০২:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিশুদের ভ্রমণের জন্য কিছু বাড়তি সতর্কতা

প্রতিনিধির নাম:

যখন বাড়ির সবাইকে নিয়ে ঘুরার প্ল্যান করবেন তখন কিন্তু বড়দের সাথে সাথে শিশুরাও চলে আসে। তবে শিশুদের বেড়ানোর জন্য কিছু বাড়তি সতর্কতার দরকার হয়। তাই শিশুদের নিয়ে যান বেড়াতে তবে তার আগে জেনে নিন যা যা মাথায় রাখতেই হবে!

১. আপনার শিশুর স্বভাব চিনুনঃ আপনার ছোট্ট শিশু ঠিক কী পছন্দ করে, তা ঘুরতে যাওয়ার আগে ভালো করে জেনে নিন। কারণ বেড়াতে গিয়ে সে কী কী ভাবতে পারে, এবং কী কী পদক্ষেপ নিতে পারে, তা বুঝে যাবেন ওকে ভালো করে চেনা থাকলে। বেড়াতে যাওয়ার আগে ওর সঙ্গে একটু বেশি সময় কাটান। যেখানে যাবেন, সেই জায়গাটা কেমন, সে বিষয়ে বাবুকে একটা ধারণা দিয়ে রাখুন।

২. পানির বিষয়ে সাবধান হোনঃ খাবার পানি তো বটেই, ছোট্ট বাবুর গোসলের পানিও যেনো পরিষ্কার হয়। যেখানেই যান না কেন, ওকে ভালো করে ফিল্টার করা পানি ছাড়া অন্য কোনও পানি পান করাবেন না।

৩. কী জটিলতা হতে পারে সে বিষয়ে সচেতন থাকুনঃ কোথাও বেড়তে গেলে ঠিক কী ধরনের সমস্যা বা বিপদ হতে পারে, তা ভালো করে জেনে রাখুন। ধরুন যেখানে যাচ্ছেন, সেখানে ধস নেমে রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা অহরহ ঘটে, অথবা যখন তখন বৃষ্টি নামে। এটা আগে থেকে জানা থাকলে, আপনার ছোট্ট শিশুর যাতে সেই সময় অসুবিধা না হয়, তার ব্যবস্থা করে রাখতে পারবেন।

৪. ঔষধের বাক্সে নজরঃ শুধু দু’জনে বেড়াতে গিয়ে, তখন যা যা ঔষধ নিতেন, এখন তার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। মনে রাখবেন আপনার ঔষধ আর ছোট্ট সোনার ঔষধ আলাদা। তাছাড়া বিদেশে বা দেশে কিছু জায়গায় গেলে ঔষধ না-ও পেতে পারেন। তাই আগে থেকে সেই সব ঔষধ গুছিয়ে নিন, যা দরকার পড়লেও পড়তে পারে।

৫. পরিচয় লেখা কাগজপত্রঃ আপনার বাচ্চার ব্যাগে বা ব্রেসলেটের মধ্যে ছোট কাগজে লিখে রাখুন ওর নাম, ওর ঠিকানা। আপনার কাছে স্থানীয় ফোন নম্বর থাকলে, সেটাও লিখে রাখুন। পাশাপাশি আপদকালীন বা ইমারজেন্সি নম্বরও দিয়ে রাখুন। ও আপনার থেকে আলাদা হয়ে গেলে, যাতে সহজে কেউ যোগাযোগ করতে পারেন, এটা তার ব্যবস্থা।

৬. অতিরিক্ত সময় রাখুনঃ প্রাপ্তবয়স্করা যেমন ঝটপট কাজ সেরে নিতে পারেন, বাচ্চারা মোটেই তা পারে না। তাই হাতে কিছুটা অতিরিক্ত সময় রাখুন। যাতে আপনার বাচ্চার উপর চাপ না পরে, তাকে তাড়া না-দিতে হয়। হাতে একটা বা দুটো অতিরিক্ত দিনও রাখতে পারেন। যদি ওর শরীরটা খারাপ লাগে, তা হলে এক বা দু’দিন যাতে বিশ্রাম নিতে পারে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৮:৪৬:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২০
১৯৬ বার পড়া হয়েছে

শিশুদের ভ্রমণের জন্য কিছু বাড়তি সতর্কতা

আপডেট সময় ০৮:৪৬:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২০

যখন বাড়ির সবাইকে নিয়ে ঘুরার প্ল্যান করবেন তখন কিন্তু বড়দের সাথে সাথে শিশুরাও চলে আসে। তবে শিশুদের বেড়ানোর জন্য কিছু বাড়তি সতর্কতার দরকার হয়। তাই শিশুদের নিয়ে যান বেড়াতে তবে তার আগে জেনে নিন যা যা মাথায় রাখতেই হবে!

১. আপনার শিশুর স্বভাব চিনুনঃ আপনার ছোট্ট শিশু ঠিক কী পছন্দ করে, তা ঘুরতে যাওয়ার আগে ভালো করে জেনে নিন। কারণ বেড়াতে গিয়ে সে কী কী ভাবতে পারে, এবং কী কী পদক্ষেপ নিতে পারে, তা বুঝে যাবেন ওকে ভালো করে চেনা থাকলে। বেড়াতে যাওয়ার আগে ওর সঙ্গে একটু বেশি সময় কাটান। যেখানে যাবেন, সেই জায়গাটা কেমন, সে বিষয়ে বাবুকে একটা ধারণা দিয়ে রাখুন।

২. পানির বিষয়ে সাবধান হোনঃ খাবার পানি তো বটেই, ছোট্ট বাবুর গোসলের পানিও যেনো পরিষ্কার হয়। যেখানেই যান না কেন, ওকে ভালো করে ফিল্টার করা পানি ছাড়া অন্য কোনও পানি পান করাবেন না।

৩. কী জটিলতা হতে পারে সে বিষয়ে সচেতন থাকুনঃ কোথাও বেড়তে গেলে ঠিক কী ধরনের সমস্যা বা বিপদ হতে পারে, তা ভালো করে জেনে রাখুন। ধরুন যেখানে যাচ্ছেন, সেখানে ধস নেমে রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা অহরহ ঘটে, অথবা যখন তখন বৃষ্টি নামে। এটা আগে থেকে জানা থাকলে, আপনার ছোট্ট শিশুর যাতে সেই সময় অসুবিধা না হয়, তার ব্যবস্থা করে রাখতে পারবেন।

৪. ঔষধের বাক্সে নজরঃ শুধু দু’জনে বেড়াতে গিয়ে, তখন যা যা ঔষধ নিতেন, এখন তার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। মনে রাখবেন আপনার ঔষধ আর ছোট্ট সোনার ঔষধ আলাদা। তাছাড়া বিদেশে বা দেশে কিছু জায়গায় গেলে ঔষধ না-ও পেতে পারেন। তাই আগে থেকে সেই সব ঔষধ গুছিয়ে নিন, যা দরকার পড়লেও পড়তে পারে।

৫. পরিচয় লেখা কাগজপত্রঃ আপনার বাচ্চার ব্যাগে বা ব্রেসলেটের মধ্যে ছোট কাগজে লিখে রাখুন ওর নাম, ওর ঠিকানা। আপনার কাছে স্থানীয় ফোন নম্বর থাকলে, সেটাও লিখে রাখুন। পাশাপাশি আপদকালীন বা ইমারজেন্সি নম্বরও দিয়ে রাখুন। ও আপনার থেকে আলাদা হয়ে গেলে, যাতে সহজে কেউ যোগাযোগ করতে পারেন, এটা তার ব্যবস্থা।

৬. অতিরিক্ত সময় রাখুনঃ প্রাপ্তবয়স্করা যেমন ঝটপট কাজ সেরে নিতে পারেন, বাচ্চারা মোটেই তা পারে না। তাই হাতে কিছুটা অতিরিক্ত সময় রাখুন। যাতে আপনার বাচ্চার উপর চাপ না পরে, তাকে তাড়া না-দিতে হয়। হাতে একটা বা দুটো অতিরিক্ত দিনও রাখতে পারেন। যদি ওর শরীরটা খারাপ লাগে, তা হলে এক বা দু’দিন যাতে বিশ্রাম নিতে পারে।