০৩:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ঠুঁটো জগন্নাথ

প্রতিনিধির নাম:

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যেন ঠুঁটো জগন্নাথ! সরাসরি জেলা ও উপজেলায় সরকারি হাসপাতালগুলোর দেখভাল করার দায়িত্ব পালন করে অধিদপ্তর। কিন্তু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কনসালটেন্ট ও জুনিয়র কনসালটেন্ট নিয়োগের ক্ষমতা তাদের হাতে নেই। এই নিয়োগ দিয়ে থাকে মন্ত্রণালয়। তবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নিয়োগ দেয় অধিদপ্তর। কিন্তু কনসালটেন্ট নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা অধিদপ্তর থেকে বেশ কয়েক বছর আগে নিয়ে গেছে মন্ত্রণালয়। বর্তমানে এই নিয়োগে বেশির ভাগ কোনো বিধিমালা মানা হচ্ছে না।

নিয়োগ দিচ্ছে মন্ত্রণালয়। এর নেপথ্যে কাজ করছে ঘুষবাণিজ্য। তাদের জেলা কিংবা উপজেলায় বদলি করে পাঠালে তারা ঐ হাসপাতালের প্রধানদের বেশির ভাগ নির্দেশনা মানতে চান না। কারণ তাদের নিয়োগ মন্ত্রণালয় দিয়েছে বলে নিজেদের ক্ষমতাধর মনে করেন। অর্থাৎ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মাঠ পর্যায়ে দেখভাল করলেও আদৌতে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠানকে ঠুঁটো জগন্নাথ বানিয়ে রাখা হয়েছে। যে কারণে সাধারণ মানুষ সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা বলেন, জেলা-উপজেলায় সরকারি হাসপাতালে নিয়োগ ও বদলির ক্ষেত্রে ক্ষমতা ধরে রাখার মনমানসিকতার পরিবর্তন করা উচিত।

তৃণমূলে চিকিৎসাসেবার চিত্র সচক্ষে দেখার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছেন। সম্প্রতি সিলেটে গিয়ে কয়েকটি হাসপাতাল সরেজমিন পরিদর্শন করেন তিনি। কোথাও পরীক্ষানিরীক্ষা হয়, আবার কোথায় হয় না। কোথাও কোথাও অব্যবস্থাপনার চিত্র দেখতে পান, আবার কোথাও সঠিক ব্যবস্থাপনার চিত্র সচক্ষে দেখেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন জৈন্তাপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ চার জনকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পান। অননুমোদিত অনুপস্থিত থাকায় মন্ত্রী তাৎক্ষণিক চার জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

গ্রামাঞ্চলের ৮০ ভাগ রোগীই সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত হচ্ছেন। ডাক্তার নেই, অজ্ঞানকারী চিকিৎসক নেই, প্যাথলজি নষ্ট—এমন নানা অজুহাত দেখিয়ে রোগীদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। কাগজ-কলমে জনবল আছে, কিন্তু বাস্তবে সরকারি হাসপাতালে জনবল নেই। সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাব তো আছেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা বলেন, জুনিয়র কনসালটেন্ট ও কনসালটেন্টের পদ নিয়ন্ত্রণ করে মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় থেকে বদলি করলে যেতে চায় না। ওএসডি পদও নিয়ন্ত্রণ করে মন্ত্রণালয়। জেলা-উপজেলার চিকিৎসার দেখভালের দায়িত্ব স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের। তবে পদায়ন করে মন্ত্রণালয়। ঢাকার বাইরে চিকিৎসাসেবার মান হযবরল অবস্থা। পারলে সবই করে মন্ত্রণালয়। এই সমন্বয়ের অভাবে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। কনসালটেন্টের পদটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে থাকা উচিত। আবার চিকিৎসকরা প্রশিক্ষণের নামে ঢাকায় থাকেন। পুরো কোর্স শেষ না হওয়া পর্যন্ত গ্রামে যান না। তবে এক্ষেত্রে নতুন নীতিমালার প্রস্তাব দিতে চাচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নতুন প্রস্তাবনা অনুযায়ী, পাঁচ বছরের কোর্স (এফপিএস, এমডি, এমএস) হলে, দুই বছর মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যাল কলেজে থেকে এবং বাকি তিন বছর জেলা সদর হাসপাতালে কোর্সটি সম্পন্ন করতে পারবে। তাহলে একদিকে চিকিৎসকরা হাতেকলমে শিখে বিশেষজ্ঞ হবেন, অন্যদিকে রোগীরাও সুচিকিৎসা পাবেন। শিগগিরই এই প্রস্তাবটি মন্ত্রণালয়ে দেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে ঠুঁটো জগন্নাথ বানিয়ে রাখা হয়েছে। অবশ্যই এর অবসান হওয়া উচিত। মন্ত্রণালয়ের একশ্রেণির কর্মকর্তা এসব নিয়োগ-বাণিজ্যে ঘুষবাণিজ্য করে আসছে। সিনিয়র ও জুনিয়র দেখেন না। ২০তম বিসিএসের কর্মকর্তাকে দিয়ে দিল ১২তম বিসিএস কর্মকর্তার উপরের পদমর্যাদায়। অপেক্ষমাণদের না দিয়ে দুই তিন ব্যাচের পরের পদায়ন দেওয়ার অনেক উদাহরণ রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এর সত্যতা স্বীকার করেছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়ের বড় ঘাটতি রয়েছে। কাকে কোথায় নিয়োগ দিতে হবে, সেটা অধিদপ্তর ভালো বোঝে। এই অনুযায়ী অধিদপ্তর মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দেয়। কিন্তু মন্ত্রণালয় তা বেশির ভাগ অগ্রাহ্য করে নিজেদের মনমতো নিয়োগ দেয়। অথচ এটা হওয়ার কথা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়োগ দেবে এবং মন্ত্রণালয়কে অবহিত করবে। ডাক্তারদের নিয়ে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতি নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করার কারণে তারা সঠিক দায়িত্ব পালনে নিরুত্সাহিত হচ্ছেন। এর ফলে রোগীরা সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন গতকাল দুপুরে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও কৃষিজীবীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, স্বাস্থ্য সচেতনতা ও মেডিক্যাল ক্যাম্পের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। এ সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী রোকেয়া সুলতানা, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শহীদুজ্জামান সরকার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মুহাম্মদ খুরশীদ আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৫:৩৬:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০২৪
১৭৩ বার পড়া হয়েছে

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ঠুঁটো জগন্নাথ

আপডেট সময় ০৫:৩৬:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০২৪

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যেন ঠুঁটো জগন্নাথ! সরাসরি জেলা ও উপজেলায় সরকারি হাসপাতালগুলোর দেখভাল করার দায়িত্ব পালন করে অধিদপ্তর। কিন্তু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কনসালটেন্ট ও জুনিয়র কনসালটেন্ট নিয়োগের ক্ষমতা তাদের হাতে নেই। এই নিয়োগ দিয়ে থাকে মন্ত্রণালয়। তবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নিয়োগ দেয় অধিদপ্তর। কিন্তু কনসালটেন্ট নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা অধিদপ্তর থেকে বেশ কয়েক বছর আগে নিয়ে গেছে মন্ত্রণালয়। বর্তমানে এই নিয়োগে বেশির ভাগ কোনো বিধিমালা মানা হচ্ছে না।

নিয়োগ দিচ্ছে মন্ত্রণালয়। এর নেপথ্যে কাজ করছে ঘুষবাণিজ্য। তাদের জেলা কিংবা উপজেলায় বদলি করে পাঠালে তারা ঐ হাসপাতালের প্রধানদের বেশির ভাগ নির্দেশনা মানতে চান না। কারণ তাদের নিয়োগ মন্ত্রণালয় দিয়েছে বলে নিজেদের ক্ষমতাধর মনে করেন। অর্থাৎ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মাঠ পর্যায়ে দেখভাল করলেও আদৌতে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠানকে ঠুঁটো জগন্নাথ বানিয়ে রাখা হয়েছে। যে কারণে সাধারণ মানুষ সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা বলেন, জেলা-উপজেলায় সরকারি হাসপাতালে নিয়োগ ও বদলির ক্ষেত্রে ক্ষমতা ধরে রাখার মনমানসিকতার পরিবর্তন করা উচিত।

তৃণমূলে চিকিৎসাসেবার চিত্র সচক্ষে দেখার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছেন। সম্প্রতি সিলেটে গিয়ে কয়েকটি হাসপাতাল সরেজমিন পরিদর্শন করেন তিনি। কোথাও পরীক্ষানিরীক্ষা হয়, আবার কোথায় হয় না। কোথাও কোথাও অব্যবস্থাপনার চিত্র দেখতে পান, আবার কোথাও সঠিক ব্যবস্থাপনার চিত্র সচক্ষে দেখেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন জৈন্তাপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ চার জনকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পান। অননুমোদিত অনুপস্থিত থাকায় মন্ত্রী তাৎক্ষণিক চার জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

গ্রামাঞ্চলের ৮০ ভাগ রোগীই সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত হচ্ছেন। ডাক্তার নেই, অজ্ঞানকারী চিকিৎসক নেই, প্যাথলজি নষ্ট—এমন নানা অজুহাত দেখিয়ে রোগীদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। কাগজ-কলমে জনবল আছে, কিন্তু বাস্তবে সরকারি হাসপাতালে জনবল নেই। সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাব তো আছেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা বলেন, জুনিয়র কনসালটেন্ট ও কনসালটেন্টের পদ নিয়ন্ত্রণ করে মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় থেকে বদলি করলে যেতে চায় না। ওএসডি পদও নিয়ন্ত্রণ করে মন্ত্রণালয়। জেলা-উপজেলার চিকিৎসার দেখভালের দায়িত্ব স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের। তবে পদায়ন করে মন্ত্রণালয়। ঢাকার বাইরে চিকিৎসাসেবার মান হযবরল অবস্থা। পারলে সবই করে মন্ত্রণালয়। এই সমন্বয়ের অভাবে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। কনসালটেন্টের পদটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনে থাকা উচিত। আবার চিকিৎসকরা প্রশিক্ষণের নামে ঢাকায় থাকেন। পুরো কোর্স শেষ না হওয়া পর্যন্ত গ্রামে যান না। তবে এক্ষেত্রে নতুন নীতিমালার প্রস্তাব দিতে চাচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নতুন প্রস্তাবনা অনুযায়ী, পাঁচ বছরের কোর্স (এফপিএস, এমডি, এমএস) হলে, দুই বছর মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যাল কলেজে থেকে এবং বাকি তিন বছর জেলা সদর হাসপাতালে কোর্সটি সম্পন্ন করতে পারবে। তাহলে একদিকে চিকিৎসকরা হাতেকলমে শিখে বিশেষজ্ঞ হবেন, অন্যদিকে রোগীরাও সুচিকিৎসা পাবেন। শিগগিরই এই প্রস্তাবটি মন্ত্রণালয়ে দেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে ঠুঁটো জগন্নাথ বানিয়ে রাখা হয়েছে। অবশ্যই এর অবসান হওয়া উচিত। মন্ত্রণালয়ের একশ্রেণির কর্মকর্তা এসব নিয়োগ-বাণিজ্যে ঘুষবাণিজ্য করে আসছে। সিনিয়র ও জুনিয়র দেখেন না। ২০তম বিসিএসের কর্মকর্তাকে দিয়ে দিল ১২তম বিসিএস কর্মকর্তার উপরের পদমর্যাদায়। অপেক্ষমাণদের না দিয়ে দুই তিন ব্যাচের পরের পদায়ন দেওয়ার অনেক উদাহরণ রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এর সত্যতা স্বীকার করেছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়ের বড় ঘাটতি রয়েছে। কাকে কোথায় নিয়োগ দিতে হবে, সেটা অধিদপ্তর ভালো বোঝে। এই অনুযায়ী অধিদপ্তর মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দেয়। কিন্তু মন্ত্রণালয় তা বেশির ভাগ অগ্রাহ্য করে নিজেদের মনমতো নিয়োগ দেয়। অথচ এটা হওয়ার কথা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়োগ দেবে এবং মন্ত্রণালয়কে অবহিত করবে। ডাক্তারদের নিয়ে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতি নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করার কারণে তারা সঠিক দায়িত্ব পালনে নিরুত্সাহিত হচ্ছেন। এর ফলে রোগীরা সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন গতকাল দুপুরে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও কৃষিজীবীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, স্বাস্থ্য সচেতনতা ও মেডিক্যাল ক্যাম্পের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। এ সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী রোকেয়া সুলতানা, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শহীদুজ্জামান সরকার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মুহাম্মদ খুরশীদ আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।