০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফায়ার সার্ভিসের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচার

প্রতিনিধির নাম:

স্টাফ রিপোর্টার

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর সাবেক পরিচালক (উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ) লেফটেন্যান্ট কর্নেল অব: জুলফিকার এর বিরুদ্ধে পত্র পত্রিকা ও অনলাইন মিডিয়ায় পরিকল্পিত অপপ্রচার চালিয়ে তার সুনাম ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ধরণের তথ্য সন্ত্রাসে তিনি বিচলিত হয়ে পড়েছেন।
সম্প্রতি একটি অনলাইন নিউজপোর্টাল তাকে নিয়ে ”অবসরে গেলেও ফায়ার সার্ভিসের দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড লে: কর্নেল জুলফিকার” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করেছে। সংবাদ পত্রের নীতিমালার বত্যয় ঘটিয়ে প্রকাশিত ওই সংবাদে তাকে ডিজি জাহেদ কামালের ক্যাশিয়ার হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনেরও কোন সুযোগ দেওয়া হয়নি।
এ ছাড়া দায়িত্বে থাকাকালীন নিজের স্ত্রীর নামে ১০০ কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেটের কাজ করান এবং ফায়ারস্যুট ক্রয়ে সর্বনিম্ন দরদাতা ক্যাপিটাল লিমিটেডকে প্রদান না করে অন্য একটি কোম্পানিকে সুপারিশ করে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেন, যার নেপথ্যা লেফটেন্যান্ট কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত জুলফিকার। ফায়ার পল্লী নিয়েও একটি মন গড়া তথ্য প্রদান করা হয়েছে যার কোনই ভিত্তি নেই। বর্তমান ডিজি কে জড়িয়ে প্রকাশিত সকল খবরই মিথ্যা, বানোয়াট আর উদ্দেশ্য প্রনোদিত।

এ বিষয়ে অনুসন্ধান করে জানা যায়, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর সাবেক পরিচালক (উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ) লেফটেন্যান্ট কর্নেল অব: জুলফিকার তার চাকুরী জীবনে কোন প্রকার অনিয়ম-দুর্নীতির আশ্রয় নেন নি। তিনি শতভাগ শততার সাথে কর্মজীবন শেষ করেছেন। যে কারণে তিনি বেশ কয়েকবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা ও সেবা বিভাগ থেকে প্রশংসিত হয়েছেন। এ ছাড়া দায়িত্ব পালনকালে তিনি কোন প্রকার বিভাগীয় তদন্ত বা শাস্তির মুখোমুখি হন নি।

সততা,দক্ষতা এবং ফায়ার সার্ভিসের বিবিধ উন্নয়ন পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে একটি অসাধু মহল বরাবরই সক্রিয় ছিল। ওই মহলটিই সাংবাদিকদের কাছে ভিত্তিহীন তথ্য সরবরাহ করে ঘোলা জলে মাছ শিকার করার চেষ্টা করছেন।
এ বিষয়ে কথা বললে, লেফটেন্যান্ট কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত জুলফিকার বলেন, যারা এ ধরনের অপততপরতায় লিপ্ত তারা দেশ ও জাতির শক্রু। এ সব মিথ্যাচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহবান জানান।
একটি অনিবন্ধিত অনলাইন নিউজপোর্টাল এমন বানোয়াট খবর প্রচার করে তাঁর মানহানি করার জন্য সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনের আশ্রয় নিবেন বলেও তিনি জানান।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৩:৩১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫
৩১৬ বার পড়া হয়েছে

ফায়ার সার্ভিসের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচার

আপডেট সময় ০৩:৩১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর সাবেক পরিচালক (উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ) লেফটেন্যান্ট কর্নেল অব: জুলফিকার এর বিরুদ্ধে পত্র পত্রিকা ও অনলাইন মিডিয়ায় পরিকল্পিত অপপ্রচার চালিয়ে তার সুনাম ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ধরণের তথ্য সন্ত্রাসে তিনি বিচলিত হয়ে পড়েছেন।
সম্প্রতি একটি অনলাইন নিউজপোর্টাল তাকে নিয়ে ”অবসরে গেলেও ফায়ার সার্ভিসের দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড লে: কর্নেল জুলফিকার” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করেছে। সংবাদ পত্রের নীতিমালার বত্যয় ঘটিয়ে প্রকাশিত ওই সংবাদে তাকে ডিজি জাহেদ কামালের ক্যাশিয়ার হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনেরও কোন সুযোগ দেওয়া হয়নি।
এ ছাড়া দায়িত্বে থাকাকালীন নিজের স্ত্রীর নামে ১০০ কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেটের কাজ করান এবং ফায়ারস্যুট ক্রয়ে সর্বনিম্ন দরদাতা ক্যাপিটাল লিমিটেডকে প্রদান না করে অন্য একটি কোম্পানিকে সুপারিশ করে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেন, যার নেপথ্যা লেফটেন্যান্ট কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত জুলফিকার। ফায়ার পল্লী নিয়েও একটি মন গড়া তথ্য প্রদান করা হয়েছে যার কোনই ভিত্তি নেই। বর্তমান ডিজি কে জড়িয়ে প্রকাশিত সকল খবরই মিথ্যা, বানোয়াট আর উদ্দেশ্য প্রনোদিত।

এ বিষয়ে অনুসন্ধান করে জানা যায়, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর সাবেক পরিচালক (উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ) লেফটেন্যান্ট কর্নেল অব: জুলফিকার তার চাকুরী জীবনে কোন প্রকার অনিয়ম-দুর্নীতির আশ্রয় নেন নি। তিনি শতভাগ শততার সাথে কর্মজীবন শেষ করেছেন। যে কারণে তিনি বেশ কয়েকবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা ও সেবা বিভাগ থেকে প্রশংসিত হয়েছেন। এ ছাড়া দায়িত্ব পালনকালে তিনি কোন প্রকার বিভাগীয় তদন্ত বা শাস্তির মুখোমুখি হন নি।

সততা,দক্ষতা এবং ফায়ার সার্ভিসের বিবিধ উন্নয়ন পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে একটি অসাধু মহল বরাবরই সক্রিয় ছিল। ওই মহলটিই সাংবাদিকদের কাছে ভিত্তিহীন তথ্য সরবরাহ করে ঘোলা জলে মাছ শিকার করার চেষ্টা করছেন।
এ বিষয়ে কথা বললে, লেফটেন্যান্ট কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত জুলফিকার বলেন, যারা এ ধরনের অপততপরতায় লিপ্ত তারা দেশ ও জাতির শক্রু। এ সব মিথ্যাচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহবান জানান।
একটি অনিবন্ধিত অনলাইন নিউজপোর্টাল এমন বানোয়াট খবর প্রচার করে তাঁর মানহানি করার জন্য সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনের আশ্রয় নিবেন বলেও তিনি জানান।