০২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনা রোগী সুস্থ কোন বিভাগে কতজন

প্রতিনিধির নাম:

গত ৮মার্চ দেশে প্রথম করানোভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। আজ ১৯ জুন পর্যন্ত দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৫ হাজার ৫৩৫ জনে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ৩৮৮ জনের।

আক্রান্তদের মধ্যে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ও বাড়িতে চিকিৎসা গ্রহণ শেষে সুস্থ হয়েছেন ৪২ হাজার ৯৪৫ জন।

সুস্থ হওয়া রোগীদের মধ্যে বিভাগ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকা বিভাগের সর্বোচ্চ সংখ্যক ২৮ হাজার ৬৪৫ জন সুস্থ হয়েছেন।

এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ৭ হাজার ৩৯৮ জন, রংপুর বিভাগে এক হাজার ৪১০, খুলনা বিভাগে ৮০০, বরিশাল বিভাগে এক হাজার ১৫৮, রাজশাহী বিভাগে এক হাজার ১৭, সিলেট বিভাগে এক হাজার ২৫১ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে এক হাজার ২৬৯ জন সুস্থ হয়েছেন।

এদিকে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারি করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৫ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট মারা গেলেন এক হাজার ৩৮৮ জন। একই সময়ে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে আরও তিন হাজার ২৪৩ জনের মধ্যে। ফলে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল এক লাখ পাঁচ হাজার ৫৩৫ জনে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৮:৩৫:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২০
১৫৮ বার পড়া হয়েছে

করোনা রোগী সুস্থ কোন বিভাগে কতজন

আপডেট সময় ০৮:৩৫:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২০

গত ৮মার্চ দেশে প্রথম করানোভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। আজ ১৯ জুন পর্যন্ত দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৫ হাজার ৫৩৫ জনে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ৩৮৮ জনের।

আক্রান্তদের মধ্যে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ও বাড়িতে চিকিৎসা গ্রহণ শেষে সুস্থ হয়েছেন ৪২ হাজার ৯৪৫ জন।

সুস্থ হওয়া রোগীদের মধ্যে বিভাগ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকা বিভাগের সর্বোচ্চ সংখ্যক ২৮ হাজার ৬৪৫ জন সুস্থ হয়েছেন।

এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ৭ হাজার ৩৯৮ জন, রংপুর বিভাগে এক হাজার ৪১০, খুলনা বিভাগে ৮০০, বরিশাল বিভাগে এক হাজার ১৫৮, রাজশাহী বিভাগে এক হাজার ১৭, সিলেট বিভাগে এক হাজার ২৫১ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে এক হাজার ২৬৯ জন সুস্থ হয়েছেন।

এদিকে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারি করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৫ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট মারা গেলেন এক হাজার ৩৮৮ জন। একই সময়ে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে আরও তিন হাজার ২৪৩ জনের মধ্যে। ফলে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল এক লাখ পাঁচ হাজার ৫৩৫ জনে।