,কর্মদক্খতা, অমায়িক ব্যবহার ও পরপোকারিতার জন্য তিনি

২০০৯ সালে শ্রেষ্ঠ মেয়রে ভৃুষিত হন এবং আন্তর্জাতিক স্বর্নপদক লাভ করেন।
২০১০ সালে বংগবন্ধু স্মৃতি পদকসহ ৮ টি পদক ও
২০১১ সালে মিজাক এ্যাওয়ার্ড স্বর্ণপদক এবং মহাত্মা গান্ধী স্বর্ণপদক পান।
রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে তিনি জোট সরকারের সন্ত্রাসীদের হাতে শাররীক জখম হন।
তার বিষয়ে মাগুরা পৌর আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সাথে কথা বললে তারা জানান, নীতি আদর্শের রাজনীতির ধারক বাহক হিসাবে তপন রায় সর্বমহলে স্বীকৃত। তিনি ছিলেন জনতার মেয়র। তার কোন বদনাম নেই। এবার যদি তাকে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ থেকে নমিনেশন দেওয়া হয় তবে তিনি ক্লিন ইমেজের কারণেই বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন। এ প্রসংগে তপন কুমার রায় বলেন, মাগুরা পৌরবাসীর সেবায় আমি আমার জীবনকে উৎস্বর্গ করেছি। তাদের সুখ দুঃখের সাথী হয়ে আছি এবং আমৃত্যু থাকব।

মাগুরা পৌরবাসী ও দলীয় নেতা কর্মীর দাবীতে এবং সকল সংস্থার গোপন রিপোর্ট
মুল্যায়ন করে জননেত্রী, দেশরত্ন ও দলের সভানেত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি
আমাকে পৌর মেয়র পদে নমিনেশন দেন তবে আমি নির্বাচন করতে প্রস্তুত রয়েছি।
এ ক্ষেত্রে তিনি সকল মহলের সহযোগিতা কামনা করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০২:১৮:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২০
৩৪২ বার পড়া হয়েছে

মাগুরা পৌরসভার মেয়র পদে আবার লড়তে চান তপন কুমার রায়

আপডেট সময় ০২:১৮:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২০

।।মাগুরা প্রতিনিধি।।

চলতি বছরের ডিসেম্বরই শেষ হচ্ছে মাগুরা পৌর সভার বর্তমান পরিষদের মেয়াদ।

হিসাবমতে আরমাত্র ৬ মাস বাকি আছে মাগুরা পৌরসভার নির্বাচনের। এরই মধ্যে
শুরু হয়েগেছে আগাম প্রচারণা। মেয়র এবং কাউন্সিলর প্রার্থী হতে ইচ্ছুকরা
ব্যক্তিগত পর্যায়ে শুরু করেছেন গণসংযোগ। ভোটারদের সাথে দেখা হলেই কুশল বিনিময় করছেন। দোয়া ও আশীর্বাদ চাচ্ছেন। দলীয় লবিংও বৃদ্ধি করেছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজেদের অতীত ও বর্তমান জনকল্যাণমুলক কর্মকান্ডের ফিরিস্তি তুলে ধরছেন ভোটারদের কাছে। তবে দলীয় মনোনয়ন পেতে সবাই-ই আশাবাদী।

মাগুরা পৌরসভার আগামী নির্বাচনে মেয়র পদে লড়ার ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক
ভারপ্রাপ্ত মেয়র ও ৪ বারের নির্বাচিত কাউন্সিলর বাবু তপন কুমার রায়। তিনি মাগুরা পৌরসভার কাউন্সিলর ও ভারপ্রাপ্ত মেয়র থাকাকালে পৌরসভার ব্যপক উন্নয়ন করেন। নাগরিক সেবাও ঘরে ঘরে পৌঁছে দেন। একটি দৃষ্টিনন্দন মডেল পৌরসভা গড়ার আপ্রান চেষ্টা করেন তিনি।

তপন কুমার রায় ১৯৬৮ সালে মাগুরা পৌর এলাকার বাটিকাডাংগা গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তার স্বর্গীয় পিতার নামঃ নৃপেন্দ্রনাথ রায়।
মাতার নামঃ কমলা বালা রায়।
শিক্ষা জীবনে তিনি স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তপন কুমার রায় ছাত্র জীবন থেকেই বংগ বন্ধুর আদর্শের সৈনিক। তিনি মাগুরা পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১৩ সালে পৌর উপ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের এক অংশের সমর্থক প্রার্থী হিসাবে অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।

১৯৯২ সাল হতে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি মোট ২০ বছর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেন।
এই দীর্ঘ সময়ে তার বিরুদ্ধে কোন প্রকার অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ ওঠেনি সততা,দুরদর্শীতা,কর্মদক্খতা, অমায়িক ব্যবহার ও পরপোকারিতার জন্য তিনি

২০০৯ সালে শ্রেষ্ঠ মেয়রে ভৃুষিত হন এবং আন্তর্জাতিক স্বর্নপদক লাভ করেন।
২০১০ সালে বংগবন্ধু স্মৃতি পদকসহ ৮ টি পদক ও
২০১১ সালে মিজাক এ্যাওয়ার্ড স্বর্ণপদক এবং মহাত্মা গান্ধী স্বর্ণপদক পান।
রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে তিনি জোট সরকারের সন্ত্রাসীদের হাতে শাররীক জখম হন।
তার বিষয়ে মাগুরা পৌর আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সাথে কথা বললে তারা জানান, নীতি আদর্শের রাজনীতির ধারক বাহক হিসাবে তপন রায় সর্বমহলে স্বীকৃত। তিনি ছিলেন জনতার মেয়র। তার কোন বদনাম নেই। এবার যদি তাকে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ থেকে নমিনেশন দেওয়া হয় তবে তিনি ক্লিন ইমেজের কারণেই বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন। এ প্রসংগে তপন কুমার রায় বলেন, মাগুরা পৌরবাসীর সেবায় আমি আমার জীবনকে উৎস্বর্গ করেছি। তাদের সুখ দুঃখের সাথী হয়ে আছি এবং আমৃত্যু থাকব।

মাগুরা পৌরবাসী ও দলীয় নেতা কর্মীর দাবীতে এবং সকল সংস্থার গোপন রিপোর্ট
মুল্যায়ন করে জননেত্রী, দেশরত্ন ও দলের সভানেত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি
আমাকে পৌর মেয়র পদে নমিনেশন দেন তবে আমি নির্বাচন করতে প্রস্তুত রয়েছি।
এ ক্ষেত্রে তিনি সকল মহলের সহযোগিতা কামনা করেন।