পুলিশী পদক্ষেপ চান এলাকাবাসী : বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে ২ জামায়াত নেতার ত্রাসের রাজত্ব!
মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদদাতা
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার চরকোরিয়া ইউনিয়নের জামায়াত নেতা মাওলানা আবদুর রব খাঁন ও হাফেজ আবদুল অদুদ খাঁনের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে গ্রামের নিরীহ মানুষ। এই দুই নেতা জাল দলিল সৃজন করে জোর পুর্ব্বক সাধারন মানুষের জমা জমি ,বাড়ী ঘর দখল করে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়াগেছে। তাদের হাত থেকে গ্রামবাসী,আত্মীয় স্বজন এমন কি আপন সৎ ভাই,বোনরাও রেহায় পাচ্ছেন না। অভিযোগমতে, মাওলানা আবদুর রব খাঁন বর্তমানে লক্ষীপুর দত্তপাড়া ডিগ্রী কলেজ এ চাকরী করেন। হাফেজ আবদুল অদুদ খাঁন বর্তমানে ভোলা জেলার ইলিশা বাসস্ট্যান্ড এর কাছে বাপ্তা নয়াব আলী ফরাজী জামে মসজিদের ইমাম। তারা এলাকায় একটি বাহিনী তৈরী করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। এই বাহিনীতে জামায়াত -শিবিরের শতাধিক ক্যাডার রয়েছে। তারা বিভিন্ন সময়ে ঢাকায় যেয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মিটিং মিছিল ও নাশকতা ঘটিয়ে থাকেন বলে প্রচার আছে। মাওলানা আবদুর রব খাঁন চট্রগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসার ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারী ছিলেন। এখন তারা ২ ভাই মিলে মেহেন্দিগঞ্জ এলাকায় জামায়াত শিবিরের নেতৃত্বদান করছেন। তাদের বিরুদ্ধে সরকারী বিরোধী কর্মকান্ডের অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় আ:লীগ নেতারা জানান, পুলিশ প্রশাসন ম্যানেজ করে এই ২ জামাত নেতা এলাকায় তাদের সব রকম অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা নিজের পিতাকে হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর নামে সাব রেজি: অফিসে নিয়ে জমা জমি নিজেদের নামে লিখে নিয়ে সৎ ভাই বোনদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করেছেন। এবং তাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে ব্যাপক হয়রানি করেছেন। সৎ ভাই ,বোনরা সম্পত্তি চাইতে গেলে তাদেরকে মার পিট করে তাড়িয়ে দিয়েছেন। আজ অব্দি তারা পিতার সম্পত্তির ন্যায্য হিস্যা পাননি। তাদের আপন চাচাত ভাই জলিল খানের কিছু জমি জোরপুর্ব্বক দখল করে নিয়েছেন। আরো কিছু জমি দখলের পাঁয়তারা চালাচ্ছেন। অপর আত্মীয় আলাল খান ও জামাল খান পিতা মৃত খলিল খানেরও কিছু জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছেন। জামায়াত করার কারণে কিছুদিন আগে মসজিদ থেকে তাদেরকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।
এলাকাবাসী এই ২ জামায়াত নেতার যাবতীয় অপতৎপরতা বন্ধের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, পুলিশের আইজিপি ,বরিশালের ডিআইজি ও পুলিশ সুপারের পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

















