০৩:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাসপাতালের কেবিনে শুয়ে-বসে দিন কাটাচ্ছেন সম্রাট-শামীম

প্রতিনিধির নাম:

ক্যাসিনো-কাণ্ডে গ্রেপ্তার হওয়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট সাত মাস এবং ঠিকাদার জি কে শামীম প্রায় দুই মাস ধরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইইউ) কেবিনে শুয়ে-বসে দিন কাটাচ্ছেন। চিকিৎসা শেষে তাঁদের কারাগারে ফেরত পাঠাতে বিএসএমএমইউকে পাঁচ দফা চিঠি দিয়েছে কারা প্রশাসন।

বিএসএমএমইউর পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুলফিকার আহমেদ বলেন, আদালতের নির্দেশে তাঁদের ভর্তি করা হয়েছিল। এখন চিকিৎসকেরা চাইলে তাঁদের ছাড়পত্র দিতে পারেন।

গত বছরের ৬ অক্টোবর র‍্যাব ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ক্যাসিনোর হোতা সম্রাটকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেতাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র আইনে এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) করা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা আছে।

গ্রেপ্তার হওয়া ঠিকদার জি কে শামীম কারাগারে আসেন ৫ এপ্রিল। এরপর দুই মাস ধরে তিনি হাসপাতালে আছেন। উচ্চপর্যায়ের তদবিরে তাঁকে কারাগার থেকে হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে জানা গেছে।গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর জি কে (গোলাম কিবরিয়া) শামীমকে গুলশানের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

কারা হাসপাতালের চিকিৎসক মাহমুদুল হাসান বলেন, জি কে শামীমের ডান হাতে একটি ক্ষতের স্থানে প্লেট বসানো আছে। সেখানে ব্যথার কারণে তাঁকে বিএসএমএমইউর অর্থোপেডিক বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।

জানতে চাইলে অর্থোপেডিক বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু জাফর চৌধুরী  বলেন, জি কে শামীমের অস্ত্রোপচারের সব ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু তিনি তাঁর ডান হাতের ক্ষতস্থান থেকে প্লেট অপসারণ করতে রাজি হচ্ছেন না। অস্ত্রোপচারের জন্য একজন চিকিৎসক প্রায় প্রতিদিনই বিএসএমএমইউর পরিচালকের কাছে যাচ্ছেন। কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত পাওয়া যাচ্ছে না। এখন পরিচালক বললেই জি কে শামীমকে তিনি ছাড়পত্র দিয়ে দিতে পারেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৫:০৯:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২০
২০১ বার পড়া হয়েছে

হাসপাতালের কেবিনে শুয়ে-বসে দিন কাটাচ্ছেন সম্রাট-শামীম

আপডেট সময় ০৫:০৯:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২০

ক্যাসিনো-কাণ্ডে গ্রেপ্তার হওয়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট সাত মাস এবং ঠিকাদার জি কে শামীম প্রায় দুই মাস ধরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইইউ) কেবিনে শুয়ে-বসে দিন কাটাচ্ছেন। চিকিৎসা শেষে তাঁদের কারাগারে ফেরত পাঠাতে বিএসএমএমইউকে পাঁচ দফা চিঠি দিয়েছে কারা প্রশাসন।

বিএসএমএমইউর পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুলফিকার আহমেদ বলেন, আদালতের নির্দেশে তাঁদের ভর্তি করা হয়েছিল। এখন চিকিৎসকেরা চাইলে তাঁদের ছাড়পত্র দিতে পারেন।

গত বছরের ৬ অক্টোবর র‍্যাব ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ক্যাসিনোর হোতা সম্রাটকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেতাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র আইনে এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) করা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা আছে।

গ্রেপ্তার হওয়া ঠিকদার জি কে শামীম কারাগারে আসেন ৫ এপ্রিল। এরপর দুই মাস ধরে তিনি হাসপাতালে আছেন। উচ্চপর্যায়ের তদবিরে তাঁকে কারাগার থেকে হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে জানা গেছে।গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর জি কে (গোলাম কিবরিয়া) শামীমকে গুলশানের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

কারা হাসপাতালের চিকিৎসক মাহমুদুল হাসান বলেন, জি কে শামীমের ডান হাতে একটি ক্ষতের স্থানে প্লেট বসানো আছে। সেখানে ব্যথার কারণে তাঁকে বিএসএমএমইউর অর্থোপেডিক বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।

জানতে চাইলে অর্থোপেডিক বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু জাফর চৌধুরী  বলেন, জি কে শামীমের অস্ত্রোপচারের সব ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু তিনি তাঁর ডান হাতের ক্ষতস্থান থেকে প্লেট অপসারণ করতে রাজি হচ্ছেন না। অস্ত্রোপচারের জন্য একজন চিকিৎসক প্রায় প্রতিদিনই বিএসএমএমইউর পরিচালকের কাছে যাচ্ছেন। কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত পাওয়া যাচ্ছে না। এখন পরিচালক বললেই জি কে শামীমকে তিনি ছাড়পত্র দিয়ে দিতে পারেন।