জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য সোয়ায়েব আহমেদ এত সম্পদ কোথায় পেলেন?
বিশেষ প্রতিবেদক
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য সোয়ায়েব আহমেদের বিরুদ্ধে আয়ের সাথে সংগতিহীন ধন সম্পদ অর্জন ও সিনিয়রদের ডিংগিয়ে অবৈধপথে পদন্নোতি বাগিয়ে নেবার অভিযোগ পাওয়াগেছে। এ বিষয়ে গত ১৯/১০/২০২১ ইং তারিখে একটি লিখিত অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনে জমা দিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি মো: আল আমীন চৌধুরী। একই অভিযোগ তিনি জাতীয় গোযেন্দা সংস্থা বরাবরেও প্রেরণ করেছেন।
ওই লিখিত অভিযোগের বর্ণনায় জানাগেছে, সোয়ায়েব আহমেদ বাকা পথে তদবীর করে কর কমিশনার থেকে সদস্য পদে পদন্নোতি হাতিয়ে নিয়েছেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিধান মতে এই পদে অধিষ্ঠিত হবার মত কোন অভিজ্ঞতা বা যোগ্যতা তার নেই। তথাপিও তিনি উচ্চমহলে তদবীর করে ৫/৬জন সিনিয়রকে ডিংগিয়ে মেম্বার পদে বসেছেন।
অভিযোগের বর্ণনায় আরো জানা যায়, তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চাকুরীতে যোগদান করেই সীমাহীন অনিয়ম -দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন। সরকারী রাজস্ব আহরণে অসাধুতার আশ্রয় নিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও কর প্রদানকারী শিল্প মালিকদের সাথে গোপন আতাত করে নিজের আখের গুছিয়ে নিয়েছেন। এতে সরকার ক্ষতিগ্রস্থ হলেও তিনি লাভবান হয়েছেন। এপথে তিনি ঢাকার উত্তরখানে ৫০ কোটি টাকার জমি কিনে বাড়ী নির্মাণ করেছেন। গ্রামের বাড়ীতেও অট্রলিকা তৈরী করেছেন। ঢাকার গুলশানে তার এবং তার ভাইয়ের পৃথক পৃথক প্লট রয়েছে। তার একমাত্র ছেলে বিদেশে নামি দামি শিক্ষালয়ে লেখাপড়া করছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। চাকুরীতে প্রবেশকালে তার কি সম্পদ ছিল আর এখন কি পরিমান সম্পদ হয়েছে তা তদন্ত করলেই তার থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে । তার আপন বড় ভাই জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরামের সদস্য এবং জামায়াত বিএনপির সমর্থক বলে দাবী করা হয়েছে। অভিযোগকারী আইনজীবি এ ক্ষেত্রে দ্রুত তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ঢাকা সেগুন বাগিচা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রধান কার্যালয়ে সদস্য সোয়ায়েব আহমেদের অফিসে বার বার চেষ্টা করেও তার মতামত পাওয়া যায় নি।
















