দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ওয়েস্ট অ্যাপারেলস লিমিটেডের কর্মকর্তারা এবং প্রিমিয়ার ব্যাংকের নারায়ণগঞ্জ শাখার তৎকালীন কর্মকর্তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন ট্রেড গাইডলাইন লঙ্ঘন করে প্রতারণামূলক উপায়ে অর্থ আত্মসাৎ করেন। তারা মোট ১৫টি ভুয়া সেলস কনট্রাক্ট তৈরি করে স্থানীয় এলসি খুলে কাগুজে লেনদেন ও ফোর্সড লোন সৃষ্টি করেন। এর মাধ্যমে ব্যাংকের ৩৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ হয়।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় মামলা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।











