০১:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবৈধ সম্পদ অর্জন: নৌ-অধিদপ্তরের চিফ নটিক্যাল সার্ভেয়ার ক্যাপ্টেন গিয়াসের নামে দুদকের মামলার অনুমোদন

প্রতিনিধির নাম:

বিশেষ প্রতিবেদক

সম্পদের তথ্য গোপন ও ৪ কোটি ৭৪ লাখ ৭১ হাজার ১৯৭ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের চিফ নটিক্যাল সার্ভেয়ার ক্যাপ্টেন মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদের নামে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়, আসামি ক্যাপ্টেন মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ প্রাক্তন নটিক্যাল সার্ভেয়ার অ্যান্ড এক্সামিনার এবং কন্ট্রোলার অব মেরিটাইম এডুকেশন, বর্তমানে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের চিফ নটিক্যাল সার্ভেয়ার (চলতি দায়িত্ব); তিনি দাখিলকরা সম্পদ বিবরণীতে ২৯ লাখ ৩৩ হাজার ৮২২ টাকার সম্পদ গোপন করেছেন। এছাড়া সরকারি চাকরিতে দায়িত্বশীল পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক ঘুস ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৪ কোটি ৭৪ লাখ ৭১ হাজার ১৯৭ টাকার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেছেন। আসামির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬ (২) ও ২৭(১) ধারা তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে এ খবর জানার পর থেকেই ক্যাপ্টেন গিয়াস উদ্দিন আহমেদ পলাতক রযেছেন। তার গ্রামের বাড়ী গোপালগঞ্জ জেলার মকসুদপুর উপজেলায়। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার আমলে তিনি নৌপরিবহন অধিদপ্তরে জাল কাগজপত্রে চাকুরী পান। এরপর সাবেক বিমান মন্ত্রী মন্ত্রী কর্ণেল (অব) ফারুক খানের তদবীরে চীফ নটিক্যাল পদে পদোন্নতি পায়। বৈষম্য  বিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রতিহত করতে তিনি প্রচুর অর্থ ব্যয় করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:০১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
২২৩ বার পড়া হয়েছে

অবৈধ সম্পদ অর্জন: নৌ-অধিদপ্তরের চিফ নটিক্যাল সার্ভেয়ার ক্যাপ্টেন গিয়াসের নামে দুদকের মামলার অনুমোদন

আপডেট সময় ১২:০১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

বিশেষ প্রতিবেদক

সম্পদের তথ্য গোপন ও ৪ কোটি ৭৪ লাখ ৭১ হাজার ১৯৭ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের চিফ নটিক্যাল সার্ভেয়ার ক্যাপ্টেন মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদের নামে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়, আসামি ক্যাপ্টেন মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ প্রাক্তন নটিক্যাল সার্ভেয়ার অ্যান্ড এক্সামিনার এবং কন্ট্রোলার অব মেরিটাইম এডুকেশন, বর্তমানে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের চিফ নটিক্যাল সার্ভেয়ার (চলতি দায়িত্ব); তিনি দাখিলকরা সম্পদ বিবরণীতে ২৯ লাখ ৩৩ হাজার ৮২২ টাকার সম্পদ গোপন করেছেন। এছাড়া সরকারি চাকরিতে দায়িত্বশীল পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক ঘুস ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৪ কোটি ৭৪ লাখ ৭১ হাজার ১৯৭ টাকার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেছেন। আসামির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬ (২) ও ২৭(১) ধারা তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে এ খবর জানার পর থেকেই ক্যাপ্টেন গিয়াস উদ্দিন আহমেদ পলাতক রযেছেন। তার গ্রামের বাড়ী গোপালগঞ্জ জেলার মকসুদপুর উপজেলায়। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার আমলে তিনি নৌপরিবহন অধিদপ্তরে জাল কাগজপত্রে চাকুরী পান। এরপর সাবেক বিমান মন্ত্রী মন্ত্রী কর্ণেল (অব) ফারুক খানের তদবীরে চীফ নটিক্যাল পদে পদোন্নতি পায়। বৈষম্য  বিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রতিহত করতে তিনি প্রচুর অর্থ ব্যয় করেন।