১০:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভিটামিন সি খাওয়ার সেরা সময় কখন?

প্রতিনিধির নাম:

একইসঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ত্বক ও হাড়ের উপকার করে যে উপদান, সেটি হলো ভিটামিন সি। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য দ্রুত অসুখ থেকে মুক্তি দিয়ে সুস্থ করে তোলে। তবে এটি সঠিক পরিমাণ এবং দিনের মধ্যে সঠিক সময়ে খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। নয়তো প্রয়োজনীয় উপকার নাও মিলতে পারে।

প্রতিদিন কতটা ভিটামিন সি খাওয়া উচিত?
পুষ্টিবিদদের মতে, প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন বিভিন্ন উৎসের মাধ্যমে৬৫-৯০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি প্রয়োজন। গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী নারীর ক্ষেত্রে ডোজটি ১২০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত যেতে পারে।

ডায়েটে ভিটামিন সি যুক্ত করার সেরা উপায় কী?

ভিটামিন সি এর ভালো উৎস হলো কাঁচা মরিচ, কমলা, লেবু, ব্রোকলি এমনকি স্ট্রবেরি। বেশিরভাগ ফল এবং শাকসবজি সমৃদ্ধ উৎস হলেও, রান্না করার সময় অ্যাসকরবিক অ্যাসিড কমে যেতে পারে। অতএব, প্রতিদিন যতটুকু ভিটামিন সি প্রয়োজন তা গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

কেন সবার ভিটামিন সি খাওয়া উচিত
প্রতিদিনের খাবারে আপনার জন্য পর্যাপ্ত ভিটামিন সি আছে মানে হলো আপনি সুস্থতার দিকে অনেকটাই এগিয়ে। এটি আমাদের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী।

ভিটামিন সি এর প্রধান সুবিধা হলো এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ভিটামিন সি এর শক্তিশালী বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ফ্রি র্যাডিক্যাল ক্ষতির বিরুদ্ধে লড়াই করে, টক্সিন থেকে মুক্তি দেয় এবং সেলুলার ফাংশন বাড়িয়ে তোলে। এটি আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করে এবং কোনো অসুস্থতা এবং ভাইরাসজনিত সংক্রমণের যেমন সর্দি বা ফ্লুর সাথে লড়াই করতে সহায়তা করে। একই কারণে, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবারগুলো আপনাকে দ্রুত সুস্থ ও সতেজ করে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রেও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খেতে বলা হয়।

ভিটামিন সি এর প্রচুর সুবিধাসমূহ
ভিটামিন সিতে রয়েছে বি ১২, আয়রন, ফোলেট, ভিটামিন ডি এবং ই। ভিটামিন সি হৃদরোগের স্বাস্থ্যের পক্ষেও ভালো। এটি মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহকেও সচল রেখে কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করে যা আমাদের চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখে।

কখন ভিটামিন সি খেলে বেশি উপকার মিলবে?

যদিও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য সমস্ত ভিটামিন এবং খনিজ গ্রহণ করা অপরিহার্য তবে এগুলো সবটা আমাদের শরীরে একইভাবে সংশ্লেষিত হয় না। সুতরাং, এগুলো কখন এবং কীভাবে খাচ্ছেন সেদিকে নজর দিতে হবে।

ভিটামিন সি পানিতে দ্রবণীয় পুষ্টি, যা খালি পেটে গ্রহণ করলে আমাদের শরীর সবচেয়ে ভালোভাবে শোষণ করে। সকালের খাবার খাওয়ার অন্তত আধা ঘণ্টা আগে আপনি ভিটামিন সি গ্রহণ করতে পারেন। যদি সকালে না খেতে চান, সমস্যা নেই। দিনের অন্য যেকেনো সময়ও খেতে পারবেন, তবে খালি পেটে হলে ভালো। দুইবেলা খাবারের মাঝে যে বিরতিটুকু পাবেন, সেই সময়টাতে খেতে পারেন ভিটামিন সি।

প্রতিদিন ভিটামিন সি খাচ্ছেন তো?
প্রতিদিন প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি খান। একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখবেন, অতিরিক্ত ভিটামিন সি গ্রহণ করলে কোনো উপকারে আসবে না। ভিটামিন সিতে উচ্চমাত্রায় অ্যাসকরবিক অ্যাসিড রয়েছে, যা বেশি পরিমাণে গ্রহণ করলে তা শোষিত না হয়ে শরীরে দ্রুত নির্গত হতে পারে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৩:০৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২০
২১৬ বার পড়া হয়েছে

ভিটামিন সি খাওয়ার সেরা সময় কখন?

আপডেট সময় ০৩:০৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২০

একইসঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ত্বক ও হাড়ের উপকার করে যে উপদান, সেটি হলো ভিটামিন সি। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য দ্রুত অসুখ থেকে মুক্তি দিয়ে সুস্থ করে তোলে। তবে এটি সঠিক পরিমাণ এবং দিনের মধ্যে সঠিক সময়ে খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। নয়তো প্রয়োজনীয় উপকার নাও মিলতে পারে।

প্রতিদিন কতটা ভিটামিন সি খাওয়া উচিত?
পুষ্টিবিদদের মতে, প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন বিভিন্ন উৎসের মাধ্যমে৬৫-৯০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি প্রয়োজন। গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী নারীর ক্ষেত্রে ডোজটি ১২০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত যেতে পারে।

ডায়েটে ভিটামিন সি যুক্ত করার সেরা উপায় কী?

ভিটামিন সি এর ভালো উৎস হলো কাঁচা মরিচ, কমলা, লেবু, ব্রোকলি এমনকি স্ট্রবেরি। বেশিরভাগ ফল এবং শাকসবজি সমৃদ্ধ উৎস হলেও, রান্না করার সময় অ্যাসকরবিক অ্যাসিড কমে যেতে পারে। অতএব, প্রতিদিন যতটুকু ভিটামিন সি প্রয়োজন তা গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

কেন সবার ভিটামিন সি খাওয়া উচিত
প্রতিদিনের খাবারে আপনার জন্য পর্যাপ্ত ভিটামিন সি আছে মানে হলো আপনি সুস্থতার দিকে অনেকটাই এগিয়ে। এটি আমাদের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী।

ভিটামিন সি এর প্রধান সুবিধা হলো এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ভিটামিন সি এর শক্তিশালী বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ফ্রি র্যাডিক্যাল ক্ষতির বিরুদ্ধে লড়াই করে, টক্সিন থেকে মুক্তি দেয় এবং সেলুলার ফাংশন বাড়িয়ে তোলে। এটি আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করে এবং কোনো অসুস্থতা এবং ভাইরাসজনিত সংক্রমণের যেমন সর্দি বা ফ্লুর সাথে লড়াই করতে সহায়তা করে। একই কারণে, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবারগুলো আপনাকে দ্রুত সুস্থ ও সতেজ করে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রেও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খেতে বলা হয়।

ভিটামিন সি এর প্রচুর সুবিধাসমূহ
ভিটামিন সিতে রয়েছে বি ১২, আয়রন, ফোলেট, ভিটামিন ডি এবং ই। ভিটামিন সি হৃদরোগের স্বাস্থ্যের পক্ষেও ভালো। এটি মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহকেও সচল রেখে কোলাজেন উৎপাদনে সহায়তা করে যা আমাদের চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখে।

কখন ভিটামিন সি খেলে বেশি উপকার মিলবে?

যদিও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য সমস্ত ভিটামিন এবং খনিজ গ্রহণ করা অপরিহার্য তবে এগুলো সবটা আমাদের শরীরে একইভাবে সংশ্লেষিত হয় না। সুতরাং, এগুলো কখন এবং কীভাবে খাচ্ছেন সেদিকে নজর দিতে হবে।

ভিটামিন সি পানিতে দ্রবণীয় পুষ্টি, যা খালি পেটে গ্রহণ করলে আমাদের শরীর সবচেয়ে ভালোভাবে শোষণ করে। সকালের খাবার খাওয়ার অন্তত আধা ঘণ্টা আগে আপনি ভিটামিন সি গ্রহণ করতে পারেন। যদি সকালে না খেতে চান, সমস্যা নেই। দিনের অন্য যেকেনো সময়ও খেতে পারবেন, তবে খালি পেটে হলে ভালো। দুইবেলা খাবারের মাঝে যে বিরতিটুকু পাবেন, সেই সময়টাতে খেতে পারেন ভিটামিন সি।

প্রতিদিন ভিটামিন সি খাচ্ছেন তো?
প্রতিদিন প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি খান। একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখবেন, অতিরিক্ত ভিটামিন সি গ্রহণ করলে কোনো উপকারে আসবে না। ভিটামিন সিতে উচ্চমাত্রায় অ্যাসকরবিক অ্যাসিড রয়েছে, যা বেশি পরিমাণে গ্রহণ করলে তা শোষিত না হয়ে শরীরে দ্রুত নির্গত হতে পারে।