০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিভ্রান্তিকর সংবাদ ও মানহানি: একজন সাধারণ শিক্ষাবিদের আত্মপক্ষ সমর্থন

প্রতিনিধির নাম:

আমি মোহাম্মদ আনিসুর রহমান সোহাগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব স্কুল,এভেরোজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। নিচে দেওয়া বিবৃতির মাধ্যমে আমি “জাল সনদ স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন অধ্যক্ষ” বা “জাল সনদ দিয়ে অধ্যক্ষ বনে যান আনিসুর রহমান সোহাগ” শিরোনামে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত বিভ্রান্তিকর, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদসমূহের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই ধরনের মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ আমাকে অত্যন্ত ব্যথিত ও বিব্রত করেছে এবং আমার দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে গড়ে তোলা স্বচ্ছ কর্মজীবনকে অন্যায়ভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এটি স্পষ্ট যে, কিছু চিহ্নিত স্বার্থান্বেষী মহল সাংবাদিক ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্টদের ভুল তথ্য সরবরাহ করে আমার, আমার পরিবার এবং আমাদের প্রতিষ্ঠানকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। দুঃখজনকভাবে, এই ব্যক্তিদের অধিকাংশই কখনো আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি বা কথাও বলেননি। এ ধরনের মিথ্যা প্রচারণায় দেশে-বিদেশে আমার মানহানি হয়েছে এবং আমার সুনাম ক্ষুণ হয়েছে।

আমি শুরু থেকেই এভেরোজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের নেতৃত্ব দিয়ে আসছি এবং ব্রিটিশ কারিকুলামে ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামিক কোরআন-সুন্নাহভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠনে নিরলসভাবে কাজ করছি। ইতিমধ্যে এই স্কুল থেকে ৬২ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী হিফজুল কুরআন সম্পন্ন করেছে ও বাংলাদেশের ঢাবি, মেডিকেলসহ বিশ্বের নামকরা ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের শিক্ষার্থীরা অধ্যয়ন করছে। বর্তমানে এই স্কুলে প্রায় ৪,০০০ শিক্ষার্থী আল কুরআনসহ ইংলিশ মিডিয়াম পড়াশোনায় নিবেদিত রয়েছে। এই দীর্ঘ ৯ বছরে এভেরোজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে আমি অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি। যেহেতু আমার প্রতিষ্ঠানটি একটি ইসলামিক স্কুল, তাই বিগতদিনে এটির কার্যμম পরিচালনায় আমাকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। দেশ বরেণ্য ইসলামি স্কলার মুফতি কাজী ইব্রাহিম সাহেব
ও ইসলামিক পটভূমির ব্যক্তিদের সঙ্গে আমি ও আমার স্কুল সংশ্লিষ্ট থাকার কারণে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে।
আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে আনীত অপতথ্য ও মিথ্যা অভিযোগের বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিচে প্রদান করা হলো:
১. শিক্ষাগত যোগ্যতা: আমার শিক্ষাজীবন পুরোপুরি স্বচ্ছ। আমি ঝালকাঠির আমিরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ম শ্রেণিতে প্রথম স্থানসহ বৃত্তি পেয়ে উত্তীর্ণ হই এবং আমিরাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হই। অষ্টম শ্রেণিতে স্কলারশিপ অর্জন করি। ১৯৯৭ সালে এসএসসি পরীক্ষায় বিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নম্বর নিয়ে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হই এবং ১৯৯৯ সালে বরিশাল সরকারি হাতেম আলী কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পাশ করি। এরপর বিএম কলেজে বি-এসসি অনার্সে ভর্তি হই। রাজনৈতিক কিছু সমস্যার কারণে আমাকে ঢাকায় আসতে বাধ্য হতে হয়, ফলে আমার শিক্ষাজীবনে সাময়িক বিরতি ঘটে। পরে আমি ইবাইস ইউনিভার্সিটি থেকে ৫ম ব্যাচে নিয়মিত ছাত্র হিসেবে ব্যাচেলর অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ) ও ১৫তম ব্যাচে এমবিএ সম্পন্ন করি। উল্লেখ্য, ইবাইস বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে উচ্চ আদালতে একটি রিট বিচারাধীন রয়েছে এবং সেটি বর্তমানে স্টাটাসকো অবস্থায় রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত এক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বলে গৃহীত হবে। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সে মাস্টার্স অব ইকোনমিক্স (এন্টারপ্রেনারশিপ) প্রোগ্রামের ৪র্থ ব্যাচে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হই এবং সিজিপিএ ৪ এর মধ্যে ৩.৯৪ পেয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করি। এছাড়াও, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমডিপি ইন এইচআরএম প্রোগ্রাম শেষ করেছি এবং
২০২৪ সালের জুন মাসে মালয়েশিয়ার বিখ্যাত পুত্রা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত পুত্রা বিসনিস স্কুলে পিএইচডি প্রোগ্রামের জন্য মনোনীত হই। যে ভিডিওটি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে তা তাদের নিজেদের তৈরি সঠিক ভিডিও নয়বরং তারা বিভিন্ন অংশ থেকে কাটপিস করে বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার করছে, যা পুরোপুরি মিথ্যা, অবৈধ, এবং মানহানিকর।
উল্লেখিত সংবাদসমূহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হবার পরে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকা একটি তদন্ত কমিটি ঘোষণা করেন। তদন্ত কমিটি আমার সনদগুলো যাচাই বাছাইয়ের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইবাইস ইউনিভার্সিটিতে পাঠায়। উভয় বিশ্ববিদ্যালয় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকাকে আমার সনদগুলো সঠিক বলে স্বীকৃতি দিয়েছে। যা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকা তাদের ২২/১০/২০২৪ তারিখে ঢাশিবো/বি/১৭১/ইংলিশ/৬৫১৫ নং স্মারকে প্রকাশ করেছেন।
২. পেশাগত জীবন: প্রায় ১৯ বছর আগে অপসোনিন ফার্মায় চাকরির বিষয়ে প্রকাশিত তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিভ্রান্তিকর। আমার আয় ও সম্পদের যাবতীয় তথ্য কর ফাইলে উল্লেখ রয়েছে এবং আমার স্ত্রীও একজন নিয়মিত করদাতা। সুতরাং, এ সম্পর্কিত প্রকাশিত সকল তথ্য বানোয়াট, মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
৩. ব্যক্তিগত ও পেশাগত বিতর্ক: আব্দুল্লাহ জামান নামে একজন ব্যক্তি, যিনি একসময়ে এভেরোজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের পার্টনার ছিলেন, তার সাথে সম্পর্কিত আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সব কিছুই ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। আমার ও আমার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো জেড. এম. রানার সাথে মিরপুর শাখা নিয়ে বিরোধ। মিরপুর এলাকায় কিছু অভিভাবক আমাদের শাখা স্থাপনের অনুরোধ করলে, জেড. এম. রানা নামে এক পরিচিত ব্যক্তিকে কিছু শর্তসাপেক্ষে শাখা স্থাপনের অনুমতি দেওয়া
হয়। কিন্তু তিনি চুক্তি লঙ্ঘন করে প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয় আত্মসাৎ করতে থাকেন এবং আমার ও আমার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ৮টি মিথ্যা মামলা ও অভিযোগ দায়ের করেন। এর মধ্যে ২টি মামলা চলমান আছে, বাকিগুলো আদালত খারিজ করে দিয়েছেন। উল্লেখ্য, জেড. এম. রানা ২০২১ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে প্রতারণার অভিযোগে ফৌজদারি আইনের ৪২০, ৪০৬ ও ৩৮৫ ধারায় আমি ও বিশিষ্ট আলেম কাজী মুফতি ইব্রাহিম সাহেবকে প্রধান আসামী করে মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নম্বর ১৫৩(৯)২০২১)। এই খবরটি তখন
বাংলাদেশের প্রায় সব প্রধান সংবাদমাধ্যমে, যেমন ডেইলি স্টার, ইত্তেফাক, বাংলা নিউজ ২৪, বাংলা ভিশন, সময় টিভি, ঢাকা পোস্ট, জাগো নিউজ, এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের মধ্যে বিবিসি বাংলাসহ আরও অনেকগুলো পত্র-পত্রিকা, টিভি চ্যানেল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়। জেড. এম. রানার করা এই মিথ্যা মামলায় আমি ১ নং ও মুফতি কাজী ইব্রাহিম সাহেব ৩নং আসামি ছিলেন এবং সেই মিথ্যা মামলায় কাজী মুফতি ইব্রাহিম সাহেবকে গভীর রাতে গ্রেফতার করে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয় এবং আমার বাসায়ও পুলিশ আসে। মিথ্যা মামলা, হয়রানি ও জেল-জুলুমের ভয়ে জামিন না পাওয়া পর্যন্ত আমাকে পরিবারের সদস্যদের ছেড়ে প্রায় এক মাস পালিয়ে বেড়াতে হয়। এছাড়াও, আমার বিরুদ্ধে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের আওতায় রূপনগর থানায় মামলা করা হয় (মামলা নম্বর ০৩(৩)২১, তারিখ: ০১-০৩-২০২১), যা খারিজ না হওয়া পর্যন্ত আমি হয়রানি, আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতির শিকার হই।
৪. এভেরোজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে আমার ভূমিকা: ব্রিটিশ কাউন্সিলে এক্সাম ফ্যাসিলিটেটর হিসেবে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা নিয়ে আমি ২০১৬ সালে ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং এক তৃতীয়াংশ মালিকানা নিয়ে এভেরোজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে কাজ শুরু করি এবং ৫ বছরের মধ্যে স্কুলকে সেরা দশের মধ্যে আনতে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করি। তখন নিলুফার ইয়াসমিন নামের একজনকে প্রিন্সিপাল হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়, যিনি ব্যক্তিগত কারণে ২০১৭ সালে পদত্যাগ করেন। প্রথম তিন বছর আমি শুধুমাত্র ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে কাজ
করেছি। পরবর্তীতে প্রিন্সিপালের পদটি শূন্য হলে এবং বিদ্যালয়ের সামগ্রিক কার্যμম বিবেচনা করে পরিচালনা পর্ষদ আমাকে হেড অব স্কুল হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করে। বিগত দিনে কিছু সরকারি কর্মকর্তা, মন্ত্রী, এমপি, এবং উচ্চপদস্থ ব্যক্তিবর্গ আমার স্কুলে বিভিন্ন স্কুল ইভেন্টে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং তাদের অনেকের সন্তানও আমার স্কুলে পড়াশোনা করছে। সেইসময়ে অন্যান্য রাজনৈতিক দল থেকে আসা ব্যক্তিবর্গও এই স্কুলে আসেন এবং তাদের সন্তানেরাও এখনো এই স্কুলে অধ্যয়নরত আছে। যেহেতু স্কুল একটি অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান, আমরা কেবলমাত্র সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। সেই সময়ে, মুফতি কাজী ইব্রাহিম সাহেব ও ইসলামিক পটভূমির ব্যক্তিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার কারণে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ, ডিবি, ও সিআইডি সহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা আমাকে একাধিকবার তলব করেছেন। উল্লেখ্য, এর আগেও আমাদের প্রতিষ্ঠিত আরও দুটি ইসলামিক ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল অপপ্রচারের মাধ্যমে বন্ধ করতে বাধ্য করা হয়েছিল।
৫. প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের বিষয়ে আমাদের গৃহীত পদক্ষেপ: এর আগেও অনেকবার আমার ও আমাদের স্কুলের ব্যপারে মিথ্যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল যার পরিপ্রেক্ষিতে ৭-১১-২০২১ তারিখে দৈনিক প্রথম আলো এবং ১২-০৭-২০২১ তারিখে দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় আমরা আমাদের মতামতসহ প্রতিবাদ দিয়েছি। গত ২৪-১০-২০২৪ তারিখে একটি দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক বরাবর আমার ব্যক্তিগত আইনিজিবির মাধ্যমে আইনি নোটিশ করেছি। ২১-১০-২০২৪ তারিখে মোহাম্মদপুর থানায় উল্লেখিত ব্যপারে একটি জিডি করেছি, যার নম্বর ১৫৯৯ ৩০-১০-২০২৪ তারিখেও একটি পত্রিকার সম্পাদক বরাবরে আইনি নোটিশ প্রেরণ করেছি।

আমি দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে সততার ভিত্তিতে গড়ে তোলা আমার কর্মজীবন এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম রক্ষায় সর্বদা নিষ্ঠাবান ছিলাম। সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত বিভ্রান্তিকর তথ্য এবং মিথ্যা অভিযোগ আমাকে মানসিকভাবে ব্যথিত করেছে এবং আমার পেশাগত জীবনকে অনাহুত সমস্যায় ফেলেছে। আমি দেশের প্রচলিত আইন ব্যবস্থার উপর দৃঢ় আস্থা রাখি, এবং বিশ্বাস করি যে যারা আমাকে হয়রানি করেছে তাদের একদিন উপযুক্ত বিচার হবে। এভেরোজ স্কুল কমিউনিটি ও শুভাকাক্সক্ষীদের বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিশেষভাবে
অনুরোধ করছি, এবং সকলের সহায়তা ও ধৈর্য কামনা করছি।

বিনীত
মোহাম্মদ আনিসুর রহমান সোহাগ
ব্যবস্থাপনা পরিচালিক ও হেড অব স্কুল
এভেরোজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল,ঢাকা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:৪৪:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০২৪
২৮১ বার পড়া হয়েছে

বিভ্রান্তিকর সংবাদ ও মানহানি: একজন সাধারণ শিক্ষাবিদের আত্মপক্ষ সমর্থন

আপডেট সময় ১১:৪৪:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০২৪

আমি মোহাম্মদ আনিসুর রহমান সোহাগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব স্কুল,এভেরোজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। নিচে দেওয়া বিবৃতির মাধ্যমে আমি “জাল সনদ স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেন অধ্যক্ষ” বা “জাল সনদ দিয়ে অধ্যক্ষ বনে যান আনিসুর রহমান সোহাগ” শিরোনামে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত বিভ্রান্তিকর, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদসমূহের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই ধরনের মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ আমাকে অত্যন্ত ব্যথিত ও বিব্রত করেছে এবং আমার দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে গড়ে তোলা স্বচ্ছ কর্মজীবনকে অন্যায়ভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এটি স্পষ্ট যে, কিছু চিহ্নিত স্বার্থান্বেষী মহল সাংবাদিক ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্টদের ভুল তথ্য সরবরাহ করে আমার, আমার পরিবার এবং আমাদের প্রতিষ্ঠানকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। দুঃখজনকভাবে, এই ব্যক্তিদের অধিকাংশই কখনো আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি বা কথাও বলেননি। এ ধরনের মিথ্যা প্রচারণায় দেশে-বিদেশে আমার মানহানি হয়েছে এবং আমার সুনাম ক্ষুণ হয়েছে।

আমি শুরু থেকেই এভেরোজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের নেতৃত্ব দিয়ে আসছি এবং ব্রিটিশ কারিকুলামে ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামিক কোরআন-সুন্নাহভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠনে নিরলসভাবে কাজ করছি। ইতিমধ্যে এই স্কুল থেকে ৬২ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী হিফজুল কুরআন সম্পন্ন করেছে ও বাংলাদেশের ঢাবি, মেডিকেলসহ বিশ্বের নামকরা ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের শিক্ষার্থীরা অধ্যয়ন করছে। বর্তমানে এই স্কুলে প্রায় ৪,০০০ শিক্ষার্থী আল কুরআনসহ ইংলিশ মিডিয়াম পড়াশোনায় নিবেদিত রয়েছে। এই দীর্ঘ ৯ বছরে এভেরোজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে আমি অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি। যেহেতু আমার প্রতিষ্ঠানটি একটি ইসলামিক স্কুল, তাই বিগতদিনে এটির কার্যμম পরিচালনায় আমাকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। দেশ বরেণ্য ইসলামি স্কলার মুফতি কাজী ইব্রাহিম সাহেব
ও ইসলামিক পটভূমির ব্যক্তিদের সঙ্গে আমি ও আমার স্কুল সংশ্লিষ্ট থাকার কারণে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে।
আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে আনীত অপতথ্য ও মিথ্যা অভিযোগের বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিচে প্রদান করা হলো:
১. শিক্ষাগত যোগ্যতা: আমার শিক্ষাজীবন পুরোপুরি স্বচ্ছ। আমি ঝালকাঠির আমিরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ম শ্রেণিতে প্রথম স্থানসহ বৃত্তি পেয়ে উত্তীর্ণ হই এবং আমিরাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হই। অষ্টম শ্রেণিতে স্কলারশিপ অর্জন করি। ১৯৯৭ সালে এসএসসি পরীক্ষায় বিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নম্বর নিয়ে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হই এবং ১৯৯৯ সালে বরিশাল সরকারি হাতেম আলী কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পাশ করি। এরপর বিএম কলেজে বি-এসসি অনার্সে ভর্তি হই। রাজনৈতিক কিছু সমস্যার কারণে আমাকে ঢাকায় আসতে বাধ্য হতে হয়, ফলে আমার শিক্ষাজীবনে সাময়িক বিরতি ঘটে। পরে আমি ইবাইস ইউনিভার্সিটি থেকে ৫ম ব্যাচে নিয়মিত ছাত্র হিসেবে ব্যাচেলর অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ) ও ১৫তম ব্যাচে এমবিএ সম্পন্ন করি। উল্লেখ্য, ইবাইস বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে উচ্চ আদালতে একটি রিট বিচারাধীন রয়েছে এবং সেটি বর্তমানে স্টাটাসকো অবস্থায় রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত এক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বলে গৃহীত হবে। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সে মাস্টার্স অব ইকোনমিক্স (এন্টারপ্রেনারশিপ) প্রোগ্রামের ৪র্থ ব্যাচে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হই এবং সিজিপিএ ৪ এর মধ্যে ৩.৯৪ পেয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করি। এছাড়াও, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমডিপি ইন এইচআরএম প্রোগ্রাম শেষ করেছি এবং
২০২৪ সালের জুন মাসে মালয়েশিয়ার বিখ্যাত পুত্রা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত পুত্রা বিসনিস স্কুলে পিএইচডি প্রোগ্রামের জন্য মনোনীত হই। যে ভিডিওটি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে তা তাদের নিজেদের তৈরি সঠিক ভিডিও নয়বরং তারা বিভিন্ন অংশ থেকে কাটপিস করে বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার করছে, যা পুরোপুরি মিথ্যা, অবৈধ, এবং মানহানিকর।
উল্লেখিত সংবাদসমূহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হবার পরে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকা একটি তদন্ত কমিটি ঘোষণা করেন। তদন্ত কমিটি আমার সনদগুলো যাচাই বাছাইয়ের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইবাইস ইউনিভার্সিটিতে পাঠায়। উভয় বিশ্ববিদ্যালয় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকাকে আমার সনদগুলো সঠিক বলে স্বীকৃতি দিয়েছে। যা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকা তাদের ২২/১০/২০২৪ তারিখে ঢাশিবো/বি/১৭১/ইংলিশ/৬৫১৫ নং স্মারকে প্রকাশ করেছেন।
২. পেশাগত জীবন: প্রায় ১৯ বছর আগে অপসোনিন ফার্মায় চাকরির বিষয়ে প্রকাশিত তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিভ্রান্তিকর। আমার আয় ও সম্পদের যাবতীয় তথ্য কর ফাইলে উল্লেখ রয়েছে এবং আমার স্ত্রীও একজন নিয়মিত করদাতা। সুতরাং, এ সম্পর্কিত প্রকাশিত সকল তথ্য বানোয়াট, মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
৩. ব্যক্তিগত ও পেশাগত বিতর্ক: আব্দুল্লাহ জামান নামে একজন ব্যক্তি, যিনি একসময়ে এভেরোজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের পার্টনার ছিলেন, তার সাথে সম্পর্কিত আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সব কিছুই ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। আমার ও আমার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো জেড. এম. রানার সাথে মিরপুর শাখা নিয়ে বিরোধ। মিরপুর এলাকায় কিছু অভিভাবক আমাদের শাখা স্থাপনের অনুরোধ করলে, জেড. এম. রানা নামে এক পরিচিত ব্যক্তিকে কিছু শর্তসাপেক্ষে শাখা স্থাপনের অনুমতি দেওয়া
হয়। কিন্তু তিনি চুক্তি লঙ্ঘন করে প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয় আত্মসাৎ করতে থাকেন এবং আমার ও আমার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ৮টি মিথ্যা মামলা ও অভিযোগ দায়ের করেন। এর মধ্যে ২টি মামলা চলমান আছে, বাকিগুলো আদালত খারিজ করে দিয়েছেন। উল্লেখ্য, জেড. এম. রানা ২০২১ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে প্রতারণার অভিযোগে ফৌজদারি আইনের ৪২০, ৪০৬ ও ৩৮৫ ধারায় আমি ও বিশিষ্ট আলেম কাজী মুফতি ইব্রাহিম সাহেবকে প্রধান আসামী করে মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নম্বর ১৫৩(৯)২০২১)। এই খবরটি তখন
বাংলাদেশের প্রায় সব প্রধান সংবাদমাধ্যমে, যেমন ডেইলি স্টার, ইত্তেফাক, বাংলা নিউজ ২৪, বাংলা ভিশন, সময় টিভি, ঢাকা পোস্ট, জাগো নিউজ, এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের মধ্যে বিবিসি বাংলাসহ আরও অনেকগুলো পত্র-পত্রিকা, টিভি চ্যানেল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়। জেড. এম. রানার করা এই মিথ্যা মামলায় আমি ১ নং ও মুফতি কাজী ইব্রাহিম সাহেব ৩নং আসামি ছিলেন এবং সেই মিথ্যা মামলায় কাজী মুফতি ইব্রাহিম সাহেবকে গভীর রাতে গ্রেফতার করে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয় এবং আমার বাসায়ও পুলিশ আসে। মিথ্যা মামলা, হয়রানি ও জেল-জুলুমের ভয়ে জামিন না পাওয়া পর্যন্ত আমাকে পরিবারের সদস্যদের ছেড়ে প্রায় এক মাস পালিয়ে বেড়াতে হয়। এছাড়াও, আমার বিরুদ্ধে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের আওতায় রূপনগর থানায় মামলা করা হয় (মামলা নম্বর ০৩(৩)২১, তারিখ: ০১-০৩-২০২১), যা খারিজ না হওয়া পর্যন্ত আমি হয়রানি, আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতির শিকার হই।
৪. এভেরোজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে আমার ভূমিকা: ব্রিটিশ কাউন্সিলে এক্সাম ফ্যাসিলিটেটর হিসেবে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা নিয়ে আমি ২০১৬ সালে ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং এক তৃতীয়াংশ মালিকানা নিয়ে এভেরোজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে কাজ শুরু করি এবং ৫ বছরের মধ্যে স্কুলকে সেরা দশের মধ্যে আনতে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করি। তখন নিলুফার ইয়াসমিন নামের একজনকে প্রিন্সিপাল হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়, যিনি ব্যক্তিগত কারণে ২০১৭ সালে পদত্যাগ করেন। প্রথম তিন বছর আমি শুধুমাত্র ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে কাজ
করেছি। পরবর্তীতে প্রিন্সিপালের পদটি শূন্য হলে এবং বিদ্যালয়ের সামগ্রিক কার্যμম বিবেচনা করে পরিচালনা পর্ষদ আমাকে হেড অব স্কুল হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করে। বিগত দিনে কিছু সরকারি কর্মকর্তা, মন্ত্রী, এমপি, এবং উচ্চপদস্থ ব্যক্তিবর্গ আমার স্কুলে বিভিন্ন স্কুল ইভেন্টে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং তাদের অনেকের সন্তানও আমার স্কুলে পড়াশোনা করছে। সেইসময়ে অন্যান্য রাজনৈতিক দল থেকে আসা ব্যক্তিবর্গও এই স্কুলে আসেন এবং তাদের সন্তানেরাও এখনো এই স্কুলে অধ্যয়নরত আছে। যেহেতু স্কুল একটি অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান, আমরা কেবলমাত্র সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। সেই সময়ে, মুফতি কাজী ইব্রাহিম সাহেব ও ইসলামিক পটভূমির ব্যক্তিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার কারণে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ, ডিবি, ও সিআইডি সহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা আমাকে একাধিকবার তলব করেছেন। উল্লেখ্য, এর আগেও আমাদের প্রতিষ্ঠিত আরও দুটি ইসলামিক ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল অপপ্রচারের মাধ্যমে বন্ধ করতে বাধ্য করা হয়েছিল।
৫. প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের বিষয়ে আমাদের গৃহীত পদক্ষেপ: এর আগেও অনেকবার আমার ও আমাদের স্কুলের ব্যপারে মিথ্যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল যার পরিপ্রেক্ষিতে ৭-১১-২০২১ তারিখে দৈনিক প্রথম আলো এবং ১২-০৭-২০২১ তারিখে দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় আমরা আমাদের মতামতসহ প্রতিবাদ দিয়েছি। গত ২৪-১০-২০২৪ তারিখে একটি দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক বরাবর আমার ব্যক্তিগত আইনিজিবির মাধ্যমে আইনি নোটিশ করেছি। ২১-১০-২০২৪ তারিখে মোহাম্মদপুর থানায় উল্লেখিত ব্যপারে একটি জিডি করেছি, যার নম্বর ১৫৯৯ ৩০-১০-২০২৪ তারিখেও একটি পত্রিকার সম্পাদক বরাবরে আইনি নোটিশ প্রেরণ করেছি।

আমি দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে সততার ভিত্তিতে গড়ে তোলা আমার কর্মজীবন এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম রক্ষায় সর্বদা নিষ্ঠাবান ছিলাম। সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত বিভ্রান্তিকর তথ্য এবং মিথ্যা অভিযোগ আমাকে মানসিকভাবে ব্যথিত করেছে এবং আমার পেশাগত জীবনকে অনাহুত সমস্যায় ফেলেছে। আমি দেশের প্রচলিত আইন ব্যবস্থার উপর দৃঢ় আস্থা রাখি, এবং বিশ্বাস করি যে যারা আমাকে হয়রানি করেছে তাদের একদিন উপযুক্ত বিচার হবে। এভেরোজ স্কুল কমিউনিটি ও শুভাকাক্সক্ষীদের বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিশেষভাবে
অনুরোধ করছি, এবং সকলের সহায়তা ও ধৈর্য কামনা করছি।

বিনীত
মোহাম্মদ আনিসুর রহমান সোহাগ
ব্যবস্থাপনা পরিচালিক ও হেড অব স্কুল
এভেরোজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল,ঢাকা।