ইএনটি ইনস্টিটিউটে বিনামূল্যে বিশ^মানের চিকিৎসা: শুনতে পাচ্ছে বধির শিশু,কথা বলছে বাকপ্রতিবন্ধী
রোস্তম মল্লিক
(জিহ্বা ও শ^াসনালী প্রতিস্থাপন গলা না কেটে থাইরয়েড অপারেশন, রোগীদের পুনর্বাসনও করা হচ্ছে, হাসপাতাল ভালোভাবে পরিচালনা করা পরেও ৪৭ কোটি টাকা সরকারকে ফেরত প্রদান।)
জীবন বাঁচাতে মানুষ কি-না করে? জীবনের শেষ সম্বল এমনকি ঘরবাড়ি বিক্রি করে পাড়ি জমান ভারত, সিঙ্গাপুর কিংবা থাইল্যান্ডে। কিন্তু সেই সাধ্য কয়জনের আছে? এমন রোগীদের জন্য সুসংবাদ নিয়ে এসেছে জাতীয় নাক কান গলা (ইএনটি) ইনস্টিটিউট। নামমাত্র কিংবা বিনা খরচে এখানে মিলছে বিশ^মানের চিকিৎসা। আশ্চর্য হলেও সত্য এখানে চিকিৎসা নিয়ে বধিররা কানে শুনতে পাচ্ছেন। কথা বলতে পারছেন বাকপ্রতিবন্ধীরা। রোগীদের শুধু চিকিৎসা দিয়েই ক্ষান্ত হচ্ছেন না চিকিৎসকরা। তাদের পুনর্বাসন করার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে। দেয়া হচ্ছে বিনা পয়সার হিয়ারিং এইড।
রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় অবস্থিত এ ইনস্টিটিউট চিকিৎসা সেবায় অনন্য। সারা দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে যখন সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রোগী ও স্বজনরা; এখানকার চিত্র পুরো উল্টো। সেবায় সন্তুষ্ট প্রতিটি মানুষ। নেই কোনও দালাল। ডাক্তারও কখনো কোনও রোগীকে ব্যক্তিগত চেম্বারে যাওয়ার পরামর্শ দেন না। দেন না তাদের ব্যক্তিগত ফোন নং। প্রতিটি ফ্লোর চকচকে। ডাকা মাত্রই হাজির হন ডাক্তার ও নার্স। দুর্নীতির কোনও অভিযোগ নেই। দুর্নীতিমুক্ত হিসেবে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে চলছে প্রতিষ্ঠানটি। পেয়েছে পুরস্কারও। কেনাকাটায় সরকারি বরাদ্দে সাশ্রয় করেছে ইএনটি ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরিপে সব বিশেষায়িত হাসপাতাল এবং পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউটের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে এটি। প্রতিষ্ঠানটি পেয়েছে মিনিস্টারর্স অ্যাওয়ার্ড। এখানে রক্তনালির টিউমার, প্যারেটিড গ্রন্থির টিউমার, কানের পর্দা লাগানো, নাকের পলিপ ও হাড়ের অপারেশন, সাইনাস ক্যানসারের আধুনিক অ্যানডোসকোপিক অপারেশন, শ্বাসনালির ক্যানসার, থাইরয়েড গ্লেন্ডের ক্যানসার, গলগ- এবং জিহ্বার ক্যান্সারের মতো জটিল অপারেশনও করা হচ্ছে বিনা খরচে। গলা না কেটে অ্যানডোসকপির মাধ্যমে থাইরয়েড অপারেশনের ব্যবস্থা রয়েছে।
জাতীয় নাক-কান-গলা ইনস্টিটিউট দেশের একমাত্র সরকারি চিকিৎসা-প্রতিষ্ঠান, যেখানে বহির্বিভাগে রোগী দেখেন বিশেষজ্ঞ (কনসালট্যান্ট) চিকিৎসকরা। সরকারি ছুটির দিন বাদে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বহির্বিভাগে চলে একটানা রোগী দেখা। এখানেও রয়েছে আধুনিক ব্যবস্থা। রোগীরা টিকেট কেটে বসার আসনে অপেক্ষা করেন। ডিজিটাল ডিসপ্লেতে রোগীর নম্বর ও কক্ষ নম্বর ওঠে। একই সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নম্বর ধরে ডাকা হয়। এজন্য মাত্র ১০ টাকা দিয়ে একটি টিকিট কাটতে হয়। আউট ডোরে প্রতিদিন ৬০০-৮০০ রোগী দেখা হয়। এখান থেকে প্রয়োজনীয় বেশিরভাগ ওষুধ ফ্রি দেওয়া হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষাও ফ্রি কিংবা নামমাত্র সরকারী ফি নেওয়া হয়।
ময়না রানী মালাকার, বয়স-৪০, ঝালকাঠি সদর, ঝালকাঠি। জিহবার ক্যান্সারে ভুগছিলেন দীর্ঘ ০৩ (তিন) বৎসর যাবৎ, বিভিন্ন স্থান ঘুরে এখানে আসেন। তিনি কোলকাতায় ও গিয়েছিলেন। এখানে অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আবু হানিফ ১০ (দশ) ঘন্টা অপারেশন করে জিহবার ক্যান্সার অপসারন করেন এবং হাতের মাংস দিয়ে জিহবা প্রতিস্থাপন করেন। বর্তমানে রোগী ভাল আছে এবং কথা বলতে পারেন। এই বিষয়ে সাহায্য করেন প্লাস্টিক সার্জন।
ময়মনসিংহের ইশ^রগঞ্জের ইদ্রিস আলী (৬০), ০৭ (সাত) বছর আগে গলার ক্যান্সারের জন্য অপারেশন করেছিলেন এখনে। তিনি বর্তমানে ভাল আছেন এবং কৃত্রিম ঝঢ়বধশরহম ঠধষাব এর মাধ্যমে স্বাভাবিক কথা বলতে পারছেন।
কুড়িগ্রামের রাজীবপুর থেকে ছেলের কানের চিকিৎসা করাতে এসেছে জমেলা খাতুন। তার সাথে কথা হয় বহির্বিভাগে। তিনি বলেন, তার ছেলের কানে পুঁজ। সাধ্যমত অনেক চিকিৎসা করিয়েছেন। ভালো হয়নি। অবশেষে লোকমুখে শুনে এখানে এসেছেন। প্রথমবার ডাক্তার যে ওষুধ দিয়েছেন; তাতে তার ছেলে ভালো হয়ে গেছে। এখন এসেছেন দ্বিতীয়বার ফলোআপ চিকিৎসার জন্য। তিনি বলেন, মাত্র ১০ টাকায় এমন চিকিৎসা হবে, তা তিনি ভাবতেও পারেননি। ওষুধ ফ্রি পেয়েছেন। শুধু যাতায়াতের ভাড়া লেগেছে। একই ধরনের কথা বলেন, রাজশাহীর বাগমারা থেকে আসা তরুণী মর্জিয়া খানম। তিনি এসেছেন বাবাকে নিয়ে। তার বাবা কানে কম শোনেন। মাথা ভার হয়ে থাকে। চিকিৎসা নেওয়ার পর অনেকটাই সুস্থ তার বাবা।
অপারেশনের জন্য ভর্তি মাগুরার মহম্মদ আলী। তিনি বলেন, এখানে কোনও খরচ নেই। কোন ঝামেলাও নেই। পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন মনোরম পরিবেশ। ডাক্তার-নার্সদের আচরণে মুগ্ধ তিনি।
জানা গেছে, আগে নাক, কান বা গলার চিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান দেশে ছিল না। যাদের সাধ্য আছে, তারা ভারত কিংবা থাইল্যান্ডে চিকিৎসা করাতেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে ২০১৩ সালের ১৯ জুন থেকে সেবা দেওয়া শুরু হয় নাক, কান ও গলার বিশেষায়িত চিকিৎসা-প্রতিষ্ঠানটিতে। প্রথমদিকে সীমিতভাবে শুধু বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবার মাধ্যমে যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে বহির্বিভাগের পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টা দেওয়া হচ্ছে জরুরি সেবা। দেশে নাক কান গলার চিকিৎসাব্যবস্থা খুবই সীমিত। আগে অনেক রোগী পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে চলে যেত। এই ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পর বিদেশ যাওয়ার হার কমে গেছে। এখানে বহির্বিভাগে একজন রোগী মাত্র ১০ টাকা দিয়ে টিকিট কেটে নাক, কান অথবা গলার যে কোনো রোগের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সেবা পাবেন। প্রয়োজন হলে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে থাকা অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপকরাও রোগী দেখেন। বিভাগীয় প্রধানরা ইএনটি ওয়ার্ক স্টেশনের (ব্যাংকক ও সিঙ্গাপুরে যে ধরনের চিকিৎসা যন্ত্রপাতি দিয়ে রোগ নির্ণয় করা হয় সেই ধরনের যন্ত্রপাতি) মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা দেন অথবা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। যদি কোনো রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন, তাহলেও চিকিৎসাসেবা পেতে খুব বেশি অর্থ খরচ করতে হয় না। এ জন্য ভর্তি হতে লাগে মাত্র ১৫ টাকা। এরপর যে কোনো পরীক্ষা থেকে শুরু করে অপারেশন করা হয় বিনামূল্যে। এমনকি রোগীকে ওষুধ (সরকার থেকে যেসব ওষুধ সরবরাহ করা হয়) ও তিন বেলা খাবারও সরবরাহ করা হয়। এ জন্য প্রতিষ্ঠানটির ১৩৫ বেডের মধ্যে ৮১টি বেড ফ্রি সেবার আওতায় রাখা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, মুক্তিযোদ্ধা, দুস্থ, গরিব ও প্রতিবন্ধীরা এই ফ্রি সেবা পেয়ে থাকেন। এছাড়া অতীব গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের (ভিআইপি) জন্য আছে ০১টি কেবিন। এ কেবিনের চিকিৎসাসেবাও সম্পূর্ণ ফ্রি। বাকি ৩৮টি বেডের রোগীদের অর্থের বিনিময়ে চিকিৎসাসেবা নিতে হয়। এর মধ্যে ৩৩টি পেয়িং বেড। এই বেডের জন্য রোগীদের প্রতিদিন ২৭৫ টাকা দিতে হয়। আর অপারেশনের ক্ষেত্রে বড় অপারেশনের জন্য ১ হাজার টাকা এবং ছোট অপারেশনের জন্য ৫০০ টাকা সরকারী ফি দিতে হয়। এছাড়া আছে ১৬টি নন-এসি ও ০৪টি এসি কেবিন। নন-এসি কেবিনের দৈনিক ৫২৫ টাকা এবং এসি কেবিনে ১১২৫ টাকা ভাড়া। কেবিনের রোগীদের অপারেশনের ক্ষেত্রে বড় অপারেশনে ২ হাজার টাকা এবং ছোট অপারেশনে ১ হাজার টাকা দিতে হয়।
জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত বহির্বিভাগে রোগী দেখা হয় ৫৭ হাজার ৪২৯ জন। ভর্তি করা হয় ১৩৬১ জনকে। এছাড়া অপরারেশন ৯৫৩টি; ক্যানসার রোগীর অপারেশন ২৬১টি; কোভিড টিকা দুই লাখ ৭৮ হাজার ২০০টি; কক্লিয়ার অপারেশন ৪৮টি; অডিওলোজি রোগী দুই হাজার ৪৬৪জন; এফওএল করা হয় ৬৯৭ জনকে; সিটি স্ক্যান করা হয় ৮৫৩টি; এমআরআই ১৮৪টি; রোগী মারা গেছে দুইজন; জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন দুই হাজার ৬৫৬ জন এবং এ বিভাগে অপরারেশন করা হয় দুই হাজার ৩৭০টি।
শুধু চিকিৎসা নয়, আর্থিকভাবেও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে একটি টেন্ডারে ১ কোটি ৯ লাখ ৮৩ হাজার টাকা সাশ্রয় হয়েছে। উদ্বৃত্ত টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেয় প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে প্রতিষ্ঠানটির জন্য সরকার বরাদ্দ দেয় ৩৪ কোটি ১৭ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। খরচ হয় ১৫ কোটি ৬৬ লাখ ৫০ হাজার ২১৩ টাকা। সরকারকে ফেরত দেওয়া হয় ১৮ কোটি ৯০ লাখ ৯২ হাজার ৭৮৭ টাকা। ২০২০-২১ অর্থ বছরে প্রতিষ্ঠানটি বরাদ্দ পায় ৩৭ কোটি ৭১ লাখ ৮৮ হাজার টাকা; ব্যয় হয় ২৩ কোটি ১৯ লাখ ৩৮ হাজার ৩০০ টাকা। ফেরত পাঠানো হয় ১৪ কোটি ৫২ লাখ ৪৯ হাজার ৭০০ টাকা। ২০২১-২২ অর্থ বছরে ১৩ কোটি টাকা প্রতিষ্ঠানটি সরকারকে ফেরত দিয়েছে। গত তিন অর্থ বছরে ১০৮ কোটি ১৮ লক্ষ ৫৬ হাজার টাকা সরকারী বরাদ্দ প্রাপ্তি থেকে ফেরত দেওয়া হয়েছে ৪৭ কোটি ১৯ লক্ষ ৭৩ হাজার ২৮৭ টাকা এবং রেভিনিউ জমা দেওয়া হয়েছে ৬ কোটি ৩৩ লক্ষ ৪৭ হাজার ৯২০টাকা।
জানা গেছে, এখানে হিয়ারিং মেশিন বা শ্রবণ যন্ত্রও রোগীদের বিনামূল্যে দেওয়া হয়। জন্মগত বধির বা বাকপ্রতিবন্ধীরাও চিকিৎসায় ভালো হয়। তারা কানে শুনতে পারে এবং কথা বলতে পারে। তবে চিকিৎসা শুরু করতে হবে ৫ বছর বয়সের আগে। এ ক্ষেত্রে কক্লিয়ার সংযোজন করতে হয়। এটি একটি যন্ত্র। সাধারণত এটা করতে খরচ হয় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা। এখানে এটা বিনামূল্যে এ সেবা দেওয়া হয়। অপারেশন করা হয় জাতীয় নাক কান গলা (ইএনটি) ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আবু হানিফের নেতৃত্বে এরই মধ্যে ৩০০ জনের কক্লিয়ার সংযোজন করা হয়েছে। শ^াসনালী প্রতিস্থাপন করলে রোগী সুস্থ হয় এবং স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারেন।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেন, দেশে নাক, কান ও গলার রোগীর পরিসংখ্যান নেই। সরকারি হাসপাতালে আগত রোগীদের মধ্যে ২০ থেকে ৩০ ভাগ নাক কান গলার রোগী। আর মোট ক্যানসার রোগীর ৩০ শতাংশ হেডনেক ক্যানসারে আক্রান্ত।
ইএনটি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আবু হানিফ বলেন, তার প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীরা একনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের দরজা ২৪ ঘণ্টা খোলা। যদি রাত ৩টা বা ৪টার সময় কোন রোগীর ডাক্তার প্রয়োজন হয়; তারা হাজির হন সেবা দিতে। এক প্রশ্নে তিনি বলেন, সেবা দেওয়াই তাদের কাজ। তারা সেই কাজটিই করে যাচ্ছেন। লোকবল ঘাটতি রয়েছে। তবে সেবার ঘাটতি নেই। ভবন সম্প্রসারণ হচ্ছে ১২তলা পর্যন্ত। কাজ শেষ হলে বেড বাড়বে। বর্তমান বেড আছে ১৩৫টি। ভবন সম্প্রসারণ করা হলে ২৫০ শয্যার হাসপাতালে রূপ নেবে এটি। তিনি বলেন, এখানে দেড় হাজার টাকা দামের ইনজেকশনও ফ্রি দেওয়া হয়। সেবার পাশাপিশ এখানে নিয়মিত এমএস এবং এফসিপিএসের ক্লাস চলে। এসএস এবং এফসিপিএস এর কোর্স আছে এবং ছাত্র ভর্তি হয়। দক্ষ ডাক্তার তৈরিতেও তারা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। প্রসঙ্গ ক্রমে তিনি বলেন, এখানে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হওয়ার পর অনেককে পুনর্বাসন করা হয়েছে। হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সার সাপোর্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে কয়েকজনকে অটোরিকশা ও গাভী কিনে দেওয়া হয়েছে। ঘরবাড়িও করে দেয়া হয় কয়েকজনকে। এ ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ৫ বছরে ৩০ লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে ক্যান্সার রোগীদের। তাদের লক্ষ্য শুধু চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করা নয়; তাদের পুনর্বাসন করে সমাজের মূল ¯্রােতে নিয়ে আসতে তারা কাজ করে যাচ্ছেন। হেড নেক ক্যান্সার সাপোর্ট ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আবু হানিফ এর নেতৃত্বে মানিকগঞ্জের মিতরা ২৫০ বেডের গড়ে উঠছে একটি পূর্নাঙ্গ অলাভজন ক্যান্সার হাসপাতাল। যেখানে গরিব রোগীরা বিনা পয়সায় চিকিৎসা পাবেন।
মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশে একজন মুক্তিযুদ্ধার পরিবারের সন্তানের কক্লিয়ার প্রসেসর ক্রয় করে দেয়া হয়েছে যার মূল্য ১০ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা।















