১২:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‌‘রেড জোন’ ঘোষণা খুলনার যে ১৪ এলাকা

প্রতিনিধির নাম:

করোনাভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণ রুখতে খুলনার ১৪টি এলাকা ‘রেড জোন’ করার সুপারিশ করেছেন খুলনার সিভিল সার্জন। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে এসব এলাকাকে রেড জোন করার সুপারিশ করে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালককে চিঠি দেয়া হয়েছে। খুলনা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এ এলাকাগুলো হচ্ছে- খুলনা মহানগরীর ৮, ৯, ১৪, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২১, ২২, ২৪, ২৮ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ড এবং দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ও রূপসা উপজেলার আইচগাতি এলাকা।

সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের মাত্রা বেশি এমন এলাকাগুলোকে ‘রেড জোন’ ঘোষণা করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এসব এলাকায় লকডাউনসহ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে। খুলনায় এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৪৪৫ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন আটজন।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ জানান, ‘জোন ভিত্তিক লকডাউনের মাধ্যমে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। কোথায় লকডাউন হবে তার তালিকা স্থানীয় প্রশাসন ঠিক করবে। তবে জেলার অধিক সংক্রমণ এলাকা চিহ্নিত করে জেলা প্রশাসনকে চিঠি দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বৈঠকের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৯:৩৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২০
১৮২ বার পড়া হয়েছে

‌‘রেড জোন’ ঘোষণা খুলনার যে ১৪ এলাকা

আপডেট সময় ০৯:৩৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২০

করোনাভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণ রুখতে খুলনার ১৪টি এলাকা ‘রেড জোন’ করার সুপারিশ করেছেন খুলনার সিভিল সার্জন। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে এসব এলাকাকে রেড জোন করার সুপারিশ করে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালককে চিঠি দেয়া হয়েছে। খুলনা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এ এলাকাগুলো হচ্ছে- খুলনা মহানগরীর ৮, ৯, ১৪, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২১, ২২, ২৪, ২৮ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ড এবং দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ও রূপসা উপজেলার আইচগাতি এলাকা।

সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের মাত্রা বেশি এমন এলাকাগুলোকে ‘রেড জোন’ ঘোষণা করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এসব এলাকায় লকডাউনসহ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে। খুলনায় এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৪৪৫ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন আটজন।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ জানান, ‘জোন ভিত্তিক লকডাউনের মাধ্যমে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। কোথায় লকডাউন হবে তার তালিকা স্থানীয় প্রশাসন ঠিক করবে। তবে জেলার অধিক সংক্রমণ এলাকা চিহ্নিত করে জেলা প্রশাসনকে চিঠি দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বৈঠকের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’